গুপ্ত সম্রাজ্যের অধিপতিগণ ও ঈদের পর আন্দোলনের মহারথীগণণকে স্বরণ করিয়ে দেই যে, তোমাদের দৌড় বাংলাদেশের জনগণের জানা আছে।
একপক্ষ বাশি ফু ছাড়াই হাওয়ায় মিলিয়ে যাওয়ার দক্ষতা অর্জন করেছে। আর একপক্ষ বাশি ফু দেওয়ার সাথে সাথে হাওয়ায় মিলিয়ে যাওয়ায় পারদর্শী।
অতীত ধরে টান দিলে যাদের মুখ লুকানোর জায়গা থাকেনা তাদের অন্তত একটু সংযত থাকা উচিত। ছাত্র জনতার কান্ধে চড়ে সরকার ও বিরোধীদলের আসনে তোমরা বসেছো এটা ভূলে যাইয়োনা। ছাত্র জনতার নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা নষ্টের চেষ্টা করলে তোমরাও *টা ভাঙ্গা খাবা।
মনে রাখবা বিএনপি, জামাত, পরিষদ, এনসিপির বাইরেও বাংলাদেশের একটা ইউনাইটেড ফোর্স আছে সেটার নাম 'জনগণ'। ধরে ধরে ধরে না, ধরলে কিন্তু ছাড়ে না। মাথায় রাইখেন।
July Monch - জুলাই মঞ্চ
ভিন্ন দল, ভিন্ন পথ: দেশের প্রশ্নে ঐক্যমত।
নতুন বাংলদেশের সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল-২০২৬ পাশ হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি ঐক্যবদ্ধ স্পস্ট বার্তা দিলো যে ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরশাসনকে বাংলাদেশ প্রত্যাখ্যন করেছে। যারা ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাভার কায়েম করতে চাইবে তাদেরকেও প্রত্যাখ্যান করা হবে।
আওয়ামীলীগ প্রশ্নে বাংলাদেশ এখনো ঐক্যবদ্ধ। আওয়ামীলীগ কখনোই ফিরবে না আর। কারণ গণহত্যাকারীরা কখনো ফেরেনা।
অভিনন্দন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ও সরকারকে। আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন সমূহের কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণ অধ্যাদেশ বিল আকারে সংসদে পাশ করার জন্য।
The black chapter of Bangladesh has been closed forever.
বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেছেন,
"জুলাই কারো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, পুলিশ ও রাজপথে ছিল"
জুলাই আন্দোলনে পুলিশ রাজপথে কোথায় ও কি ভূমিকায় ছিলো সেটার স্পস্ট ব্যাখা উনার কাছে আমরা দাবী করছি।
25/02/2026
তেল ও জল মিশে একাকার হবার পর যেমন দেখা যায়।
আবার এটাও বলা যায়, আওয়ামীলীগ ও বিএনপি যখন একসাথে ক্ষমতায়।
শুরুতেই বলে নেই, চুপ্পুকে সমর্থন দিয়ে চেয়ারে রাখাটা বাংলাদেশের জনগণের সাথে গাদ্দারী করার শামিল।
চুপ্পুকে সমর্থন দিয়ে বিএনপি ঠিক করেনি। সংবিধানের দোহাই দিয়ে চুপ্পুর মত লোককে চেয়ারে রাখার মানে হাসিনার পতনের আন্দোলনে শরীক হয়ে আপনারা অনেক বড় অন্যায় করেছেন। তাকে চেয়ারে রেখে সেটার প্রায়শ্চিত্ত করছেন। মনে রাইখেন এমন সংবিধানের দোহাই দিয়েছেন যে সংবিধানের আলোকে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনই অবৈধ।
বাংলাদেশের জনগণ এদেশে জুলাই নামিয়েছে, দেশকে স্বৈরাচার মুক্ত করেছে তাই নতুন বাংলাদেশের সাথে গাদ্দারী সহ্য করার মত ধৈর্য্য এখনো বাংলাদেশেএ জনগণের তৈরী হয়নি।
নির্বাচনী বার্তা-
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের জনগণের দীর্ঘ ১৮ বছরের প্রতীক্ষার নির্বাচন। ভোটাধিকার ও নাগরিক নিরাপত্তা পুনঃপ্রতিষ্ঠার নির্বাচন। এই নির্বাচনে জনগণ যেন স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সেটা নিশ্চিত করা অংশগ্রহণকারী সকল দল ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রযন্ত্রের দায়িত্ব। এই দায়িত্বে যেন কোন অবহেলা না হয়।
নির্বাচন মানেই জয় পরাজয় নির্ধারণের ক্ষেত্র।
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে যে দলই বিজয়ী হবে তাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হবে তাদের প্রতিপক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ভিন্নমতের প্রতি সহানুভীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠিত না করতে পারলে এই নির্বাচন সম্পূর্ণ বৃথা যাবে।
যারা ক্ষমতা অর্জন করবেন তারা বাংলাদেশের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। শুধু মাত্র নিজ দলের নয়। দেশের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব তাদের নিতে হবে। কারণ বাংলাদেশের বিগত ১৮ বছরের লড়াইটাই ছিলো ক্ষমতার কাছে ভিন্নমতের প্রতি দায়িত্বশীলতা সৃষ্টি, নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে তার রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি নির্বাচন করার।
আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনের মাধ্যমে যদি বাংলাদেশে সেটি বাস্তাবয়ন না হয় তাহলে হয়তো বাংলাদেশের মুক্তির লড়াইটা আরো দীর্ঘ হবে। জনতার পূর্ণ স্বাধীনতার বাংলাদেশ না গড়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সন্তানরা লড়ে যাবে ইনশা আল্লাহ।
July Monch - জুলাই মঞ্চ
07/02/2026
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
06/02/2026
ইনকিলাব মঞ্চের উপর হামলার প্রতিবাদে জুলাই মঞ্চের ডাকা বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশ হামলা করেছে। ঢাবি শিক্ষার্থী ও জুলাই মঞ্চের যুগ্ম সদস্য সচিব আহমেদ রাব্বি, যুগ্ম সদস্য সচিব খোকন মিয়া ও মাহবুব আলম আকাশ গুরুতর আহত, মঞ্চের অন্যতম সংগঠক সৌরভ ইসলামকেও বেধরক পিটিয়েছে পুলিশ।
ন্যায্য দাবীর কর্মসূচীতে পুলিশ দিয়ে হামলা চালিয়ে দেশের পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে চাইছে রাষ্ট্রযন্ত্রের একটা অংশ। দেশের আপামর জনতাকে July Monch - জুলাই মঞ্চ ও ইনকিলাব মঞ্চ সহ ছাত্র জনতার উপর হামলার প্রতিবাদে দেশের সচেতন নাগরিকবৃন্দকে মাঠে থাকার আহবান। কুচক্রী মহল কর্তৃক দেশের স্থিতিশীল পরিস্থিতিকে হামলা চালিয়ে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবস।
ইনকিলাব মঞ্চের উপর উপদেষ্টালীগের বর্বর হামলার উপযুক্ত জবাব বাংলাদেশের ছাত্র জনতা দেবে।
জুলাই মঞ্চের সকল সদস্যবৃন্দ ও জুলাইয়ের পক্ষের শক্তিগুলোকে ইনকিলাব মঞ্চ ও আহত যোদ্ধাদের পাশে দাড়ানোর আহবান।
Solidarity With ইনকিলাব মঞ্চ
জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে শহীদ ওসমান হাদী হত্যাকান্ডের তদন্তের দাবী মেনে নাও ইন্টেরিম।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতা কর্মীদের উপর কোন প্রকার আঘাত আসলে বাংলাদেশের ছাত্র জনতা সেটার কঠোর জবাব দেবে।
আশুলিয়ায় ৬ শহীদের লাশ পোড়ানো মামলার রায়ের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ৬ শহীদের অন্যতম শহীদ সাজ্জাদ হোসেন সজলের মা ও জুলাই মঞ্চের শহীদ পরিবার প্রতিনিধি মিসেস শাহীনা বেগম। অসুস্থ্য থাকায় তিনি আজ সশরীরে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হতে পারেন নি। তবে ভিডিও বার্তায় তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, আজ ০৫.০২.২০২৬ ইং দুপুর ১.৩০ মিনিটে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ কর্তৃক আশুলিয়ায় ৬ জন শহীদের লাশ পোড়ানোর মামলার রায় ঘোষণা করে। উক্ত রায়ে এই মামলার ১৬ জন আসামীর মধ্য হতে ৬ জনের মৃত্যুদন্ড, ৭ জনের যাবজ্জীবন, ২ জনের ৭ বছর কারাদন্ড প্রদান করে। বাকি ১ জন রাজসাক্ষী হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।
শহীদ পরিবার গুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, আশুলিয়ায় এই নারকীয় বর্বরতার সাথে শুধু মাত্র এই ১৬ জনই জড়িত নয়। এই ঘটনায় আরো অসংখ্য ব্যক্তি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জড়িত রয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে আশুলিয়া হত্যাযজ্ঞের আংশিক বিচার হয়েছে। আরো যারা এই ঘটনায় জড়িত তাদেরকে চিহ্নিত করে উপযুক্ত তদন্তের ভিত্তিতে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনার দাবী জানান তারা। এছাড়া যাদেরকে এই রায়ে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়েছে তাদের রায় যেন দ্রুত সময়ে কার্যকর করা হয় সে দাবী জানান শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
