08/06/2026
আস্থা ব্লাড ডোনেশন ক্লাব কক্সবাজার এর
৪র্থ বর্ষপূর্তি মিলনমেলা ও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ২০২৬ আয়োজনে উপস্থিত ছিল "সেন্টমার্টিন স্টুডেন্টস ইউনিটি'র প্রতিনিধি। আমাদের কাজগুলোকে দারুণভাবে প্রশংসা করা হয়েছে।
আস্থা ব্লাড ডোনেশন ক্লাব কক্সবাজার এর পক্ষ
থেকে আমাদেরকে প্রদান করা হয়েছে 'প্রশংসাপত্র'
যা আমাদের মানবিক, স্বেচ্ছাসেবী ও নিঃস্বার্থভাবে
মানুষের জন্য কাজ করতে উদ্ধুদ্ধ করেছে। সবচেয়ে আনন্দদায়ক বিষয় হলো, এটি আমাদের জন্য মহৎ একটি অর্জন।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জনমানুষের আস্থা, ভালোবাসা ও ভরসায় আমাদের "সেন্টমার্টিন স্টুডেন্টস ইউনিটি" অনেকদূর এগিয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ।
কক্সবাজারস্থ মানবিক ও স্বেচ্ছাসেবী বৃহৎ সংগঠন আস্থা ব্লাড ডোনেশন ক্লাব কক্সবাজার-কে আমরা এবং সেন্টমার্টিন দ্বীপবাসীর পক্ষ থেকে অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।🤍🥰
31/05/2026
প্রশাসনের নীরব ভূমিকা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
26/05/2026
মানুষের সাথে,মানুষের কথা চলমান....!
26/05/2026
আমরা প্রস্তুত।
আপনাদের জন্য অপেক্ষায় আছি প্রিয় দ্বীপবাসী।
আসুন কথা বলুন, কৌশল তৈরি করুন, অধিকার আদায় করে নিন।
দশে মিলে করি কাজ
হারি জিতি নাহি লাজ ।
25/05/2026
আগামীকাল
২৬ ই মে ২০২৬
স্থান- ওয়েলকাম গেটের পাশে
সময়: বিকেল ৩:৩০ ঘটিকা
এতে সকলে আমন্ত্রিত❤️
এই মূহুর্তে সেন্টমার্টিন দ্বীপের চলমান সংকট
ও প্রায় ১২ হাজার মানুষের দ্বীপে কোন কার্যকর কর্মসংস্থান এর বিকল্প ব্যবস্থা নেই ।
কারণ একদিকে মাছ ধরার ওপর
বিধি নিষেধ চলছে ,
অন্যদিকে পর্যটনও বন্ধ রয়েছে ।
এই অবস্থায়, শ্রমিক,জেলে, কৃষক জনগণের মজুরি , সমুদ্রসীমার
নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং স্থানীয়দের নাগরিক অধিকার বিষয়ে রাজনৈতিক দৃষ্টি ভঙ্গির মাধ্যমে প্রতিবাদ ভিত্তিক
আলোচনা সভার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে
Saint-martin Students Unity
সেন্টমার্টিন স্টুডেন্ট ইউনিটি -Saint Martin Students Unity ও
বঙোপসাগরীয় বিকেন্দ্রীকরণ বিষয়ক রাজনৈতিক সংগঠন
Bay of Bengal People’s Network - BPN
বে অফ বেঙ্গল পিপলস নেটওয়ার্ক -বিপিএন
উক্তো আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখবেন
স্থানীয় জনগণ এবং
জুলাই অভ্যুত্থান এর কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক বিপিএন এর মুখপাত্র চৌধুরী সিয়াম ইলাহি।
24/05/2026
স্মারকলিপি
তারিখ: ২৪ মে, ২০২৬
বরাবর,
জেলা প্রশাসক (ডিসি)
কক্সবাজার জেলা।
বিষয়: আরকান আর্মির হাতে অপহৃত এবং মুক্তিপ্রাপ্ত সেন্টমার্টিন দ্বীপের জেলে পরিবারসমূহের অনুকূলে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিশেষ বরাদ্দ ও পুনর্বাসন সহায়তার আবেদন
মহোদয়,
আমরা বিনীতভাবে সেন্টমার্টিন দ্বীপের সাধারণ শিক্ষার্থীদের সংগঠন "সেন্টমার্টিন স্টুডেন্টস ইউনিটি"-এর পক্ষ থেকে আপনার সদয় অবগতির জন্য দেশের দক্ষিণতম সীমান্তের এক মানবিক বিপর্যয়কর পরিস্থিতি তুলে ধরছি।
আপনারা অবগত আছেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে সেন্টমার্টিন সংলগ্ন সাগর ও নাফ নদী থেকে আরকান আর্মি কর্তৃক আমাদের ৩৭ জন নিরীহ জেলে অপহৃত হন। পরবর্তীতে ২৮ জন মুক্তি পেলেও এখনো ৯টি পরিবার তাদের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে চরম উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা এবং তীব্র খাদ্য সংকটের মধ্যে দিনাতিপাত করছে। মুক্তি পাওয়া জেলেরা এবং অপহৃতদের পরিবারগুলো বর্তমানে সম্পূর্ণ কর্মহীন এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।
সামনে পবিত্র ঈদুল আজহা (কোরবানি)। যখন সারা দেশের মানুষ ঈদের আনন্দে মেতে উঠবে, তখন সেন্টমার্টিনের এই অসহায় পরিবারগুলো অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তাদের মুখে এক চিলতে হাসি ফোটাতে এবং মানবিক বিপর্যয় রোধে জেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
আমাদের সুনির্দিষ্ট দাবিসমূহ নিম্নরূপ:
১. বিশেষ কোরবানি ও ঈদ উপহার প্যাকেজ: অপহৃত এবং মুক্তিপ্রাপ্ত জেলেদের প্রতিটি পরিবারকে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিশেষ ভিজিএফ চালের পাশাপাশি মাংসা, তেল, চিনি, ডাল, বিশেষ ঈদ সামগ্রী নিশ্চিত করা হোক।
২. এককালীন নগদ আর্থিক সহায়তা: কোরবানি ঈদের খরচ ও দৈনন্দিন চাহিদা মেটানোর জন্য জেলা প্রশাসনের জরুরি তহবিল থেকে প্রতিটি পরিবারকে এককালীন সম্মানজনক নগদ অর্থ প্রদান করা হোক।
৩. অপহৃত জেলে পরিবারের স্কুল ও মাদরাসা পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীদের বেতন সম্পূর্ণ মওকুফের ব্যবস্থা করা।
৪. দীর্ঘমেয়াদি রেশন সুবিধা: যতদিন না সেন্টমার্টিন অঞ্চলের জেলেরা স্বাভাবিক ও নিরাপদভাবে সাগরে মাছ ধরতে পারছেন, ততদিন এই পরিবারগুলোকে ওএমএস বা বিশেষ রেশনের আওতায় এনে নিয়মিত খাদ্য সহায়তা দেওয়া হোক।
৫. চিকিৎসা ও মনস্তাত্ত্বিক সহায়তা: আরকান আর্মির বন্দিশালা থেকে ফেরত আসা জেলেদের শারীরিক ও মানসিক ট্রমা কাটাতে জরুরি চিকিৎসা ও কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা হোক।
৬. নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ: সেন্টমার্টিনের জেলেদের জীবন ও জীবিকার সুরক্ষায় কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর টহল জোরদার করে স্থায়ী নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হোক।
অতএব, সেন্টমার্টিনের এই অত্যন্ত অসহায় ও ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর মানবিক দিক বিবেচনা করে আসন্ন কোরবানি ঈদে তাদের জন্য বিশেষ সরকারি বরাদ্দ মঞ্জুর করতে আপনার জরুরি ও সদয় নির্দেশনা কামনা করছি।
বিনীত নিবেদক,
সেন্টমার্টিন স্টুডেন্টস ইউনিটি'র পক্ষে,
জামিল উদ্দিন
আহ্বায়ক, সেন্টমার্টিন স্টুডেন্টস ইউনিটি।
সেন্টমার্টিন, টেকনাফ, কক্সবাজার।
—সংযুক্তি
ক) অপহৃত ও মুক্তিপ্রাপ্ত জেলেদের তথ্য তালিকা।
খ) সাম্প্রতিক সংবাদ শিরোনামসমূহ এবং জেলে পরিবারের বক্তব্য
20/05/2026
সবাই সেন্টমার্টিনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসে এবং উপভোগ করে চলে যায়।
কিন্ত সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাসীর বেচে থাকার সংগ্রাম কেউ দেখেনা।
রাষ্ট্রের এমন অবহেলার জন্য তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
“সৌন্দর্যের তলে আমাদের লড়াই কেউ দেখে না”: মধুর ক্যান্টিনে সেন্টমার্টিন স্টুডেন্টস ইউনিটির সংবাদ সম্মেলন
স্টাফ রিপোর্টার | ক্রাইম ক্রনিকল
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। সমুদ্রের নীল, ফেনিল জলরাশির অপার সৌন্দর্যে ঘেরা এই দ্বীপ শুধু পর্যটনের জন্যই নয়; এটি হাজারো মানুষের বসবাস, জীবিকা ও সংস্কৃতিরও ধারক। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, এই সৌন্দর্যের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে লুকিয়ে আছে বঞ্চনা, অবহেলা ও নানাবিধ সংকটের গল্প। দ্বীপবাসীর ন্যায্য অধিকার আদায়ের দাবিতে আজ দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সেন্টমার্টিন স্টুডেন্টস ইউনিটি। সংগঠনটি আরাকান আর্মির হাতে আটক সকল বাংলাদেশি জেলেকে দ্রুত ও নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানায়।
সংবাদ সম্মেলনে কক্সবাজার সরকারী কলেজের গণিত বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী জামিল উদ্দীন (২২) বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে সেন্টমার্টিনের অন্যতম বড় সমস্যা হলো আরাকান আর্মির হাতে বাংলাদেশি জেলেদের আটক হওয়া। বিষয়টি এখন আমাদের জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে পরিণত হয়েছে।” তিনি জানান, সমুদ্রে মাছ ধরার ওপর সরকারি বিভিন্ন বিধিনিষেধ এবং বর্ষা মৌসুমের কারণে জেলেরা বছরের বড় একটি সময় মাছ ধরতে যেতে পারেন না, ফলে তারা ও তাদের পরিবার নিয়মিত অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলবর্তী এলাকায় মাছের প্রাপ্যতা কমে যাওয়ায় জেলেদের বাধ্য হয়ে গভীর সমুদ্রে যেতে হচ্ছে। এ সুযোগে জলসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশভিত্তিক বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গি সংগঠন আরাকান আর্মি বাংলাদেশি জেলেদের আটক করছে। তার দাবি, গত এক বছরে সাত শতাধিক (৭০০+) জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বন্দিদশায় তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন; এমনকি কিছু জেলেকে শ্রমশিবিরে ক্রীতদাসের মতো পাথর কাটার কাজে বাধ্য করার অভিযোগও রয়েছে।
গত বছরের ২৭ অক্টোবর মাছ ধরতে গিয়ে একইভাবে আটক হন সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা আমান উল্লাহ (৩৮)। সেই দিন থেকে আজ পর্যন্ত তিনি মুক্তি পাননি। তার অনুপস্থিতিতে পরিবারটি চরম অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে। তার ছেলে মোহাম্মদ জিল্লুর (১৫), বাবার অনুপস্থিতিতে পড়াশোনা ছেড়ে দিনমজুরের কাজে যোগ দিতে বাধ্য হয়েছে। গতবছর তিনি সেন্টমার্টিন বিএন স্কুল & কলেজে অষ্টম শ্রেণিতে পড়তেন।
মোহাম্মদ জিল্লুর অভিযোগ করে বলেন, “সরকার আমাদের জন্য কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না; আমাদের যেন পূর্ণ নাগরিক হিসেবেও বিবেচনা করা হচ্ছে না।” তিনি আসন্ন কোরবানির ঈদের আগেই আটক সকল জেলেকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে দ্বীপের সার্বিক উন্নয়ন ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে ১৩ দফা দাবি তুলে ধরে সেন্টমার্টিন স্টুডেন্টস ইউনিটি। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—দ্বীপের শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কার, ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের আধুনিকায়ন এবং সি-অ্যাম্বুলেন্স চালু করা। এছাড়া নিরাপদ ও উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, ও টেকনাফ, শাহপরীর দ্বীপ ও সেন্টমার্টিন -সহ সকল সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার, বাস্তবসম্মত মৎস্যনীতি প্রণয়ন এবং পরিকল্পিত ইকো-ট্যুরিজম চালুর দাবিও জানানো হয়।
সংগঠনটি আরও দাবি জানায়—উপকূল সুরক্ষায় টেকসই বাঁধ নির্মাণ, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, মাদক নির্মূল, মানবপাচার প্রতিরোধ, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দ্বীপের ভূমি সমস্যার স্থায়ী সমাধান।
#সেন্টমার্টিন #জেলে #সার্বভৌমত্ব #ক্রাইম_ক্রনিকল