কুড়িগ্রামে ভারতীয় আগ্রাসন বিরোধী জনতা

কুড়িগ্রামে ভারতীয় আগ্রাসন বিরোধী জনতা

Share

কুড়িগ্রামে ভারতীয় আগ্রাসন বিরোধী জনতাকে সচেতনতার জন্যেই আমাদের প্রচেষ্টায় শামিল হোন।

15/03/2026

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদী ভাঙ্গনরোধ প্রকল্পে অনিয়ম ও জিও বস্তার থিকনেস চুরি করে ধরা পড়া দালাল ঠিকাদার ইন্ডিয়ান মোস্তফা ও সোহেলকে পাশে নিয়ে মন্ত্রী যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযানের ঘোষণা দেয়. তাহলে জনগণ হাসবে না কাঁদবে ?

এই রসিকতা কুড়িগ্রাম জেলাবাসী ভালভাবে গ্রহণ করেনি। ইন্ডিয়ান মোস্তফার সাইটের ৬ হাজার বস্তা বাতিল করেছে ওয়াপদা কতৃপক্ষ। জাতীয় সংবাদ পত্রে প্রকাশিত সংবাদ সকলই দেখেছে। কাজেই শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যাবেনা।

10/03/2026

“চোরে খায় কলা, চোরের মায়ের বড় গলা” - কুড়িগ্রামে টেন্ডার সিন্ডিকেটের নতুন নাটক

গতকাল দেশের শীর্ষস্থানীয় পত্রিকা দৈনিক ইনকিলাব, প্রতিদিনের বাংলাদেশসহ অসংখ্য অনলাইন নিউজ পোর্টালে কুড়িগ্রামের একটি আলোচিত টেন্ডার কেলেঙ্কারির খবর প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের কারণে প্রায় ৬ হাজার জিও ব্যাগ বাতিল হওয়ার তথ্য উঠে এসেছে।

এই সংবাদ প্রকাশের পরই কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইন্ডিয়ান মোস্তফা এবং সদস্য সচিব সোহেল বিএনপির প্যাড ব্যবহার করে একটি তথাকথিত প্রতিবাদ লিপি দিয়েছেন।

কিন্তু প্রশ্ন হলো—যদি অভিযোগ মিথ্যা হয়, তাহলে এত তড়িঘড়ি করে দলীয় প্যাডে প্রতিবাদ কেন? কথায় আছে—“চোরে খায় কলা, চোরের মায়ের বড় গলা।”রমজানের পবিত্র মাসেও মিথ্যার গলাবাজি থামছে না।

অভিযোগ রয়েছে, পিপিআর অনুযায়ী কুড়িগ্রামের স্থানীয় মাত্র ২/১ জন ঠিকাদার ছাড়া অন্য কেউ বড় কাজ পাওয়ার যোগ্যতা রাখে না। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, মোস্তফা-সোহেল সিন্ডিকেট বিভিন্ন লাইসেন্সের আড়ালে কাজ নিয়ন্ত্রণ করছে।

বিশেষ করে ইউনুস এন্ড ব্রাদার্সসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ব্যবহার করে তারা ওয়াপদা,এলজিইডি,সড়ক ও জনপথ বিভাগ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সহ বিভিন্ন প্রকৌশল দপ্তরে কোটি কোটি টাকার কাজ নিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি—শুধু ওয়াপদাতেই প্রায় ২০ কোটি টাকার কাজ এই সিন্ডিকেটের হাতে গেছে।

এদিকে চট্টগ্রামের ইউনুস এন্ড ব্রাদার্স প্রতিষ্ঠানের মালিক ইউনুস আলীর ছেলে ডিএমডি ইঞ্জিনিয়ার ইমরান পূর্বেও কয়েক দফায় জানিয়েছেন—মোস্তফা ও সোহেল কুড়িগ্রামে তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ করে। বিভিন্ন কাজে তারা ২–৩% থেকে শুরু করে লাভজনক প্রকল্পে প্রায় ৫% পর্যন্ত লাইসেন্স ভাড়া নেয়। এই বিষয়টি কুড়িগ্রামের অনেক ঠিকাদার এবং প্রকৌশল দপ্তরের কাছেও ওপেন সিক্রেট।

তবুও এখন তারা বিএনপির প্যাড ব্যবহার করে নিজেদের রক্ষা করার চেষ্টা করছে। কিন্তু এবার সেই চেষ্টা বুমেরাং হয়ে গেছে। তাদের প্রতিবাদ লিপির কপি, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের তথ্য এবং সম্পৃক্ততার বিভিন্ন প্রমাণ ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে।

কথায় আছে—“শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় না।” তেমনি প্রতিবাদ আর গলাবাজি দিয়ে সত্যকে ঢেকে রাখা যায় না। তাই কুড়িগ্রাম জেলাবাসীর প্রতি অনুরোধ—এই টেন্ডারবাজ সিন্ডিকেটের বিভ্রান্তিকর বক্তব্যে কান দেবেন না।

কারণ এখন ডিজিটাল যুগ। সত্য লুকিয়ে রাখা যায় না। অপেক্ষা করুন—সময়ই সব প্রকাশ করবে।

09/03/2026

কুড়িগ্রাম জেলাবাসীকে রক্ষার জন্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট আবেদনঃ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দদের কর্মকান্ড নিয়ে এখন আপনার সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় এসেছে। ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির কমিটি ঘোষিত হয়েছিল। আপনার কাছে সত্যগোপন করে,মিথ্যা তথ্য দিয়ে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি লাভ করে বিপুল পরিমান অর্থের বিনিময়ে। শুধু টাকার বিনিময়ে ভারতীয় নাগরিক ইন্ডিয়ান মোস্তফাকে কমিটির আহবায়ক করা হয়েছে।

পরবর্তীতে সেই টাকা তুলতে যেয়ে এই নেতারা কুড়িগ্রামে চাঁদাবাজি,টেন্ডারবাজি,বালুবাজি এবং পদ বাণিজ্যের তান্ডব শুরু করে। এদের এই অপকর্মের জবাব কুড়িগ্রাম জেলাবাসী বাধ্য হয়েই বিগত সংসদ নির্বাচনে দিয়েছে। কুড়িগ্রামে ৪ টি আসনে একটিতেও ধানেরশীষ জিততে পারেনি।

আহবায়ক ইন্ডিয়ান মোস্তফা আর সদস্য সচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদরা রোজা রমজান কিছুই মানেনা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের টেন্ডারে ৩ এম এম থিকনেস (পুরুত্ব) এর জিও টেক্স এ তারা ২.৫ এম এম এর আরও কম থিকনেস দিয়ে বিল নেয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিল। কতৃপক্ষ কম থিকনেস এর ৬ হাজার জিও টেক্স এর বস্তা বিধিমোতাবেক বাতিল করেছে বিধায় এই সংঘবদ্ধ চক্র পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর উপর চড়াও হয়ে হুমকি ধামকি দিয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী , আপনি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার আপনার ইচ্ছা আকাংখাকে দেশবাসী সম্মানের সাথে গ্রহণ করেছে। কিন্তু আপনার কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির কতিপয় শীর্ষ নেতা আপনার ইচ্ছাকে তোয়াক্কাও করেনা। কিন্তু বিচারতো একদিন হবে। তারা কি জানেনা ? --

وَيۡلٞ لِّلۡمُطَفِّفِينَ ١ ٱلَّذِينَ إِذَا ٱكۡتَالُواْ عَلَى ٱلنَّاسِ يَسۡتَوۡفُونَ ٢ وَإِذَا كَالُوهُمۡ أَو وَّزَنُوهُمۡ يُخۡسِرُونَ ٣﴾ [المطففين: ١، ٣]

“ধ্বংস যারা পরিমাপে কম দেয় তাদের জন্য। যারা লোকদের কাছ থেকে মেপে নেয়ার সময় পূর্ণমাত্রায় গ্রহণ করে। আর যখন তাদেরকে মেপে দেয় অথবা ওজন করে দেয় তখন কম দেয়”। [আল কোরআনের সূরা আল-মুতাফফিফীন, আয়াত: ১-৩]

ওজনে কম দেওয়া বা পরিমাপে ফাঁকি দেওয়া ইসলামে কবিরা গুনাহ।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমরা আকুল হয়ে আপনার সিদ্ধান্তের প্রতি তাকিয়ে আছি। এই জুলুমবাজ নেতাদের হাত থেকে আপনি কুড়িগ্রাম জেলাবাসীকে রক্ষা করুন। আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন। আমিন /

-কুড়িগ্রাম জেলাবাসী।

07/03/2026

''ইন্ডিয়ান মোস্তফাকে বয়কট করুন''

কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য ইদ্রিস আলী ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে নিজেকে বিএনপির রাজনীতি থেকে সরিয়ে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তার এই ঘোষণা ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

মূলতঃ ইন্ডিয়ান মোস্তফার নেতৃত্ব কেউ মানেনা। কমিটির অর্ধেকের বেশি সদস্য ইন্ডিয়ান মোস্তফার বিরুদ্ধে দলীয় চেয়ারম্যান এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। যথা শীঘ্রই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আসবে।

চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজির এক তান্ডব শুরু করেছে ইন্ডিয়ান মোস্তফা এবং তার কিছু সাঙ্গপাঙ্গ। সম্প্রতি দুই নম্বর জিও টেক্স এর বস্তা দিয়ে ওয়াপদার কাজ করতে গিয়ে ইন্ডিয়ান মোস্তফা ধরা খেয়েছে। কতৃপক্ষ তার ৬ হাজার বস্তা বাতিল করেছে। এই হলো ইন্ডিয়ান মোস্তফা। চোরের উপর সিনা চুরি।

ইদ্রিস আলীর মত সকলে প্রতিবাদ করুন। ইন্ডিয়ান মোস্তফাকে বয়কট করুন।

20/02/2026

''কুড়িগ্রামে বিএনপির ভূমিধ্বস পরাজয়ের প্রধান কারণ ইন্ডিয়ান মোস্তফা''

কুড়িগ্রাম জেলার ৪ টি আসনে বিএনপি জয়লাভ না করার বিভিন্ন কারণ উল্লেখ করে দেশের নামি দামি পত্রপত্রিকায় বিশ্লেষণধর্মী নিউজ প্রকাশ পাচ্ছে। কিন্তু এত বিশ্লেষণের কিছু নাই। কুড়িগ্রামে বিএনপির ভরাডুবির প্রধান কারণ ইন্ডিয়ান মোস্তফা। এটা সর্বজন স্বীকৃত।

ইন্ডিয়ান মোস্তফার মত দলছুট, টাউট,ধান্দাবাজ, টেন্ডারবাজকে বিএনপির যে কেন্দ্রীয় নেতা কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহবায়ক বানিয়েছেন, তিনিও এর খেসারত দিলেন। না ঘরকা না ঘাটকা। আল্লাহর বিচার আছে , এটাতো চাক্ষুষ দেখলেন আপনারা।

এখন একটাই কাজ - ইন্ডিয়ান মোস্তফাকে দেশ ছাড়া করতে হবে। এর কোন বিকল্প নেই। ইন্ডিয়ান মোস্তফামুক্ত কুড়িগ্রাম এমনিতেই বিএনপির জন্যে উর্বর ভূমি হতে বাধ্য। তাই সকলে একজোট হোন। ইন্ডিয়ান মোস্তফা খেদাও আন্দোলনকে বেগবান করুন।

18/02/2026

কুড়িগ্রাম জেলাবাসী- ইন্ডিয়ান মোস্তফাকে পুশব্যাক করার আন্দোলনে যোগ দিন। বিএনপিকে রক্ষার আন্দোলনে শামিল হোন।

13/02/2026

''কুড়িগ্রাম-২ আসন সহ কুড়িগ্রাম জেলার ৪ টি আসনে বিএনপির ভূমিধ্বস পরাজয়ের কারণ''

স্থানীয় আওয়ামীলীগের দাবি কুড়িগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রাপ্ত ভোট ৫৩হাজার ২০৫টি তাদের নিজ দলীয় ভোট।

কুড়িগ্রাম জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার সূত্রে—
🗳 মোট ভোট পড়েছে: ৩,৯৪,০০২
🌸 শাপলা কলি: ১,৮০,৫২৬
🌾 ধানের শীষ: ১,৭১,৪০৫
🔹 অন্যান্য দল: বাকিটা

এদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দাবি করছে- তাদের ৩০% ভোট প্রায় ১,১৮,২০০ বিএনপিকে দেওয়া হয়েছে! তাদের হিসাব অনুযায়ী বিএনপির প্রকৃত ভোট মাত্র ৫৩,২০৫। বিএনপি প্রাথী সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ ধানের শীষে প্রাপ্ত ৫০ হাজারের অধিক ভোট আওয়ামী লীগ ও হিন্দু ভোটারগণ প্রদান করেছেন।

কুড়িগ্রামের চারটি সংসদীয় আসনে ধানের শীষ প্রতীকের কোনো প্রার্থীই জয়লাভ করতে পারেননি। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। অভিযোগ উঠেছে—দলীয় অভ্যন্তরীণ কোন্দল, নেতৃত্বের অদক্ষতা, গ্রুপিং, বিতর্কিত ব্যক্তিদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্তি এবং স্থানীয় সমন্বয়হীনতার কারণেই এমন ভরাডুবি হয়েছে।

দলীয় সূত্র ও প্রার্থীদের বক্তব্য অনুযায়ী, জেলা আহ্বায়ক ইন্ডিয়ান মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তোষ ছিল। নিজের বলয়ে কমিটি গঠন, বিতর্কিতদের পদায়ন এবং রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতার সংকট—এসব ইস্যু ভোটের সময় সামনে আসে। তার নাগরিকত্ব সংক্রান্ত একটি মামলা উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে—এমন আলোচনাও মাঠে প্রভাব ফেলেছে বলে দাবি তৃণমূলের ।

কুড়িগ্রাম-২ আসন সহ জেলার সবকটি আসনে ধানেরশীষ হেরে যাওয়ার মুখ্য কারণ মনে করা হচ্ছে - অযোগ্য অথর্ব জেলা বিএনপির কমিটি। এই কমিটির আহ্বায়ক ইন্ডিয়ান মোস্তফা ভারতীয় নাগরিক হওয়ায় সাধারণ ভোটারগণ ও বিএনপির প্রকৃত ভোটারগণ কর্তৃক ধানেরশীষ প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহবায়ক ইন্ডিয়ান মোস্তফা ও সদস্য সচিব সোহেল পরিকল্পিত ভাবে কুড়িগ্রাম-১ আসনে সাইফুর রহমানকে হারানোর জন্যে তার বিরুদ্ধপক্ষের লোকজনকে ডেকে ডেকে এনে কমিটি দিয়েছে নাগেশ্বরী উপজেলা। পৌর ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলা কমিটিতে। এই বিষয়টি কেন্দ্র থেকে জেলার সর্বত্র সকলই অবহিত।

কুড়িগ্রাম-৩ আসনে তাসভির উল ইসলাম ও আব্দুল খালেকের দ্বন্দকে জিইয়ে রাখা হয়েছিল প্রাথী তাসভির উল ইসলামকে পরাজিত করার জন্যে। কুড়িগ্রাম-৪ আসনে রৌমারীর কমিটি দেয়া হয়েছিল ১ কোটি টাকার বিনিময়ে চোর চোট্টাদের। যারা ছিল সমাজ বিবর্জিত। চিলমারীতে বিতর্কিত কমিটি দিয়ে হামলা মামলা বহিষ্কারের নাটক করা হয়েছিল। সঙ্গতকারণে কুড়িগ্রামের ৪ টি আসনই বিএনপির হাতছাড়া হয়েছে।

করণীয়ঃ বিতর্কিত এই জেলা কমিটি আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত করা ছাড়া কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপিকে রক্ষা করা অসম্ভব। এখুনি কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির কমিটিকে বাতিল করার জন্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রতি দাবি জানানো হলো।

09/02/2026

''কুড়িগ্রাম-২, সদর আসনে বিএনপির নেতাকর্মীরা যে কারণে ধানের শীষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে''

কুড়িগ্রাম-২ আসনে বিএনপির নেতাকর্মীরা ধানের শীষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। তাদের চাপাক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটা শুরু করেছে। এর ফলে শা শা গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে শাপলা কলি ও লাঙ্গল প্রতীক। বিশেষ করে আওয়ামী ভোটার এবং হিন্দু ভোটারগণ লাঙ্গলকে বেছে নিচ্ছে।

সবচেয়ে বেশি অঘটন শুরু করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারা এখন ব্যাক গিয়ার মারা শুরু করেছে। এত দিন দল করার অজুহাতে মিছিল মিটিংগে থাকলেও ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে তারা ধানের শীষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। যে সকল কারণে তাদের এই সিদ্ধান্ত সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে জানা গেছে। কারণ সমূহঃ

১. ভারতীয় নাগরিক ইন্ডিয়ান মোস্তফার সংগে জোগ সাজস ও কেন্দ্রে টাকা দিয়ে বিএনপি প্রার্থী সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হয়েছে। এই কমিটি গঠন থেকেই বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা কর্মী চরম ভাবে ক্ষুব্ধ। তখন থেকেই সোহেলের নির্বাচনে প্রার্থিতার বিষয়ে তারা নেতিবাচক অবস্থান গ্রহণ করছে।

২.সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের রাজনীতির শুরুটাই বেঈমানী দিয়ে শুরু হয়েছে। সকলের সাথেই তার বেইমানির কাহিনী বিদ্যমান। বিশেষ করে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রানার আনুকূল্য নিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে অবস্থান সৃষ্টি করে সেই সাইফুর রহমান রানার সাথে বেইমানি ও গ্ৰুপিং করেছে সোহেল।রানা গ্ৰুপের কোনভাবেই সোহেলকে মেনে নিতে পারছেনা।

৩. টেন্ডারবাজির নামে স্বার্থ হাসিলে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ বরাবরই নিজের বাইরে কারো জন্যে কিছু করেনি। বিশেষ করে হাসিনা পতনের পর তার টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, ধান্দাবাজির বিষয়টি ওপেন সিক্রেট। এই কারণে দলের নেতাকর্মীদের মাঝে সোহেলের বিষয়ে মারাত্বক নেগেটিভ ধারণা বিদ্যমান।

৪. সোহেলের পিতা ভারত থেকে আগত একজন সেটেলার। আবার মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ছিলেন শান্তি কমিটির অন্যতম সদস্য। একদিকে স্বাধীনতা বিরোধী আবার ইন্ডিয়া থেকে আগমননের কারণে প্রো-ইন্ডিয়ান হিসাবে ধানের শীষের প্রার্থী সোহেলের বিষয়ে কুড়িগ্রামের ভোটারগণের নেতিবাচক ধারণা প্রবল।

৫. এছাড়াও হাসপাতাল পাড়ায় সরকারের জমি বেদখল করে দোকানপাট করা, হাসপাতালের রোগীদের দালালদের মাধ্যমে ভাগিয়ে এনে তার ক্লিনিকে চিকিৎসার নামে সর্বশান্ত করা, হাসপাতালের টেন্ডারে সিন্ডিকেট করে লুটপাট করার বিষয়টি খুব খারাপ ভাবে গ্রহণ করেছে বিএনপির নেতা কর্মী সহ কুড়িগ্রাম-২ আসনের ভোটারগণ।

এ কারণে সকলে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। সঙ্গতকারণে এই আসনে বিএনপির মারাত্বক ফলাফল বিপর্যয় ঘটবে বলে সকলে মনে করেন।

24/01/2026

ভারতে অনুষ্ঠিত আইসিসি বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করবেনা বাংলাদেশ। ভারত বর্জনে সাহসী পদক্ষেপ এটি।

অথচ কুড়িগ্রাম-২ আসনে ধানের শীষের জন্যে ভোট প্রার্থনা করছে ভারতীয় নাগরিক ইন্ডিয়ান মোস্তফা। এখন বলেন, কুড়িগ্রামের ভোটারগন কি করবে? ভারতকে চুমা দিবে?

অপেক্ষা করুন- ভারত বর্জন কাহাকে বলে এবং কত প্রকার কুড়িগ্রামবাসী দেখিয়ে দিবে ১২ ফেব্রুয়ারিতে।

ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে ইন্ডিয়ান মোস্তফার ভুয়া নাগরিকত্বের বিরুদ্ধে দেয়া হবে এক কঠিন জবাব।

Want your business to be the top-listed Government Service in Kurigram?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address

Ghospara
Kurigram
5600