03/06/2026
মাকে নিয়ে কিছু
প্রশ্ন :
১. মাকে বিক্রি করা কি সম্ভব
২. মায়ের মল মূত্র কি খাওয়া ঠিক
২. কোন সভ্য জাতি মায়ের দুধ বিক্রি করতে পারে
৪. শেষ বয়সে মৃত্যুর পর মায়ের বিদায় কি ভাবে হবে
৫. মায়ের ঘরে যারা জন্মগ্রহণ করবে তারা ও কি মা
৬. মায়ের সম্মান থাকলে বাবার সম্মান কেন থাকবে না
৭. কোন সভ্য মানুষ মাকে কি পাচার করে দিতে পারে
৮. অযত্ন অবহেলা নিয়মিত খাবার না দেওয়া থাকার
পরিবেশ না করা কোন সভ্য মা-বাবার সন্তান এটা করতে পারে না 🐂
৯. মায়ের চামড়ার ব্যবসা করা কি ঠিক
১০. একটা পশু গরুকে যে ভাবে মা বলে সম্মান করেন
আপনার গর্ভধারিণী মাকে অবহেলা তার চেয়ে আরো বেশি করেন
১১. গো মাতার লেজ থাকলেও সন্তানের কেন লেজ নাই
১২. মাকে কি কেহ গলায় দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখে
১৩. গরু যদি মা হয় তাহলে গরু ল্যাংটা থাকে কেন
১৪. পুরুষ গরু মা হয় কেমনে
01/06/2026
১৯৭২-৭৫ সালে মানুষের মুখে মুখে স্লোগান ছিল -
রাতে লুটপাট দিনে প্রতিবাদ -তার নাম মুজিব বাদ।
মুজিব বাদের মূল নীতি-লুটপাট আর দুর্নীতি।
মুজিব বাদের দুটি গুণ -লুটপাট আর মানুষ খুন।
খেয়েছে হোচট হয়েছে খোড়া-বন্ধু পিতার লাল ঘোড়া।
ছেলে হারা মায়ের ডাক-মুজিব বাদ নিপাত যাক।
কিন্তু আজকাল বাংলাদেশের মানুষ এগুলো কথা বেমালুম ভুলে গিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ খুবই দ্রুত অতীত ভুলে যায়!
31/05/2026
" দ্য গ্রেট স্টেটসম্যান "
প্রেসিডেন্ট জিয়া শহীদ হওয়ার পর ইরাকের লোকজন বলেছেন, ইরানের সঙ্গে আমাদের যুদ্ধটা মনে হয় থেমে যেত, কিন্তু জিয়ার মৃত্যুতে এখন এটা অনিশ্চিত।
কেননা ইরান-ইরাক যুদ্ধে তিনি মধ্যস্থতা করেন। প্রেসিডেন্ট জিয়ার ওপর দুই দেশের জনগণ এবং সরকারেরই গভীর আস্থা ছিল। মুসলিম এই দুই দেশের যুদ্ধ বন্ধে তিনিও সাধ্যমত চেষ্টা করেছেন।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে জিয়া যখন ১৯৭৭ সালের ডিসেম্বরে প্রথমবার দিল্লিতে পা রাখেন, তখন প্রোটোকল ভেঙ্গে রাষ্ট্রপতি নীলম সঞ্জীব ও প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাই দুজনই তাঁকে স্বাগত জানাতে দিল্লির বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন।
যুগোস্লাভিয়া তখনও ভাগ হয়নি। যুগোস্লাভিয়ার রাষ্ট্রপতি মার্শাল টিটোর তখন দুর্দান্ত প্রতাপ। মার্শাল টিটো ঘন ঘন ধূমপান করতেন। কিন্তু প্রেসিডেন্ট জিয়া তখন ধুমপান ছেড়ে দিয়েছেন।
মার্শাল টিটো বৈঠকের সময় প্রেসিডেন্ট জিয়াকে সিগারেট এগিয়ে দিলে তিনি তা আগ্রহের সঙ্গে হাতে নিয়েছেন এবং মার্শাল টিটোর সম্মান রক্ষার্থে দু'টান দিয়েছেন। মার্শাল টিটোর সঙ্গে তিনি এমনভাবে কথা বলছেন -- মনেই হয়নি প্রেসিডেন্ট জিয়া তৃতীয় বিশ্বের একজন নেতা।
কিউবার রাষ্ট্রপতি ফিদেল ক্যাস্ট্রোর মতো একজন স্টেটসম্যানের সঙ্গেও প্রেসিডেন্ট জিয়া ইক্যুয়াল লেভেলে বৈঠক করেছেন।
নর্থ কোরিয়ার ৩০তম স্বাধীনতাবার্ষিকীতে জিয়াকে প্রধান অতিথি হিসেবে দাওয়াত করা হয়েছে। ওই অনুষ্ঠানে অনেক দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান উপস্থিত ছিলেন।
প্রেসিডেন্ট জিয়া শহীদ হওয়ার খবর শুনে জার্মান চ্যান্সেলর হেলমুট স্মিড গভীর শোক প্রকাশ করে বাংলাদেশের ততকালীন রাষ্ট্রদূতকে ডেকে বলেছিলেন, "তোমরা একজন মহান নেতাকে হারালে। এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, গোটা বিশ্বের জন্যই একটি বড় ক্ষতি।"
নিঃসন্দেহে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন সত্যিকারের গ্রেট স্টেটসম্যান।
31/05/2026
শুক্রবার ভোরে প্রেসিডেন্ট জিয়া নাস্তা খাচ্ছিলেন। আয়োজন সামান্য। চারটা লাল আটার রুটি। দুই পিস বেগুন ভাজি। একটা ডিম সিদ্ধ। জিয়ার সঙ্গে নাশতার টেবিলে বসেছেন তার বন্ধু ও সহযোদ্ধা জেনারেল মঞ্জুর।
জেনারেল মঞ্জুর বিস্মিত হয়ে বললেন, এই আপনার নাশতা ?
প্রেসিডেন্ট বললেন, হতদরিদ্র একটি দেশের পরিপ্রেক্ষিতে এই নাশতা কি যথেষ্ট না?
..জিয়াউর রহমানের পাঁচ বছরের শাসনে প্রতি মাঘের শেষে বর্ষন হয়েছিল কিনা তা কেউ হিসাব রাখেনি, তবে এই পাঁচ বছরে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়নি। অতি বর্ষনের বন্যা না, খরা না, জলোচ্ছাস না। দেশে কাপড়ের অভাব কিছুটা দূর হলো। দ্রব্যমূল্য লাগামছাড়া হলো না। বাংলাদেশের নদীতে প্রচুর ইলিশ মাছ ধরা পড়তে লাগলো। বাংলাদেশের মানুষ মনে করতে লাগলো অনেক দিন পর তারা এমন এক রাষ্ট্রপ্রধান পেয়েছে যিনি সৎ। নিজের জন্য বা নিজের আত্মীয়স্বজনের জন্য টাকা পয়সা লুটপাটের চিন্তা তার মাথায় নেই। বরং তার মাথায় আছে দেশের জন্য চিন্তা। তিনি খাল কেটে দেশ বদলাতে চান। জিয়া মানুষটা সৎ ছিলেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই। লোক দেখানো সৎ না, আসলেই সৎ। তার মৃত্যুর পর দেখা গেল জিয়া পরিবারের কোনো সঞ্চয় নেই।
- হুমায়ূন আহমেদ, দেয়াল, পৃঃ ১৮৯, ১৯৩
30/05/2026
জিয়াউর রহমান খু ন হন! কিন্তু কারা এই হ*ত্যার পেছনে জড়িত বিএনপি আজও তা জানে না। এমনকি জিয়া হ* সঠিক বিচারও করতে পারে নি কখনো।
তবে বিভিন্ন পত্র পত্রিকা ও লেখকদের বিভিন্ন বই বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় জিয়া হত্যার সাথে ভারতের 'র' জড়িত ছিল। সেই সময় অনেক কারনের মধ্যে একটা কারণ ছিল, দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ। এই দ্বীপ নিয়ে ভারতের সাথে জিয়াউর রহমানের বিরোধ বাঁধে ততকালীন সময়। ভারত সেই দ্বীপে নিজেদের পতাকা টানিয়ে দেয়। জিয়া নৌবাহিনী পাঠিয়ে দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং ভারতীয় পতাকা খুলে ফেলেন। এ নিয়ে ভারতের সাথে চরম উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হবার মাত্র এক সপ্তাহ পরেই জিয়া খুন হন। এ জন্য অনেই বলেন, এই হত্যার এর পেছনে ছিলো ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা 'র'।
আবার অনেকে বলেন, সেই সময় শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক সুবিধা দিতেই ভারত জিয়াকে হ*ত্যা করে। তবে কারণ যাই হোক বিএনপি জিয়া হত্যার বিচার করতে পারে নি। এবং ক্ষমতায় এসে কখনো বিচারের উদ্যোগও তেমন নেয় নি। এটাও একটা আশ্চর্যজনক ব্যপার।
ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে জিয়াউর রহমান ছিলেন এ দেশের জাতীয় বীর। সবাই তাকে শ্রদ্ধা করতো, সম্মান দিতো, ভালোবাসতো শুধুমাত্র উনার দেশের প্রতি কমিটমেন্টের কারনে। উনি সেনাবাহিনীর মানুষ। দেশপ্রেম উনার কাছে সবার আগে প্রাধান্যের বিষয় ছিল। ভারত কিংবা যেকোনো দেশের সামনে উনি কথা বলতেন চোখে চোখ রেখে। ভারত সরকার জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশে তাদের আধিপত্য বজায় রাখার ব্যাপারে হুমকি মনে করতো।
22/05/2026
রামিসাকে ভুলিয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে অনেকটাই সফল নাসিরুদ্দিন ফাটা আইররা।
20/05/2026
মাঝে মাঝে নিয়মের গার মারতে হয়, নাহলে নিয়ম আপনার গার মেরে দেবে।
শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, আবার প্রলয়।
19/05/2026
নাসিরুদ্দিন ফাটা আইররার মত একটা জোকারকে বিএনপি গোনায়ও ধরে না।
কিন্তু তাই বলে ওর মত একটা বন্য শুয়োরকে তো এভাবে ওপেনে ঘুরতে দেয়া যায় না! বন্যেরা বনে সুন্দর, তাই তাকেও বনে পাঠানো হোক।
অবস্থা এমন হইছে যে এখন নির্দ্বিধায় ও জিয়া পরিবারকে নিয়ে বাজে কথা বলা শুরু করছে, কিছুদিন পর রামদা-কুরাল হাতে নিয়ে ঘুরলেও অবাক হবো না।
জেন জির ইয়াং ব্লাড, রক্ত গরম, নতুন ধারার রাজনীতি আসবে ওদের হাত ধরেই; এমন অসংখ্য আশা ছিল ওদের নিয়ে মানুষের।