Team Shafiqul Islam Shafiq

Team Shafiqul Islam Shafiq

Share

শফিকুল ইসলাম শফিক
যুগ্ম আহ্বায়ক
গুলশান থানা বিএনপি, ঢাকা মহানগর উত্তর

Photos from Bangladesh Jatiyotabadi Jubodal's post 04/06/2026

সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

24/05/2026

কাজী নজরুল ইসলাম এবং জেনারেল জিয়াউর রহমান.......!

বলা যেতে পারে দুজন দুই মেরুর মানুষ। শুধু কবির শেষ জন্মদিনে অর্থাৎ ১৯৭৬ সালের ২৪শে মে কবির বাড়িতে সামরিক প্রশাসক জেনারেল জিয়ার একটি সাক্ষাৎ দেওয়ার ছবিই সবার দৃশ্যপটে ভেসে উঠে। কবিকে জাতীয় কবির সম্মাননা জেনারেল জিয়াই দিয়েছিলেন, উনার প্রবর্তিত একুশে পদকের উদ্বোধনও করা হয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে প্রদানের মাধ্যমে।

বিদ্রোহী কবির জন্ম মাসেই বিদায় নেন জেনারেল জিয়া। দুজনের মাঝে ব্যবধান ছিল কয়েক যুগের। এক সুতোয় গাঁথা খুবই মুশকিল। তারপরেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে জিয়ার কর্মকান্ডে কবির একটা ছাপ পাওয়া যায়। অনেক ক্ষেত্রে মনে হয় কবির দেখা স্বপ্নগুলো পূরণের জন্যই এসেছিলেন বাংলার রাখাল রাজা।

পেশাগত জীবনে দুজনের সাদৃশ্য ছিল। যৌবনের শুরুতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম। মনে ব্রিটিশরাজের বিরুদ্ধে আগুন চাপা থাকলেও একজন খাঁটি সৈনিক হিসেবেই সেনাবাহিনীর সকল আইন কানুনের প্রতি সব সময়ই ছিলেন শ্রদ্ধাশীল। সামান্য সৈনিক হতে কোয়ার্টার মাস্টার পেরিয়ে হাবিলদার পদে প্রমোশন পেতে তাই খুব বেশি সময় লাগেনি।
আর জেনারেল জিয়াউর রহমান তো আজীবনই উনার পোশাকের মর্যাদা এবং একজন সেনা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বকেই সর্বাগ্রে রেখেছেন।

যখন কবি যুদ্ধ শেষে ফিরে এলেন, তখন একদিন বন্ধুবর কমরেড মোজাফফর আহমেদ কথা প্রসঙ্গে কবির রাজনীতিতে আগ্রহ নিয়ে প্রশ্ন করলেন। কবির জবাবটা ছিল, 'যদি রাজনীতি নাই করি, তবে যুদ্ধে গেলাম কেন?'
ঠিকই তো, যারা দেশের জন্য জীবন বাজি রেখে লড়াই করে তারাই তো দেশ গড়ার ভূমিকায় অগ্রাধিকার রাখে।
কবি নজরুল ছিলেন একজন সফল রাজনীতিবিদ। ১৯২৬ এ কংগ্রেসের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচন করে জামানত হারিয়েছিলেন এটা ঠিক, কিন্তু উনার কথা, কবিতা এবং গানগুলো দেশ, মাটি ও মানুষের মনকে ঠিকই ছুঁয়ে গিয়েছিল। বন্ধুর কাছে কম্যুনিজমের দীক্ষা নিলেও কংগ্রেসের মতাদর্শকেও বরণ করেছিলেন। হিন্দুদের জন্য গান লিখে হুজুরদের ফতোয়ায় কাফের উপাধি পেয়ে ভোটও বিসর্জন দিয়েছিলেন। কিন্তু ভোট না দিলেও উনার জনমানুষের জন্য চাওয়াগুলোর সাথে কেউ দ্বিমত করতে পারেনি। সব মিলিয়েই ব্রিটিশ রাজের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনে এটাই ছিল সর্বোত্তম পন্থা। কবিতার মাধ্যমে দ্রোহের আগুন ছড়িয়ে দিয়েছিলেন ব্রিটিশদের বন্দীশালাগুলোয়।
জেনারেল জিয়ার সামনেও ৭৫ এর নভেম্বরে এই প্রশ্নটি এসে দাঁড় হয়েছিল। "দেশের জন্য যুদ্ধ করেছি, তাহলে কি দেশের প্রয়োজনে রাজনীতি করবো না?" উনিও সেদিন কবির দেখানো পথেই হেঁটেছিলেন।
নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মানে। পূরণ করেছিলেন এমন কিছু স্বপ্ন যা কবি বহু যুগ আগে মানুষকে দেখিয়েছিলেন।

এতো গেল দর্শনের মিল, কিছু কাকতালীয় বৈপরীত্যও দেখা যায় দুজনের জীবন পথে। কবি যুদ্ধের জন্য করাচীর ক্যান্টনমেন্টে দীর্ঘ সময় অবস্থান করেন।,। মূলত সে সময়ই উনার সাহিত্য এবং দর্শনের পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটে। যুদ্ধ শেষে কোলকাতায় ফিরে সাহিত্য এবং রাজনীতিতে পূর্ণ মনোনিবেশ করেন।
বিপরীতে জিয়াউর রহমান ছিলেন কোলকাতার হেয়ার স্কুলের ছাত্র, সেখানেই শৈশবটা বিকশিত হয়। পরে বাবার চাকুরীর জন্য পাড়ি জমান করাচীতে। সেখানেই শিক্ষাজীবন সমাপ্ত করে যোগ দেন সেনাবাহিনীতে।

দিনশেষে উনাদের ভিতরের ব্যক্তিত্ব এবং চাহিদাটা একই ছিল। তা হচ্ছে মানুষকে মুক্তির বার্তা, স্বাধীনতার বার্তা পৌঁছে দেওয়া। এজন্যই একজন কবিতায় মানুষকে স্বাধীন দেশের গল্প বলেছেন, আরেকজন রেডিও স্টেশনে মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, 'আই মেজর জিয়া, ডু হেয়ারবাই ডিক্লেয়ার দ্যা ইন্ডিপেন্ডেন্স অব বাংলাদেশ'।

মানুষকে মুক্তির পথ দেখানো এই দুই মহান ব্যক্তিকে আল্লাহ পাক যেন জান্নাত নসীব করেন। আমিন

24/05/2026

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং টাঙ্গাইল-৫ এর এমপি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ভাইয়ের সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ

Photos from Team Shafiqul Islam Shafiq's post 24/05/2026

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের,প্রশাসক।
শফিকুল ইসলাম মিল্টন ভাইয়ের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ।

Photos from Team Shafiqul Islam Shafiq's post 24/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের পক্ষ থেকে পাওয়া ঈদের শুভেচ্ছা কার্ড ।
ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান.

Photos from Team Shafiqul Islam Shafiq's post 22/05/2026

পবিত্র ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
ঈদ মোবারক
শফিকুল ইসলাম শফিক
যুগ্ম আহ্বায়ক
গুলশান থানা বিএনপি
ঢাকা মহানগর উত্তর

18/05/2026

মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর ৪৫তম শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি’র কর্মসূচি প্রণয়ন
মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর ৪৫তম শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষে আজ ১৮ মে ২০২৬, সোমবার সকাল ১১ টায় নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপি’র উদ্যোগে এক যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
যৌথসভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। সভায় যুগ্ম মহাসচিববৃন্দ, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি’র আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবগণ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি/আহবায়ক/সাধারণ সম্পাদক/সদস্য সচিববৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
যৌথসভায় সর্বসম্মতিক্রমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকীতে নিম্নলিখিত কর্মসূচির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়-
৪৫তম শাহাদৎবার্ষিকীর কর্মসূচি:- (০৮ দিনব্যাপী কর্মসূচি-২৫ মে ২০২৬ থেকে ০১ জুন ২০২৬ পর্যন্ত)
১। মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ২৫ মে থেকে ০১ জুন ২০২৬ পর্যন্ত ০৮ দিনব্যাপী কর্মসূচির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
২। শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষে পোষ্টার প্রকাশ ও কালো ব্যাজ ধারণ।
৩। শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষে সংবাদপত্র এবং অনলাইন পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশ।
৪। শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও পোষ্টার প্রকাশ।
৫। শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষে ৩১ মে ২০২৬, রবিবার বেলা ২ টায় বিএনপি’র উদ্যোগে রাজধানীর রমনাস্থ ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স-বাংলাদেশ মিলনায়তনে আলোচনা সভা।
৬। ৩০ মে শনিবার শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষে:
(ক) ভোর ৬টায় দলের নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন।
(খ) ঐদিন সকাল ১১ টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি’র জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর মাজারে পুস্পার্ঘ অর্পণ ও মাজার জিয়ারত করবেন এবং জিয়ারত শেষে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে মাজার প্রাঙ্গণে দোয়া মাহফিলে শরীক হবেন।
(গ) দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতি থানায় দুঃস্থদের মাঝে কাপড়, চাল, ডালসহ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ।
সারাদেশে:
অনুরূপভাবে বিএনপি’র উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশে জেলা ও মহানগরীসহ সকল ইউনিট এবং উক্ত ইউনিট সমূহের অধীনস্থ সকল ইউনিট কার্যালয়ে ৩০ মে ভোর ৬ টায় দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন এবং নিজ নিজ এলাকার সুবিধা অনুযায়ী আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও দুঃস্থদের মাঝে কাপড়, চাল, ডালসহ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হবে।

Photos from Team Shafiqul Islam Shafiq's post 17/05/2026

1st Para Sports Carnival 2026

16/05/2026

ঢাকা থেকে চাঁদপুরের পথে পথে সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Dhaka