ঘরিয়ালডাংগা বিএনপি রাজারহাট কুড়িগ্রাম

ঘরিয়ালডাংগা বিএনপি রাজারহাট কুড়িগ্রাম

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ঘরিয়ালডাংগা বিএনপি রাজারহাট কুড়িগ্রাম, Political Party, Hospital Mor, Kurigram.

27/03/2026

কুড়িগ্রামের রাজনীতিতে একটি কালো অধ্যায়ঃ ইন্ডিয়ান মোস্তফা

কালিম মোস্তফা ওরফে ইন্ডিয়ান মোস্তফা কুড়িগ্রামের রাজনীতিতে একটি কালো অধ্যায় মাত্র। রাজনীতিই দুর্বৃত্তায়ন নতুন কোন ঘটনা নয়। কিন্তু এদেশের রাজনৌতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, একজন ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশের একটি জেলার শীর্ষ দলের প্রধান করা সবচেয়ে বড় দুর্বৃত্তায়ন।

বিএনপি দেশের বৃহত্তম একটি রাজনৈতিক দল। এই দলের কুড়িগ্রাম জেলার আহবায়ক সন্দেহাতীতভাবে একজন ভারতীয় নাগরিক। এই অপকর্মটি যার দ্বারা সাধিত হয়েছে তিনি এখন ক্ষমসীন দল বিএনপির রাজনীতিতে ব্যাকফুটে চলে গেছেন। বিষয়টা এরকম- সীমা লংঘনকারীকে কেউ গ্রহণ করেনা।

এখন কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির এই অসংগতি ও অনিয়ম নিরসনে কাজ শুরু হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নজরে বিষয়টি আনা হয়েছে। বাস্তবিক অর্থে তাঁর লন্ডন অবস্থানকালীন সময়ে বিএনপির এক শীর্ষ নেতা এই অপকর্মটি সাধন করেছিলেন। অনেকেই মনে করেন- কুড়িগ্রামে বিএনপির ৪টি আসনে পরাজয়ের মূল কারণ ইন্ডিয়ান মোস্তফা। কুড়িগ্রাম জেলাবাসী তার নেতৃত্ব প্রত্যাখ্যান করতে যেয়ে ধানেরশীষকেই প্রত্যাখ্যান করেছেন।

সামনে স্থানীয় সরকারের ৩ তিন স্তরের নির্বাচন। কুড়িগ্রামে বিএনপির ভালো ফলাফল অর্জনে ইন্ডিয়ান মোস্তফাকে বিএনপি থেকে বিতাড়িত করা ছাড়া আর কোন পথ নেই বলে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সকল নেতাকর্মী মনে করে। তারা খুব দ্রুতই এই পরিস্থিতির অবসান দেখতে চায়। এখন দেখা যাক- বিএনপির হাই কমান্ড কত দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন ?

13/03/2026

ইন্ডিয়ান মোস্তফা পারেনা এমন কোন আকাম নেই। আপন ছোটভাই মিজানুরকে দিয়ে হাসপাতালে গরিব দুখী অসহায় দুস্থ রোগীর পথ্যতেও লুটপাট করাচ্ছে এই লুটেরা গংরা।

আল্লাহর গজব নাযিল হোক এই পাষন্ডদের উপর।

09/02/2026

''কুড়িগ্রাম-২, সদর আসনে বিএনপির নেতাকর্মীরা যে কারণে ধানের শীষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে''

কুড়িগ্রাম-২ আসনে বিএনপির নেতাকর্মীরা ধানের শীষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। তাদের চাপাক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটা শুরু করেছে। এর ফলে শা শা গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে শাপলা কলি ও লাঙ্গল প্রতীক। বিশেষ করে আওয়ামী ভোটার এবং হিন্দু ভোটারগণ লাঙ্গলকে বেছে নিচ্ছে।

সবচেয়ে বেশি অঘটন শুরু করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারা এখন ব্যাক গিয়ার মারা শুরু করেছে। এত দিন দল করার অজুহাতে মিছিল মিটিংগে থাকলেও ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে তারা ধানের শীষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। যে সকল কারণে তাদের এই সিদ্ধান্ত তা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে জানা গেছে। কারণ সমূহঃ

১. ভারতীয় নাগরিক ইন্ডিয়ান মোস্তফার সংগে জোগ সাজস ও কেন্দ্রে টাকা দিয়ে বিএনপি প্রার্থী সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হয়েছে। এই কমিটি গঠন থেকেই বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা কর্মী চরম ভাবে ক্ষুব্ধ। তখন থেকেই সোহেলের নির্বাচনে প্রার্থিতার বিষয়ে তারা নেতিবাচক অবস্থান গ্রহণ করছে।

২.সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের রাজনীতির শুরুটাই বেঈমানী দিয়ে শুরু হয়েছে। সকলের সাথেই তার বেইমানির কাহিনী বিদ্যমান। বিশেষ করে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রানার আনুকূল্য নিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে অবস্থান সৃষ্টি করে সেই সাইফুর রহমান রানার সাথে বেইমানি ও গ্ৰুপিং করেছে সোহেল।রানা গ্ৰুপের কোনভাবেই সোহেলকে মেনে নিতে পারছেনা।

৩. টেন্ডারবাজির নামে স্বার্থ হাসিলে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ বরাবরই নিজের বাইরে কারো জন্যে কিছু করেনি। বিশেষ করে হাসিনা পতনের পর তার টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, ধান্দাবাজির বিষয়টি ওপেন সিক্রেট। এই কারণে দলের নেতাকর্মীদের মাঝে সোহেলের বিষয়ে মারাত্বক নেগেটিভ ধারণা বিদ্যমান।

৪. সোহেলের পিতা ভারত থেকে আগত একজন সেটেলার। আবার মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ছিলেন শান্তি কমিটির অন্যতম সদস্য। একদিকে স্বাধীনতা বিরোধী আবার ইন্ডিয়া থেকে আগমননের কারণে প্রো-ইন্ডিয়ান হিসাবে ধানের শীষের প্রার্থী সোহেলের বিষয়ে কুড়িগ্রামের ভোটারগণের নেতিবাচক ধারণা প্রবল।

৫. এছাড়াও হাসপাতাল পাড়ায় সরকারের জমি বেদখল করে দোকানপাট করা, হাসপাতালের রোগীদের দালালদের মাধ্যমে ভাগিয়ে এনে তার ক্লিনিকে চিকিৎসার নামে সর্বশান্ত করা, হাসপাতালের টেন্ডারে সিন্ডিকেট করে লুটপাট করার বিষয়টি খুব খারাপ ভাবে গ্রহণ করেছে বিএনপির নেতা কর্মী সহ কুড়িগ্রাম-২ আসনের ভোটারগণ।

এ কারণে সকলে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। সঙ্গতকারণে এই আসনে বিএনপির মারাত্বক ফলাফল বিপর্যয় ঘটবে বলে সকলে মনে করেন।

07/02/2026

''কুড়িগ্রাম-২ আসনে ধানের শীষে আঘাত ভেতর থেকে? হাসিবুর রহমান হাসিবকে ঘিরে বিএনপিতে অস্বস্তি''

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রাম–২ আসনের রাজনীতিতে আজ সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি বাইরের নয়, ভেতরের। প্রতিপক্ষ কে- তা স্পষ্ট। কিন্তু দলের ভেতরে কে কী খেলছে, সেটাই ধোঁয়াশা। এই ধোঁয়াশার কেন্দ্রে বারবার ঘুরে ফিরে আসছে একটি নাম- হাসিবুর রহমান হাসিব।

এক সময়ের জাসদ নেতা, বর্তমানে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক,রাজনীতিতে পরিচয় বদল নতুন কিছু নয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, পরিচয়ের বদল কি আদর্শের বদলও নির্দেশ করে? ১৯৯৩ সালের পৌর নির্বাচনে মাত্র ১৮৮ ভোট পাওয়া একজন নেতা আজ যদি একটি সংসদীয় আসনের ভাগ্য নির্ধারণে ‘ফ্যাক্টর’ হয়ে ওঠেন, তাহলে সেটি কেবল ব্যক্তিগত মেধা, নাকি নেপথ্যের হিসাব এই প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক।

রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আছে, কুড়িগ্রাম–২ আসনের ২১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের যে স্পষ্ট বিভাজন দেখা যাচ্ছে, তা স্বতঃস্ফূর্ত নয়। বিভাজন কখনো হঠাৎ হয় না—এর পেছনে থাকে পরিকল্পনা, হিসাব আর লক্ষ্য। লক্ষ্যটা কী সেটাই এখন আলোচনার বিষয়।

এই আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে হাসিবুর রহমান হাসিবের পারিবারিক সমীকরণ। তার স্ত্রী, মজিদা কলেজের সহকারী অধ্যাপক আফিয়া চৌধুরীর আদর্শিক অবস্থান জামায়াতে ইসলামীর একজন বিশ্বস্ত সদস্য এবং জামায়াত ইসলামী সমর্থিত এনসিপির ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের প্রার্থী ডক্টর আতিক মুজাহিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ আত্মীয়তার বিষয়টি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কৌতূহলী করেছে। রাজনীতিতে আত্মীয়তা নিষিদ্ধ নয়, কিন্তু যখন আদর্শ ও নির্বাচনী অঙ্ক এক বিন্দুতে এসে মেলেতখন প্রশ্ন উঠবেই।

এখন এলাকায় একটি বাক্য ঘুরছে-‘হাসিবুর রহমান হাসিবের স্ত্রীর ভোট বিএনপি পাবে না।’ এটি নিছক গুঞ্জন, নাকি কৌশলগত বার্তা? রাজনীতিতে অনেক সময় একটি বাক্যই বহু কর্মীর মনোবল ভেঙে দেয়। প্রশ্ন হলো, এই বার্তাটি কার জন্য?

সবচেয়ে বড় বাস্তবতা হলো-বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ মাঠে একা নন, কিন্তু তিনি কি দলের ভেতর পূর্ণ সমর্থন পাচ্ছেন? যদি না পান, তাহলে প্রতিপক্ষকে শক্তিশালী হতে খুব বেশি পরিশ্রম করতে হয় না।

ইতিহাস বলে, বহু নির্বাচন বাইরের আঘাতে নয়-ভেতরের ক্ষতেই হেরে গেছে। কুড়িগ্রাম-২ কি সেই ইতিহাসের আরেকটি অধ্যায় হতে যাচ্ছে?
আর ইন্ডিয়ান মোস্তফাকে বিশ্বাস করারতো কোন কারণ নেই। নিজ স্বার্থে ভোল পাল্টানো তার চিরাচরিত অভ্যেস। তলে তলে সুতা কেটে ধানের শীষকে চিটা বানিয়ে দেয়াই তার আসল উদ্যেশ্য।

27/01/2026

❝ইন্ডিয়ান মোস্তফা ও তার পরিবার ঘিরে বিতর্ক, কুড়িগ্রামের চার আসনে জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে শঙ্কা❞

কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির নেতৃত্বকে ঘিরে নাগরিকত্ব ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা সংক্রান্ত অভিযোগ ওঠায় দলটির তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাব আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার চারটি সংসদীয় আসনেই পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

দলীয় একাধিক সূত্র ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ওরফে ‘ইন্ডিয়ান মোস্তফা’র পরিবার আওয়ামীপন্থী রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মেয়ে ডা. শামান্তা রীমা আওয়ামীপন্থী স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের একজন নেত্রী এবং তার জামাতা ডা. আরীফ (বর্তমানে বরখাস্ত) একই সংগঠনের কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এদিকে মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হওয়া নিয়েও দলটির ভেতরে তীব্র প্রতিক্রিয়া চলছে। দলীয় নেতাকর্মীদের একটি অংশের দাবি, একজন প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় নেতাকে বিপুল অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে এই পদ বাগিয়ে নেওয়া হয়েছে—যা বিএনপির আদর্শ ও ত্যাগের রাজনীতির পরিপন্থী।

এসব অভিযোগ ও বিতর্কের কারণে তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় ঐক্যে ফাটল দেখা দিয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। অনেক নেতাকর্মী প্রকাশ্যে অসন্তোষ জানালেও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নেতৃত্ব নিয়ে এই বিতর্ক ও আস্থার সংকট অব্যাহত থাকলে কুড়িগ্রামের চারটি সংসদীয় আসনেই বিএনপির জয়ের সম্ভাবনা বিলীন হয়ে পড়তে পারে।

24/01/2026

কুড়িগ্রাম-২ আসনে ইন্ডিয়ান মোস্তফা ধানের শীষের জন্যে একটা ভোট চাইলে ১০ টা ভোট মাইনাস হয়ে যায়। এই সহজ হিসাব যদি প্রার্থী না বুঝে তাহলে তার কপালে দুর্ভোগ আছে।

ইন্ডিয়ান মোস্তফাকে কোঁচবিহারের খুবিরের কুঠিতে পাঠিয়ে দেয়া হোক- ধানের শীষের বিজয় অনিবার্য। আর যাই হোক- কোন ভারতীয়র কথায় এদেশের মানুষ ভোট দিবেনা। এটা জয় শ্রীরাম-বন্দে মাতরমের দেশ নয়।

22/01/2026

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় জীবিকার প্রয়োজনে একবার বার্মায় গিয়েছিলেন। সেখানে যেয়ে ভারতীয় অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের কান্ডকীর্তি দেখে তিনি বলেছিলেন, ইন্ডিয়ানরা বসতে পারলে শুইতে চায়। বিশেষকরে অবৈধরা আরও বেশি।

ঠিক কুড়িগ্রামেও একই অবস্থা। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা এখানে পদ পদবি ধারণ করে গাছের আগারটায় খাচ্ছে গোড়ারটাও খাচ্ছে। এদেরকে প্রতিহত করুন। এখুনি সময়।

Want your business to be the top-listed Government Service in Kurigram?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address

Hospital Mor
Kurigram
5600