30/11/2025
জামায়াত কুকীর্তি (২০০১-২০০৬)
দলগত দূর্নীতির শীর্ষে দল ছিল জামায়াত!
১) জামাতে সংসদ সদস্য ছিল - ১৭ জন।
২) দূর্নীতি দমন কমিশনে এই যাবত ২ জন মন্ত্রী সহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
৩) ৪ জন দুর্নীতির অভিযোগে কারাগারে রয়েছে : - ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, গাজী নজরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান ও শাহজাহান চৌধুরী।
৪) পলাতক ৩ জন ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, আব্দুস সুবহান ও মিয়া গোলাম পরওয়ার।
৫)ডা. তাহেরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আত্নসাতের অভিযোগে মামলা হয়েছে।
৬) গাজী নজরুল ইসলামের নাম রয়েছে চিংড়ি ঘের, ২৫ বিঘা সম্পত্তিসহ অঢেল সম্পত্তি অর্জন এবং টিআর-এর পৌনে ২ কোটি টাকা আÍসাতের অভিযোগ রয়েছে।
৭) মিজানুর রহমান চৌধুরীর বাড়ি থেকে এবং মাওলানা আবদুস সুবহানের ব্যক্তিগত ক্লিনিক আল-আমানা থেকে ত্রাণের টিন উদ্ধার করা হয়েছে।
৮) শাহজাহান চৌধুরীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পাদ অর্জন ও হত্যা মামলা সহ ৪টি মামলা রয়েছে।
৯) মিয়া গোলাম পরওয়ারের বিরুদ্ধে আসিফ জুট মিলের আড়াই কোটি টাকা আত্নসাতের অভিযোগে খুলনার খানজাহান আলী থানায় মামলা রয়েছে।
১০) মাওলানা আব্দুল আজিজের বিরুদ্ধে ত্রাণের টিন আÍসাতের অভিযোগ রয়েছে।
১১) দলের প্রধান কান্ডারী ও সাবেক মন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় দুদক অভিযোগপত্র দায়ের করেছে।
১২) দলের অপর নেতা ও সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মুহম্মাদ মুজাহিদ চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা হয়েছে।
১৩) মাওলানা ফরিদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ২৫ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে কানাইঘাট থানায় মামলা হয়েছে।
আর এরা বলে যে জামায়াতের কারো বিরুদ্ধে নাকি কোনো অভিযোগ ই ছিলো না। দলগত হিসাব করলে জামায়াত পারসেন্টেজ এ দুর্নীতি করেছে বেশি কারণ তাদের সাংসদ ই ছিলো ১৭ জন।
এই মোনাফেকদের নিয়ে যাবো কোথায়?
29/11/2025
জামায়াত আমিরের আজকের বক্তব্যের মিথ্যাচারের প্রমান:
১) ২০০১-২০০৬ সালে বিএনপি ৪ বার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ❌
ফ্যাক্ট- ২০০১-২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ৩ বার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
২০০১ সালে প্রথমবার আওয়ামীলীগের আমলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। স্কোর ছিলো ০.৪। ধীরে ধীরে সূচকের/স্কোরের মান উন্নতি হইছে। ২০০৬ সালে র্যাকিং ৩য় হয়েছে, স্কোর হলো ২.০০। (টি আই বি প্রেস রিলিজ কমেন্টে)
২) জামায়াতের ২ মন্ত্রীসহ বাকী এম্পি কারো বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নাই। ❌
ফ্যাক্ট- জামায়াতের নিজামী-মুজাহিদের বিরুদ্ধে গ্যাটকো দুর্নীতির মামলা। আল্লামা সাঈদীর নামে যাকাতের টাকা আত্নসাথের মামলা, ডা. তাহেরে বিরুদ্ধে টিন চুরির টাকা আত্নসাথের মামলা ছিলো।
জনাব নিজামী-মুজাহিদের মত তাহের জেলে ছিলো। চট্রগ্রামের সূর্য মামা শাহাজান চৌধুরীর দুর্নীতির দায়ে ২০০৮ সালে ১০ বছর জেল হয়েছে।
৩) জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ নাই। ❌
ফ্যাক্ট: জামালপুরে ২ কোটি টাকা আত্নসাথে ২ জামাত নেতাকে জুতার মালা গলা দিয়ে এলাকায় ঘুরাইছে জনগন।
- সাতকানিয়া চাঁদাবাজি করতে গিয়ে ২ জামাত ক্যাডারকে গণ-পিটুনিতে মেরে ফেলছে এলাকাবাসী। সমকালে জামায়াতের ত্যাগি নেতারা চাঁদাবাজিতে জড়িত রিপোর্ট আছে।
- ৩ দিন আগে সীতাকুন্ডে প্যাসিফিক জিন্সের জন্য জায়গা দখল করতে গিয়ে গ্রামবাসী দৌড়ানিতে পালিয়ে গেছে জামায়াত নেতারা।
- কুড়িগ্রামে চাঁদাবাজির অভিযোগে একজন, ফেনীতে চাঁদাবাজির অভিযোগে ১ জন বহিস্কার হইছে। রংপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগ ৪ জন গ্রেফতার হইছে।
৪) ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর- যেদিন আওয়ামীলীগ লগি-বৈঠা নিয়ে জামায়াতের সমাবেশে হামলা করে জামায়াত কর্মীদের সাপের মত পিঠিয়ে হত্যা করে লাশের উপর নৃত্য করে।
সেই বায়তুল মোকারমের দক্ষিন গেইটের সমাবেশের উদ্দেশ্য ছিলো দেশবাসীকে ২০০১-২০০৬ সালের জোট সরকারের সফলতা তুলে ধরার জন্য।
কি সেই সফলতা? জানেন আপনি?
এটাকেই জামায়াতের মোনাফেকি বলে....
04/10/2025
:::বিসিবি নির্বাচনকে তামাশায় পরিণত করলেন “ব্যাড বয়” উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া:::
** আগামী ৬ অক্টোবর বিসিবি নির্বাচন। সরকারী হস্তক্ষেপের অভিযোগে তামিম ইকবালসহ ইতিমধ্যেই এই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ১৬ জন প্রার্থী। সার্বিক অভিযোগের তীর-ই ছিলো ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দিকে। তামিমের অভিযোগ, ‘মাঠের ক্রিকেটে ফিক্সিং বন্ধের আগে বিসিবি নির্বাচনের ফিক্সিং বন্ধ করেন’। এর জবাবে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেছেন, ‘ফিক্সিংটা তামিম ভাইরা-ই করতে চেয়েছেন। তবে সেখানে ব্যর্থ হয়েছেন। আমাদের কাছে কিছু কল রেকর্ড ও ডকুমেন্টসও রয়েছে।”
তবে আসিফ মাহমুদ যতই নিজেদের “নিষ্পাপ” দাবি করুক; এই নির্বাচনে উনি যে সরকারি প্রভাব খাটাচ্ছেন; তার বেশ কিছু আলামত ইতিমধ্যেই স্পষ্ট! আজকে তেমনি একটা আলামত আপনাদের সামনে তুলে ধরবো! আপনাদের মনে আছে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের সাবেক এপিএস মোয়াজ্জেমের কথা?
এই মোয়াজ্জেম ইতিমধ্যেই ৩১১ কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদেরও সম্মুখীন হয়েছিল। বিতর্কিত এই মোয়াজ্জেমও এবারের বিসিবির নির্বাচন নামক তামাশায় ভোট দিতে পারবে! শুনতে অবাক লাগলেও এটিই সত্য! স্যাফায়ার নামের একটা স্পোর্টিং ক্লাবের প্রতিনিধি বানিয়ে; নিজের সাবেক এপিএস এই বিতর্কিত মোয়াজ্জেমকেও ভোট প্রদানের সুযোগ করে দিয়েছেন মহা বাটপার এবং “ব্যাড বয়” আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া!
ফুটনোট: একটা রিট পিটিশনের কারণে শেষ পর্যন্ত হয়তো মোয়াজ্জেম ভোট দিতে পারবে না, তবে নির্বাচনের দিন প্রভাব, নিজের প্রভাবে বিসিবিতে নিয়োগ দেয়া তিনজনকে কাজে লাগিয়ে সব কিছুর নিয়ন্ত্রণ রাখবে। টেন্ডার বিল্লালের গুনধর পুত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কোনো কিছুই তোয়াক্কা করেন না। ইতিমধ্যেই আগামী বিপিএল এবং বিসিবির বেশ কিছু প্রজেক্ট থেকে লুটপাটের যাবতীয় প্ল্যানিং করে ফেলেছেন এই মহা দুর্নীতিবাজ। নিজের একজন ভাতিজা (যে ৮০ টাকার একটা স্যান্ডেল পায়ে দিয়ে চলতো) তাকেও লন্ডনে পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি! এসব নিয়ে বিস্তারিত আরেকদিন লিখবো!
—————-
নাজমুস সাকিব,
৪ অক্টোবর, ২০২৫
22/07/2025
চারজন উপদেষ্টা না কি শিক্ষা সচিবের বাসায় গিয়ে রাত তিনটা পর্যযন্ত তাকে রিকোয়েস্ট করেছে- পরীক্ষা স্থগিতে রাজি করাতে’- এমন একটা গাজাখুরি গল্প ফেসবুকে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
সিদ্ধান্তটা তো নেওয়ার কথা সরকারের, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়ে ঘোষনা দিয়ে দেবে। সচিবের বাসায় গিয়ে তদবির করার কিছু নাই। আর সচিবের নিয়োগ দেয় তো সরকার, সেই সচিবকে সরকারের চার উপদেষ্টা রিকোয়েস্ট করবে কেন, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্দেশ দেবে।
নন পারফর্মিং একটা সরকার ব্যর্থতা ঢাকতে খালি অজুহাত খুঁজে, আর অন্যের ওপর দোষ চাপায়।
16/07/2025
মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ড নিয়ে ১০টি পরিকল্পিত অপপ্রচার ও তথ্যভিত্তিক বাস্তবতা:
১। হত্যাকাণ্ডের ভিডিওতে যারা ইট ও পাথর দিয়ে নৃশংসভাবে মারছে দেখা গিয়েছে, তারাই কি বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা-কর্মী?
উত্তর: না — ভিডিও ফুটেজে যেসব হত্যাকারীকে দেখা গিয়েছে এবং বিএনপি যাদের বহিষ্কার করেছে — তারা ভিন্ন ব্যক্তি। হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে প্রকৃত খুনিদের নাম ও পরিচয় প্রকাশ করে সবাইকে দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
২। এই ঘটনায় বিএনপি যাদের বহিষ্কার করেছে, তারা কি ঘটনাস্থলে ছিল?
উত্তর: বিএনপি থেকে বহিষ্কৃতরা ঘটনাস্থলে ছিল না। একটি বিতর্কিত প্রক্রিয়ায় মামলার এজাহারে তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে জনগণের অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা এবং ন্যায়বিচার ও আইনের শাসনের প্রতি আস্থার জায়গা থেকে অভিযুক্তদের তদন্তের আগেই বহিষ্কার করা হয়। একটি নিরপেক্ষ তদন্তই প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করবে।
৩। মর্মান্তিক ঘটনার সময় সিসিটিভি ফুটেজে যাদের দেখা গিয়েছিল, তাদের সবাইকে কি পুলিশ গ্রেফতার করেছে?
উত্তর: ভিডিওতে ইট-পাথর দিয়ে মারতে থাকা সন্ত্রাসীদের পুলিশ এখনো পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি। রহস্যজনকভাবে, ভিডিওতে দেখা খুনীদের সবার নাম মামলার এজাহারেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। নিহতের পরিবারও বারবার হতাশা প্রকাশ করে বলেছে যে, মূল অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গিয়েছে এবং কীভাবে গ্রেফতার এড়িয়ে চলছে। ঠিক কি কারণে এমন পৈশাচিক হত্যা, এর পেছনে কারা রয়েছে, কিভাবে হত্যাকান্ড ভিডিও করা হলো, কারা অনলাইনে ছড়ানো শুরু করলো — বিষয়গুলো উদ্ঘাটন করা জরুরি।
৪। চাঁদাবাজির কারণেই কি এই বর্বরতা?
উত্তর: পুলিশ ও স্থানীয়রা নিশ্চিত করেছে, এটি কোনো চাঁদাবাজির ঘটনা নয়। ব্যবসায়িক ও স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই নৃশংস ঘটনা ঘটেছে।
৫। হত্যাকাণ্ড নিয়ে নিহতের পরিবারের বক্তব্য কী?
উত্তর: নিহতের পরিবার গণমাধ্যমে বলে, “দ্বিতীয়বার যে এজাহার রেডি করা হয়েছে, সেটায় তিনজন মূল আসামির নাম কেটে দিয়ে যারা এর সঙ্গে কোনোভাবে জড়িতই না, তাদের নাম জোর করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেখানে আমার মা না বুঝে সিগনেচার করে ফেলেছেন। যারা এই ঘটনার মূল হোতা, তাদের বাদ দিয়ে নিরপরাধদের আসামি করা হয়েছে।”
৬। হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুলিশের বক্তব্য কী?
উত্তর: লালবাগ বিভাগের পুলিশের ডিসি মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন গণমাধ্যমে বলেন, “আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে আমরা নিশ্চিত হতে পারিনি। আমাদের কাছে মুখ্য বিষয় হচ্ছে, একটি অপরাধ সংগঠিত হয়েছে — এটি কারা করেছে? যারা অপরাধী, তাদের পরিচয় অপরাধের প্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এখন পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করতে পারিনি। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করেছি, কিন্তু তারা কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেনি। আমরা ভবিষ্যতে বাকি আসামিদের গ্রেফতার ও নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করব, এবং যদি রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়, তা অবশ্যই আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব।”
৭। এই ঘটনা কি সাথে সাথেই অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে?
উত্তর: না — পূর্বপরিকল্পিতভাবে ৯ জুলাই হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পর, ১১ তারিখ শুক্রবার জুমার নামাজের পর, বাংলাদেশের প্রাইম টাইমে ইন্টারনেটে ভিডিও ও তথ্য বিকৃতি ছড়ানো শুরু হয়। খুলনা, কুমিল্লা, চাঁদপুরসহ দেশজুড়ে যে নৃশংস হত্যাকান্ড ও অরাজকতা ঘটে চলেছে, সেখানে এই গোষ্ঠীর নির্লিপ্ততা এবং একটি সুনির্দিষ্ট ঘটনা নিয়ে কেন অপতৎপরতা, সেই যৌক্তিক প্রশ্ন উঠেছে।
৮। হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে যেসব ফটোকার্ড, ভিডিও ও ন্যারেটিভ আসতে থাকে, সেগুলো কি প্রকৃত সত্য ঘটনা তুলে ধরে?
উত্তর: পরিকল্পিতভাবে নির্দিষ্ট কিছু সোশ্যাল মিডিয়া আইডি ও পেজ থেকে আগে থেকেই তৈরি করে রাখা মিসলিডিং ফটোকার্ডগুলো অনলাইনে ছড়ানো শুরু হয়। এটি প্রতীয়মান যে, অনলাইনে ডিসইনফরমেশন ক্যাম্পেইন শুরুর আগেই প্রোপাগান্ডা ম্যাটেরিয়াল তৈরি করে রাখা হয়েছিল।
৯। এই বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বকে কেন অশালীন ভাষায় আক্রমণ করা হলো?
উত্তর: শুধুমাত্র অভিযোগের ভিত্তিতে দলীয় পদ থেকে অপসারণের দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপকে স্বাগত না জানিয়ে, ফ্যাসিবাদী কায়দায় বিএনপির জনপ্রিয়তাকে নষ্ট করতে, গুজব ও প্রোপাগান্ডা চালিয়ে বিষোদগার করা হয়েছে। শিষ্টাচার বহিৰ্ভূত এই অপপ্রয়াস গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সম্পূর্ণ বিপরীত। তবে যেকোনো অপপ্রচার, উস্কানি বা ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে, সংঘাতের পথ পরিহার করে, বিএনপি দেশের স্থিতিশীলতা ও জনগণের নিরাপত্তা বজায় রাখতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
১০। সরকার কি যথাযথ তদন্ত, বিচার এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সক্ষমতা দেখাতে পারছে?
উত্তর: রাজধানীর জনবহুল এলাকায় নৃশংসভাবে একজন মানুষকে হত্যা করার ঘটনা শুধুমাত্র আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির শোচনীয় অবস্থাই নয়, বরং সার্বিক বিচারহীন সংস্কৃতির ভয়াবহ প্রতিফলন। একইভাবে উদ্বেগজনক হলো— এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বার্থানেষী মহল পরিকল্পিতভাবে সোশ্যাল মিডিয়া ও কিছু জায়গায় অশালীন আচরণ, হেট্রেড কনটেন্ট এবং ফেক ন্যারেটিভ ছড়ানোর চেষ্টা করেছে। জনগণ আশা করে, অন্তর্বর্তী সরকার সকল অপরাধ ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জবাবদিহিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে, আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠা করবে, এবং স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করবে।Mahadi amin ভাইয়ের টাইম লাইন থেকে নেওয়া।।।
13/07/2025
এই নিষ্পাপ বাচ্চাগুলোর বিরুদ্ধে মাত্র ৪৮ লাখ টাকার চাঁদাবাজির অভিযোগ OMG...🫣🫣🫣
এত অল্প টাকার অভিযোগ মানি না, মানবো না। ঐ তোরা রাজুতে আয়...
13/07/2025
জনাব তারেক রহমান গতকাল প্রশ্ন রেখে বলেছেন,
গতকাল যে ঘটনাটি ঘটেছে, আমরা খুব আশ্চর্যের সাথে লক্ষ্য করেছি, স্ক্রিনে যাকে হ;ত্যা করতে দেখা গেছে তাকে কেনো সরকার এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করেনি?
আমরা কি তাহলে ধরে নেবে যে, যারা বিভিন্নভাবে ম*ব সৃষ্টি করে একটি পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছে, সেখানে সরকার এবং প্রশাসনের প্রশ্রয় আছে...?
13/07/2025
দোষ সব তারেক রহমান ও জিয়া পরিবাররে দিয়া দাও