27/05/2026
ইসলামি ডেমোক্রেটিক কমিউনিস্ট পার্টির পক্ষ থেকে দেশের আপামর জনসাধারণকে পবিত্র ঈদুল আজহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও লাল সালাম।
ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর এই দিনে আমরা কামনা করি সমাজ থেকে সকল বৈষম্য ও শোষণের অবসান ঘটুক। ঈদ বয়ে আনুক সাম্য, মৈত্রী এবং ভ্রাতৃত্বের নতুন বার্তা।
01/05/2026
বাংলাদেশের সকল ডিপ্লোমা টেকনিশিয়ানদের মহান মে দিবসের শুভেচ্ছা। দেশের উন্নয়ন ও শিল্পায়নের নেপথ্য কারিগর আপনারা। আপনাদের শ্রম আর ঘামেই গড়ে ওঠে সমৃদ্ধির ইমারত; তাই কর্মক্ষেত্রে টেকনিশিয়ানদের শ্রমের সঠিক মূল্যায়ন ও সম্মান নিশ্চিত হোক এবং সেই সাথে প্রকৌশলীদের সাম্রাজ্যবাদ নিপাত যাক।
~
ইসলামি ডেমোক্রেটিক কমিউনিস্ট পার্টি
01/05/2026
সিলেটি নাগরী লিপিতে মোট ৩৩টি বর্ণ রয়েছে, যার মধ্যে ৫টি স্বরবর্ণ এবং ২৮টি ব্যঞ্জনবর্ণ। সিলেটী ভাষা কেবল একটি আঞ্চলিক উপভাষা নয়, বরং এটি একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক। বিশ্বজুড়ে প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষেরও বেশি মানুষ এই ভাষায় কথা বলেন, যা একে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের অনেক রাষ্ট্রভাষার চেয়েও শক্তিশালী অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে। অভিবাসী সিলেটিদের মাধ্যমে এই ভাষা লন্ডন (বিশেষ করে পূর্ব লন্ডন), আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। লন্ডনের অনেক স্থানে এই ভাষা দাপ্তরিক স্বীকৃতিও লাভ করেছে।
সিলেটি ভাষা ও লিপি কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়; এটি বাংলার শত বছরের ঐতিহ্যের প্রতীক। এটি রাজা গৌড় গোবিন্দ কর্তৃক নির্যাতিত মুসলিমদের প্রতিরোধের ভাষা। সিলেটি নাগরী মূলত হযরত শাহজালাল (র.) এবং ৩৬০ আউলিয়ার পুণ্যভূমি সিলেটে ধর্ম প্রচারের মাধ্যম হিসেবে বিকশিত হয়েছিল। এই ভাষা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের এবং ১৯৪৭ সালের গণভোটে করিমগঞ্জকে হারানোর বেদনাবিধুর স্মৃতির প্রতীক। এমনকি আজ অবধি চা বাগানে স্বল্প মজুরিতে কাজ করা শ্রমিকদের জীবন সংগ্রামের সাথেও এই ভাষা মিশে আছে।
সিলেটি নাগরীতে আরবি ও ফার্সি শব্দের আধিক্য লক্ষ্য করা যায়। এটি মূলত সাধু ও সুফিদের ভাষা হিসেবে পরিচিত। চতুর্দশ শতাব্দীর দিকে সুফি-সাধকদের মাধ্যমেই এই লিপির প্রচার ও প্রসার শুরু হয়। সিলটি ভাষা বা সিলেটি উপভাষার সাহিত্যের ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ এবং বৈচিত্র্যময়। এই ভাষার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর নিজস্ব লিপি, যা 'সিলটি নাগরী' (Sylheti Nagri) নামে পরিচিত। এই লিপিটি মূলত আধ্যাত্মিক এবং মরমি সাহিত্য চর্চার জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো। হাসন রাজা, রাধারমণ দত্ত, শাহ আব্দুল করিম এবং শীতালং শাহের গান ও দর্শন এই ভাষার মাধ্যমেই বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছে।
এই ভাষায় কথা বলতেন বৃহত্তর সিলেটের সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার এবং নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জের একাংশের মানুষ। এছাড়াও ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরামের অনেক অঞ্চলেও এই ভাষার ব্যাপক প্রচলন রয়েছে।
আমাদের মাতৃভাষা বাংলা হলেও সকল দাপ্তরিক কাজে ইংরেজি ব্যবহার করা হয়, যা সত্যিই খুব লজ্জাজনক। অন্য একটি স্বতন্ত্র ভাষা আজ কালকুঠুরিতে হারিয়ে যাচ্ছে, যে ভাষার ইতিহাস খুবই প্রাচীন এবং যে ভাষায় রয়েছে আধ্যাত্মিকতার ছোঁয়া।
সিলেটি ভাষাকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে অন্তত ১০০ বছরের জন্য একে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।
আগামীতে যখন, IDCPর নেতৃত্বে ভারতের সেভেন সিস্টার, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, মালদ্বীপ নিয়ে 'আখন্ড সিলেট' গঠিত হবে, তখন "আখন্ড সিলেট" এর রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে নাগরী লিপিতে লেখা 'সিলেটি ভাষা'কে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
28/04/2026
সমগ্র দক্ষিণ এশিয়া কেবল IDCP-র অধিকারভুক্ত হইবে এবং এই দেশটির নাম হইবে 'The Great IDCP'। উক্ত রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক রাজধানী হইবে সিলেট এবং দ্বিতীয় বাণিজ্যিক রাজধানী রূপে কাবুল পরিগণিত হইবে। দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান সকল রাষ্ট্র এক একটি কেন্দ্রশাসিত প্রদেশে রূপান্তরিত হইবে এবং সেখানে তাহাদের নিজস্ব প্রাদেশিক রাজধানী বিদ্যমান থাকিবে। সাধারণ মানুষ নিজ নিজ মাতৃভাষায় বাক্যালাপ করিতে পারিবে; তবে আরব বিশ্বের সহিত সুসম্পর্ক বজায় রাখিবার নিমিত্তে আরবি ভাষাকে বিশেষ প্রাধান্য প্রদান করা হইবে। 'The Great IDCP'-র মুদ্রার নাম হইবে 'IDCP Mohur'(মোহর)।
'The Great IDCP'-তে নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্র প্রচলিত থাকিবে। এখানে রাষ্ট্রের যাবতীয় ক্ষমতা (আইন, বিচার ও শাসন বিভাগ) একমাত্র রাজার হস্তেই ন্যস্ত থাকিবে। রাজার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য তাঁহাকে কাহারও নিকট জবাবদিহি করিতে হইবে না।
16/04/2026
আজ সিলেটের আমান উল্লাহ কমিউনিটি সেন্টারে একসাথে বিনা খরচে ৬৩টি বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। উদ্যোগটি খুবই প্রশংসনীয়; আইডিসিপি (IDCP)-র পক্ষ থেকে এমন উদ্যোক্তাদের জন্য শুভকামনা। সেই সঙ্গে নবদম্পতিদের জন্য রইল দোয়া ও ভালোবাসা।
IDCP ক্ষমতায় এলে গ্রামে, মহল্লায় এবং পাড়ায় গণবিবাহের আয়োজন করা হবে।
10/04/2026
ইসলামি ডেমোক্রেটিক কমিউনিস্ট পার্টি—আইডিসিপি
আমাদের লক্ষ্য ও দর্শন:
IDCP নামটি একটু ব্যতিক্রমধর্মী মনে হলেও আমাদের পরিকল্পনা অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। আমরা বিশ্বাস করি, ইসলামের ন্যায়বিচার এবং সাম্যবাদের শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের আকাঙ্ক্ষা—এই দুয়ের সমন্বয়েই সাধারণ মানুষের মুক্তি সম্ভব।
মূল উদ্দেশ্যসমূহ:
• সামাজিক ন্যায়বিচার: সকল প্রকার অন্যায়, অবিচার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রাম গড়ে তোলা।
• মজলুমের কণ্ঠস্বর: সমাজের অবহেলিত, বঞ্চিত ও মেহনতি মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ে তাদের ঢাল হিসেবে কাজ করা।
• সার্বভৌমত্ব রক্ষা: দেশি-বিদেশি সকল প্রকার আধিপত্যবাদ ও সাম্রাজ্যবাদী হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা।
• সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য: ধর্মীয় মূল্যবোধ ও দেশীয় সংস্কৃতির পরিপন্থী বিষাক্ত সংস্কৃতি (যেমন: সমকামিতা বা ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ) রুখে দেওয়া।
• আদর্শিক লড়াই: শাহবাগী চেতনা, সেকুলার বামপন্থা এবং উগ্রবাদের নামে চলা বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী বুদ্ধিবৃত্তিক ও রাজনৈতিক অবস্থান নেওয়া।
বর্তমান কার্যক্রম:
১. সংগঠনের আদর্শ প্রচারের লক্ষ্যে অনলাইন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা।
২. তৃণমূল পর্যায়ে গণসংযোগের মাধ্যমে আইডিসিপি-কে দেশবাসীর কাছে পরিচিত ও জনপ্রিয় করে তোলা।
৩. জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে রাজপথে ও ডিজিটাল স্পেসে সক্রিয় অংশগ্রহণ।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:
১. সাধারণ মানুষের প্রকৃত প্রতিনিধি হিসেবে জাতীয় রাজনীতিতে একটি শক্তিশালী বিকল্প শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা।
2. নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পরিবর্তন আনা এবং একটি ইনসাফ কায়েম করা।