07/06/2026
রামিসা হ'ত্যা মামলায় আসামী সোহেল রানাকে মৃ'ত্যুদন্ড ও পাঁচ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড এবং আসামী সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃ'ত্যুদন্ড ও দুই লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডের সাজা প্রদান করেছে বিজ্ঞ আদালত৷
Justice • Awareness • Service
Providing free and affordable legal support to underprivileged communities across Bangladesh.
07/06/2026
রামিসা হ'ত্যা মামলায় আসামী সোহেল রানাকে মৃ'ত্যুদন্ড ও পাঁচ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড এবং আসামী সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃ'ত্যুদন্ড ও দুই লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডের সাজা প্রদান করেছে বিজ্ঞ আদালত৷
12/04/2026
⚖️ দেনমোহর কি?
দেনমোহর হলো মুসলিম বিবাহে স্বামী কর্তৃক স্ত্রীর জন্য নির্ধারিত একটি বাধ্যতামূলক অর্থ বা সম্পদ, যা স্ত্রীর আইনগত অধিকার।
এটি কোনো উপহার নয়—বরং এটি একটি আইনগত দায়বদ্ধতা। স্ত্রী চাইলে যেকোনো সময় দেনমোহর দাবি করতে পারেন এবং প্রয়োজন হলে আদালতের মাধ্যমে আদায় করতে পারেন।
✔️ দেনমোহর স্ত্রীর নিজস্ব সম্পত্তি
✔️ পরিশোধ না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যায়
⚖️ আইনি অবস্থান
* দেনমোহর হলো একটি চুক্তির অংশ (contractual obligation)
* বাংলাদেশে এটি আইন দ্বারা স্বীকৃত ও বলবৎযোগ্য
* স্ত্রী চাইলে এটি আদালতের মাধ্যমে আদায় করতে পারেন
💰 দেনমোহরের ধরন
১. মৌজাল (Prompt Mehr)
➡️ তাৎক্ষণিকভাবে পরিশোধযোগ্য
২. মুয়াজ্জাল (Deferred Mehr)
➡️ পরে (তালাক/মৃত্যু/দাবির সময়) পরিশোধযোগ্য
🏛️ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
* দেনমোহর নির্ধারণ না হলেও স্ত্রী উপযুক্ত দেনমোহর (Proper Mehr)পাওয়ার অধিকার রাখেন
* স্বামী তা পরিশোধ না করলে স্ত্রী আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন
* এটি স্ত্রীর সম্পূর্ণ নিজস্ব সম্পত্তি
👉 দেনমোহর = স্ত্রীর জন্য স্বামীর নির্ধারিত বাধ্যতামূলক অর্থ/সম্পদ
👉 এটি **আইনগত অধিকার**, কোনো দয়া বা উপহার নয়
✍️ কিভাবে বৃদ্ধি করা হয়?
✔️ স্বামী-স্ত্রীর স্পষ্ট সম্মতি থাকতে হবে
✔️ লিখিতভাবে করা সবচেয়ে নিরাপদ (agreement / declaration)
✔️ নিকাহনামায় সংশোধন বা আলাদা দলিল করা যেতে পারে
✔️ কাজী/নোটারির মাধ্যমে রেকর্ড করলে প্রমাণ সহজ হয়
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
জোর করে বা প্রতারণা করে দেনমোহর বৃদ্ধি বৈধ নয়
একতরফাভাবে নির্ধারণ করলে তা গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে
প্রমাণ ছাড়া শুধু মৌখিক দাবি দুর্বল হয়ে যায়
🏛️ পরিশোধ না করলে কী করবেন?
যদি বৃদ্ধি করা দেনমোহর স্বামী পরিশোধ না করেন—
👉 স্ত্রী পারিবারিক আদালতে মামলা করতে পারেন
👉 আদালত ডিক্রি দিয়ে দেনমোহর আদায়ের নির্দেশ দিতে পারে
👉 প্রয়োজনে স্বামীর সম্পত্তি ক্রোক করা যেতে পারে
=সন্দেহে ফৌজদারি আইনে ফলাফল=
পুলিশের সন্দেহে সন্দেহভাজন জেলের ভিতরে,
আর বিজ্ঞ বিচারকের সন্দেহে সন্দেহভাজন ব্যক্তি জেলের বাইরে।
26/03/2026
#ভারতে_প্রথম_পরোক্ষ_মৃত্যু_কার্যকর..!
ভারতের সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের পর, দীর্ঘ ১৩ বছর কোমায় থাকা ৩২ বছর বয়সী হরিশ রানা ভারতে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে আইনত 'পরোক্ষ মৃত্যু' বা প্যাসিভ ইউথানেশিয়া (Passive Euthanasia) গ্রহণ করেছেন। ২৪ মার্চ ২০২৬ দিল্লির এইমস (AIIMS) হাসপাতালে লাইফ সাপোর্ট প্রত্যাহারের পর তাঁর মৃত্যু হয় ।
প্রধান বিষয়সমূহ:
#ঘটনা: ১৩ বছর ধরে ভেজিটেটিভ স্টেটে (কোমা) থাকা গাজিয়াবাদের যুবক হরিশ রানার লাইফ সাপোর্ট, পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ধীরে ধীরে প্রত্যাহার করা হয়।
#আদালতের রায়: বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায়ে বলে, চিকিৎসায় উন্নতির আশা না থাকলে রোগীকে অনির্দিষ্টকাল লাইফ সাপোর্টে রাখা চিকিৎসকের বাধ্যবাধকতা নয়, যা 'মর্যাদার সঙ্গে মৃত্যুর অধিকার'।
#ঐতিহাসিক গুরুত্ব: ২০১৮ সালে সুপ্রিম কোর্ট প্যাসিভ ইউথানেশিয়াকে আইনি স্বীকৃতি দিলেও, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির ক্ষেত্রে এটি কার্যকর করার এমন ঘটনা ভারতে এই প্রথম।
#আইনি ভিত্তি: ভারতীয় সংবিধানের আর্টিকেল ২১ অনুযায়ী, 'মর্যাদার সঙ্গে মৃত্যুর অধিকার' (Right to die with dignity) এর আওতায় এই রায় দেওয়া হয়েছে।
২০১৩ সালে একটি ভবন থেকে পড়ে গিয়ে মারাত্মক জখম হওয়ার পর থেকে হরিশ রানা লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।
25/03/2026
হঠাৎ উকিল নোটিশ পেলে
হঠাৎ কোনো উকিল নোটিশ পেলে অনেকেই ভীত বা অস্থির হয়ে পড়েন। নোটিশ হাতে পেয়েই কেউ দিশেহারা হয়ে পড়েন, কেউ দ্রুত পরিচিতদের কাছে ছুটে যান, আবার কেউ সরাসরি আইনজীবীর চেম্বারে হাজির হন। পরিবারেও উদ্বেগের পরিবেশ তৈরি হয়। কিন্তু বাস্তবে উকিল নোটিশ পাওয়া মানেই যে বড় কোনো বিপদ বা মামলা শুরু হয়ে গেছে এমনটা নয়। বরং অনেক ক্ষেত্রে এটি একটি সতর্কবার্তা, যা বিরোধের বিষয়টি আদালতে যাওয়ার আগেই সমাধান করার সুযোগ তৈরি করে।
প্রথমেই মনে রাখতে হবে, উকিল নোটিশ কোনো মামলা নয়। সাধারণত কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে একজন আইনজীবীর মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছে যে আনুষ্ঠানিক লিখিত নোটিশ পাঠানো হয়, সেটিকেই উকিল নোটিশ বা লিগ্যাল নোটিশ বলা হয়। এটি মূলত সম্ভাব্য মামলা করার আগে একটি পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হয়। এই নোটিশের মাধ্যমে অভিযোগকারী পক্ষ তাদের দাবি বা অভিযোগের বিষয়টি প্রতিপক্ষকে জানিয়ে দেয় এবং একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সমস্যার সমাধান করার আহ্বান জানায়। একই সঙ্গে উল্লেখ করা হয় যে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সমাধান না হলে আইনের আশ্রয় নেওয়া হতে পারে।
উকিল নোটিশ বিভিন্ন বিষয়ে দেওয়া হতে পারে যেমন পারিবারিক বিরোধ, জমিজমা সংক্রান্ত সমস্যা, আর্থিক লেনদেন, চুক্তিভঙ্গ কিংবা অন্য কোনো আইনি বিরোধ। কিছু ক্ষেত্রে আইনগতভাবে মামলা করার আগে নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলকও হয়ে থাকে। উদাহরণ হিসেবে চেক ডিজঅনারের ক্ষেত্রে মামলা করার আগে প্রতিপক্ষকে আইনজীবীর মাধ্যমে নোটিশ পাঠানো প্রয়োজন।
তাই কোনো আইনি নোটিশ পেলেই প্রথম কাজ হলো শান্ত থাকা এবং বিষয়টি ঠান্ডা মাথায় বিবেচনা করা। নোটিশে কী লেখা আছে, অভিযোগের ভিত্তি কতটা যুক্তিসংগত এসব বিষয় ভালোভাবে যাচাই করা জরুরি। নোটিশে উল্লেখিত দাবির সত্যতা পরীক্ষা করতে হবে। যদি অভিযোগ সত্য না হয় বা হয়রানির উদ্দেশ্যে নোটিশ পাঠানো হয়ে থাকে, তাহলে যুক্তিসংগতভাবে তার জবাব দেওয়া উচিত। এই জবাব সাধারণত একজন আইনজীবীর মাধ্যমেই দেওয়া ভালো, যাতে আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি সঠিকভাবে উপস্থাপন করা যায়।
আরেকটি বিষয় মনে রাখা জরুরি যে, নোটিশ পাঠানোর জন্য আইনজীবীকে দোষারোপ করা ঠিক নয়। একজন আইনজীবী মূলত তাঁর মক্কেলের নির্দেশনা অনুযায়ী নোটিশ পাঠান। তাই কোনো হয়রানিমূলক নোটিশ পেলে যথাযথ আইনি জবাবের মাধ্যমে প্রকৃত অবস্থান স্পষ্ট করাই উত্তম।
25/03/2026
ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ শারীরিক আঘাত করলে, আগে থানায় না গিয়ে, আগে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে যান।
মেডিকেল সার্টিফিকেট সহ পরে থানায় যান।
18/01/2026
Natural Justice মানে প্রাকৃতিক ন্যায়বিচার।
আইনের সেই মৌলিক নীতিগুলো, যেগুলো ছাড়া কোনো বিচার বা সিদ্ধান্তকে ন্যায্য বলা যায় না।
লিখিত আইন থাকুক বা না থাকুক, এই নীতিগুলো মানতেই হবে।
Natural Justice মূলত ২টি নীতির উপর দাঁড়িয়ে থাকে।
১) Audi Alteram Partem
অর্থাৎ, দুই পক্ষের কথাই শুনতে হবে। লজিকটা কী?
এক পক্ষের কথা শুনে সিদ্ধান্ত নিলে সেটা কখনোই ন্যায্য হতে পারে না। কারণ, প্রতিটি ঘটনার দুই দিক থাকে।
ধরুন, কোনো শিক্ষার্থীকে বলা হলোঃ তুমি পরীক্ষায় নকল করেছ, তাই তোমাকে বহিষ্কার করা হলো।
কিন্তু তাকে নিজের কথা বলার সুযোগই দেওয়া হলো না। এটা কি ন্যায্য? না।
কারণ, সে হয়তো প্রমাণ করতে পারত যে অভিযোগটি ভুল। তাই শুনানি ছাড়া শাস্তি = Natural Justice লঙ্ঘন।
২) Nemo Judex in Causa Sua
অর্থাৎ, নিজের মামলার বিচারক নিজে হওয়া যাবে না। লজিকটা কী? যে ব্যক্তি নিজেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, সে কখনো নিরপেক্ষ হতে পারে না। এখানে পক্ষপাতের ঝুঁকি থাকে। ধরুন, একটি অফিসে ম্যানেজারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। আর সেই অভিযোগের তদন্ত কমিটির প্রধান যদি সেই ম্যানেজার নিজেই হয়, তাহলে কি ন্যায্য বিচার সম্ভব? অবশ্যই না। কারণ, কেউ নিজের বিপক্ষে সিদ্ধান্ত দিতে চায় না।
কেন Natural Justice এত গুরুত্বপূর্ণ? কারণ, আইন শুধু শাস্তি দেওয়ার নাম নয়। আইন মানে ন্যায্যতা, যুক্তি আর মানবিকতা। এই দুই নীতি না মানলে, সিদ্ধান্ত বাতিল হতে পারে, আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যায়, পুরো প্রক্রিয়াটাই অবৈধ হয়ে যেতে পারে।
আইন মুখস্থ করলেই আইন বোঝা যায় না।
কনসেপ্ট বুঝতে হলে Natural Justice-এর মতো বেসিক বিষয়ও পরিষ্কার হওয়া জরুরি।
14/01/2026
আইনী সচেতনতা: জিডি (GD) কেন ও কখন করবেন? অনেকেই মনে করেন জিডি করা ঝামেলার—কিন্তু সত্যি হলো, জিডি আপনার আইনগত নিরাপত্তার প্রথম ধাপ।
কোনো অস্বাভাবিক, সন্দেহজনক বা ঝুঁকিপূর্ণ ঘটনা ঘটলে পুলিশকে জানিয়ে একটি লিখিত রেকর্ড তৈরি করাই হলো জিডি।
✅ কখন জিডি করবেন?
মোবাইল, ওয়ালেট, ডকুমেন্ট হারালে
হুমকি, ভয়ভীতি বা সন্দেহজনক ফোন পেলে
কারও নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা
পারিবারিক বা সামাজিক ঝুঁকি দেখা দিলে
বাড়িতে বা আশেপাশে অপরিচিত সন্দেহজনক লোক ঘোরাঘুরি করলে।
✅ জিডি করার সুবিধা
আপনার অভিযোগের একটি সরকারি রেকর্ড তৈরি হয়। ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা হলে এটি আপনার সুরক্ষা হিসেবে কাজ করে। পুলিশ দ্রুত সাহায্য করতে পারে। আইনগত প্রক্রিয়ায় প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়
28/12/2025
অভিনন্দন বাংলাদেশের নবনিযুক্ত মাননীয় প্রধান বিচারপতি, বিচারপতি জনাব জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে।
আজ ২৮/১২/২০২৫ তারিখ সকাল ১০:৩০ মিনিটে বঙ্গভবনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন। ন্যায়বিচার, সংবিধান ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে তাঁর নেতৃত্ব জাতির জন্য আশাব্যঞ্জক হবে এই প্রত্যাশা।
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Saturday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |