10/03/2026
''চোরে খায় কলা, চোরের মায়ের বড় গলা''
কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহবায়ক ইন্ডিয়ান মোস্তফা আর সদস্য সচিব সোহেল আজ বিএনপির প্যাডে একটি প্রতিবাদ লিপি দিয়েছে। গতকাল দৈনিক ইনকিলাব, প্রতিদিনের বাংলাদেশ এবং অসংখ্য অনলাইন নিউজ পোর্টালে তাদের টেন্ডারবাজির কাহিনী ও অনিয়ম করে কাজ করার কারণে ৬ হাজার জিও ব্যাগ বাতিলের সংবাদে তাদের এই প্রতিবাদ।
কথায় বলেনা ''চোরে খায় কলা, চোরের মায়ের বড় গলা''। রোজা রমজানের দিনেও ডাহা মিথ্যা কথার গলাবাজি এদের বন্ধ হলোনা।
মূলকথা হলো - পিপিআর মোতাবেক কুড়িগ্রামের স্থানীয় ২/১ জন ঠিকাদার ছাড়া আর কেউ অংশ গ্রহণের যোগ্যতা রাখেনা। ইন্ডিয়ান মোস্তফা ও সোহেল গংরা ইউনুস এন্ড ব্রাদার্স এবং আরও কয়েকটি লাইসেন্সের নামে ওয়াপদা, এলজিইডি, সড়ক ও জনপথ, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সহ অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট গুলোতে কোটি কোটি টাকার কাজ অনিয়ম করে নিয়েছে।
কতৃপক্ষের মতে এক ওয়াপদাতেই প্রায় ২০ কোটি টাকার কাজ মোস্তফা-সোহেল গংরা পেয়েছে। এরপরেও কিভাবে বিএনপির প্যাডে মিথ্যাচার করে প্রতিবাদ লিপি পাঠায় ? তারা বরাবরই তাদের অপকর্ম গুলো দলীয় ব্যানারে ঢেকে রাখার চেষ্টা করে। কিন্তু এবার বিধিবাম - তাদের এই প্রতিবাদের ফটোকপি সহ সংশ্লিষ্ঠ ঠিকাদার ও কতৃপক্ষের সংগে তাদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে দাখিল করা হয়েছে।
চট্ট্রগ্রামের ইউনুস এন্ড ব্রাদার্স এর মালিক ইউনুস আলীর ছেলে ডিএমডি মিঃ ইঞ্জিনিয়ার ইমরান ইতোপূর্বে কয়েক দফায় জানিয়েছে মোস্তফা সোহেলরা কুড়িগ্রামে তাদের নামে কাজ করছে। তারা কোন কাজে ২/৩ % জিও টেক্স সহ অন্যান্য লাভজনক কাজে ৫% করে লাইসেন্স ভাড়া নিয়ে থাকে। এই বিষয়টি কুড়িগ্রামের সকল ঠিকাদার ও প্রকৌশল দপ্তর গুলো জানে।
শাক দিয়ে যেমন মাছ ঢাকা যায়না। তেমনি ভারতের কোচবিহার জেলার সাহেবগঞ্জ থানার খুবিরের কুঠি গ্রামে জন্ম নিয়ে বাংলাদেশী নাগরিকও হয় যায়না।
তাই কুড়িগ্রাম জেলাবাসীকে অনুরোধ করা হলো, টেন্ডারবাজ ধান্দাবাজদের কোন প্রতিবাদ ফ্রতিবাদে কান না দেয়ার জন্যে। কুড়িগ্রামে দুর্নীতি দমনে অসংখ্য মানুষ সব তথ্য প্রমান নিয়েই মাঠে নেমেছে। আর যে সাংবাদিকরা তাদের সম্পর্কে নিউজ করেছে তাদের হাতে সকল ডকুমেন্টস বিদ্যমান। এটা ডিজিটাল যুগ - চোরের মা ও ছেলের জবান বন্ধ করে দিতে বেশি সময় লাগবেনা। শুধু অপেক্ষা করুন আর দেখুন। ধন্যবাদ।
10/03/2026
কুড়িগ্রাম জেলাবাসীকে রক্ষার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট আবেদন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে এখন আপনার দৃঢ় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় এসেছে। ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পর থেকেই নানা অভিযোগ ও বিতর্ক সামনে আসছে।
জেলাবাসীর অভিযোগ—সত্য গোপন করে, ভুল তথ্য দিয়ে এবং বিপুল অর্থের বিনিময়ে এই কমিটি গঠিত হয়েছে। শুধু টাকার বিনিময়ে মোস্তফাফিজার রহমান ওরফে ইন্ডিয়ান মোস্তফাকে আহ্বায়ক করা হয়েছে বলে নানা মহলে আলোচনা চলছে। এর ফলে জেলা বিএনপির ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পরবর্তীতে অভিযোগ ওঠে—চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, বালুবাজি এবং পদ বাণিজ্যের মাধ্যমে সেই অর্থ আদায়ের তৎপরতা শুরু হয়েছে। এর প্রতিক্রিয়া কুড়িগ্রামের মানুষ সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেখিয়েছে—জেলার চারটি আসনের একটিতেও ধানের শীষ বিজয়ী হতে পারেনি।
অভিযোগ রয়েছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি টেন্ডারে ৩ এমএম পুরুত্বের জিও টেক্সটাইলের পরিবর্তে কম মানের ২.৫ এমএম ব্যবহার করে বিল উত্তোলনের চেষ্টা করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী প্রায় ৬ হাজার বস্তা বাতিল হলে সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীর ওপর চাপ ও হুমকির ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার যে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন—দেশবাসী তা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করেছে। কিন্তু কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির কিছু নেতার কর্মকাণ্ড সেই আদর্শের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে:
﴿وَيۡلٞ لِّلۡمُطَفِّفِينَ ١ ٱلَّذِينَ إِذَا ٱكۡتَالُواْ عَلَى ٱلنَّاسِ يَسۡتَوۡفُونَ ٢ وَإِذَا كَالُوهُمۡ أَو وَّزَنُوهُمۡ يُخۡسِرُونَ ٣﴾ [المطففين: ١، ٣]
“ধ্বংস তাদের জন্য যারা মাপে কম দেয়—যারা মানুষের কাছ থেকে মেপে নিলে পূর্ণ নেয়, আর যখন দেয় তখন কম দেয়।”— সূরা আল-মুতাফফিফীন (১–৩)
ইসলামে ওজনে বা পরিমাপে কম দেওয়া বড় গুনাহ। অন্যায় ও জুলুম কখনো স্থায়ী হয় না—একদিন তার বিচার হবেই।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, কুড়িগ্রামবাসী আজ আপনার ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় তাকিয়ে আছে। আমরা আশা করি, আপনি বিষয়টি তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করবেন এবং দুর্নীতি ও জুলুমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবেন।
আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন। আমিন।
— কুড়িগ্রাম জেলাবাসী
07/03/2026
''ইন্ডিয়ান মোস্তফাকে বয়কট করুন''
কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য ইদ্রিস আলী ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে নিজেকে বিএনপির রাজনীতি থেকে সরিয়ে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তার এই ঘোষণা ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
মূলতঃ ইন্ডিয়ান মোস্তফার নেতৃত্ব কেউ মানেনা। কমিটির অর্ধেকের বেশি সদস্য ইন্ডিয়ান মোস্তফার বিরুদ্ধে দলীয় চেয়ারম্যান এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। যথা শীঘ্রই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আসবে।
চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজির এক তান্ডব শুরু করেছে ইন্ডিয়ান মোস্তফা এবং তার কিছু সাঙ্গপাঙ্গ। সম্প্রতি দুই নম্বর জিও টেক্স এর বস্তা দিয়ে ওয়াপদার কাজ করতে গিয়ে ইন্ডিয়ান মোস্তফা ধরা খেয়েছে। কতৃপক্ষ তার ৬ হাজার বস্তা বাতিল করেছে। এই হলো ইন্ডিয়ান মোস্তফা। চোরের উপর সিনা চুরি।
ইদ্রিস আলীর মত সকলে প্রতিবাদ করুন। ইন্ডিয়ান মোস্তফাকে বয়কট করুন।
15/02/2026
''কুড়িগ্রাম-২ আসন সহ কুড়িগ্রাম জেলার ৪ টি আসনে বিএনপির ভূমিধ্বস পরাজয়ের কারণ''
স্থানীয় আওয়ামীলীগের দাবি কুড়িগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রাপ্ত ভোট ৫৩হাজার ২০৫টি তাদের নিজ দলীয় ভোট।
কুড়িগ্রাম জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার সূত্রে—
🗳 মোট ভোট পড়েছে: ৩,৯৪,০০২
🌸 শাপলা কলি: ১,৮০,৫২৬
🌾 ধানের শীষ: ১,৭১,৪০৫
🔹 অন্যান্য দল: বাকিটা
এদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দাবি করছে- তাদের ৩০% ভোট প্রায় ১,১৮,২০০ বিএনপিকে দেওয়া হয়েছে! তাদের হিসাব অনুযায়ী বিএনপির প্রকৃত ভোট মাত্র ৫৩,২০৫। বিএনপি প্রাথী সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ ধানের শীষে প্রাপ্ত ৫০ হাজারের অধিক ভোট আওয়ামী লীগ ও হিন্দু ভোটারগণ প্রদান করেছেন।
কুড়িগ্রামের চারটি সংসদীয় আসনে ধানের শীষ প্রতীকের কোনো প্রার্থীই জয়লাভ করতে পারেননি। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। অভিযোগ উঠেছে—দলীয় অভ্যন্তরীণ কোন্দল, নেতৃত্বের অদক্ষতা, গ্রুপিং, বিতর্কিত ব্যক্তিদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্তি এবং স্থানীয় সমন্বয়হীনতার কারণেই এমন ভরাডুবি হয়েছে।
দলীয় সূত্র ও প্রার্থীদের বক্তব্য অনুযায়ী, জেলা আহ্বায়ক ইন্ডিয়ান মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তোষ ছিল। নিজের বলয়ে কমিটি গঠন, বিতর্কিতদের পদায়ন এবং রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতার সংকট—এসব ইস্যু ভোটের সময় সামনে আসে। তার নাগরিকত্ব সংক্রান্ত একটি মামলা উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে—এমন আলোচনাও মাঠে প্রভাব ফেলেছে বলে দাবি তৃণমূলের ।
কুড়িগ্রাম-২ আসন সহ জেলার সবকটি আসনে ধানেরশীষ হেরে যাওয়ার মুখ্য কারণ মনে করা হচ্ছে - অযোগ্য অথর্ব জেলা বিএনপির কমিটি। এই কমিটির আহ্বায়ক ইন্ডিয়ান মোস্তফা ভারতীয় নাগরিক হওয়ায় সাধারণ ভোটারগণ ও বিএনপির প্রকৃত ভোটারগণ কর্তৃক ধানেরশীষ প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহবায়ক ইন্ডিয়ান মোস্তফা ও সদস্য সচিব সোহেল পরিকল্পিত ভাবে কুড়িগ্রাম-১ আসনে সাইফুর রহমানকে হারানোর জন্যে তার বিরুদ্ধপক্ষের লোকজনকে ডেকে ডেকে এনে কমিটি দিয়েছে নাগেশ্বরী উপজেলা। পৌর ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলা কমিটিতে। এই বিষয়টি কেন্দ্র থেকে জেলার সর্বত্র সকলই অবহিত।
কুড়িগ্রাম-৩ আসনে তাসভির উল ইসলাম ও আব্দুল খালেকের দ্বন্দকে জিইয়ে রাখা হয়েছিল প্রাথী তাসভির উল ইসলামকে পরাজিত করার জন্যে। কুড়িগ্রাম-৪ আসনে রৌমারীর কমিটি দেয়া হয়েছিল ১ কোটি টাকার বিনিময়ে চোর চোট্টাদের। যারা ছিল সমাজ বিবর্জিত। চিলমারীতে বিতর্কিত কমিটি দিয়ে হামলা মামলা বহিষ্কারের নাটক করা হয়েছিল।
সঙ্গতকারণে কুড়িগ্রামের ৪ টি আসনই বিএনপির হাতছাড়া হয়েছে।
করণীয়ঃ বিতর্কিত এই জেলা কমিটি আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত করা ছাড়া কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপিকে রক্ষা করা অসম্ভব। এখুনি কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির কমিটিকে বাতিল করার জন্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রতি দাবি জানানো হলো।
11/02/2026
''কুড়িগ্রামে ভারত বিরোধী সেন্টিমেন্টের কারণে ধানের শীষের বিপক্ষে ব্যালট বিপ্লব ঘটতে যাচ্ছে''
ভোটারদের নীরব সিদ্ধান্ত একটি জটিল সমীকরণ। কুড়িগ্রাম-২,সদর আসনে ভারত বিরোধী সেন্টিমেন্ট এত তীব্র আকার ধারণ করবে তা ছিল কল্পনাতীত। ইন্ডিয়ান মোস্তফাকে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহবায়ক করার কারণে জনরোষ, জন বিক্ষোভ ধানের শীষের বিপক্ষে ব্যালট বিপ্লব ঘটাতে যাচ্ছে।
ইন্ডিয়ান মোস্তফা ইস্যুতে কুড়িগ্রাম-৩ ও কুড়িগ্রাম-৪ আসনেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করছে। শুধুমাত্র কুড়িগ্রাম-১ আসনের প্রার্থী সাইফুর রহমান রানা ভালো অবস্থানে আছে শুধু সে প্রচন্ড ইন্ডিয়ান মোস্তফা বিরোধী বলে।
১ মন দুধে ১ ফোটা চনা সব দুধ নষ্ট করার জন্যে যথেষ্ঠ। তেমনি এক ইন্ডিয়ান মোস্তফার কারণে আজ কুড়িগ্রাম জেলায় ধানের শীষ বিরোধী সেন্টিমেন্ট তীব্রতর হয়েছে।
08/02/2026
''কুড়িগ্রাম-২, সদর আসনে বিএনপির নেতাকর্মীরা যে কারণে ধানের শীষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে''
কুড়িগ্রাম-২ আসনে বিএনপির নেতাকর্মীরা ধানের শীষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। তাদের চাপাক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটা শুরু করেছে। এর ফলে শা শা গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে শাপলা কলি ও লাঙ্গল প্রতীক। বিশেষ করে আওয়ামী ভোটার এবং হিন্দু ভোটারগণ লাঙ্গলকে বেছে নিচ্ছে।
সবচেয়ে বেশি অঘটন শুরু করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারা এখন ব্যাক গিয়ার মারা শুরু করেছে। এত দিন দল করার অজুহাতে মিছিল মিটিংগে থাকলেও ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে তারা ধানের শীষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। যে সকল কারণে তাদের এই সিদ্ধান্ত সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে জানা গেছে। কারণ সমূহঃ
১. ভারতীয় নাগরিক ইন্ডিয়ান মোস্তফার সংগে জোগ সাজস ও কেন্দ্রে টাকা দিয়ে বিএনপি প্রার্থী সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হয়েছে। এই কমিটি গঠন থেকেই বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা কর্মী চরম ভাবে ক্ষুব্ধ। তখন থেকেই সোহেলের নির্বাচনে প্রার্থিতার বিষয়ে তারা নেতিবাচক অবস্থান গ্রহণ করছে।
২.সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের রাজনীতির শুরুটাই বেঈমানী দিয়ে শুরু হয়েছে। সকলের সাথেই তার বেইমানির কাহিনী বিদ্যমান। বিশেষ করে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রানার আনুকূল্য নিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে অবস্থান সৃষ্টি করে সেই সাইফুর রহমান রানার সাথে বেইমানি ও গ্ৰুপিং করেছে সোহেল।রানা গ্ৰুপের কোনভাবেই সোহেলকে মেনে নিতে পারছেনা।
৩. টেন্ডারবাজির নামে স্বার্থ হাসিলে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ বরাবরই নিজের বাইরে কারো জন্যে কিছু করেনি। বিশেষ করে হাসিনা পতনের পর তার টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, ধান্দাবাজির বিষয়টি ওপেন সিক্রেট। এই কারণে দলের নেতাকর্মীদের মাঝে সোহেলের বিষয়ে মারাত্বক নেগেটিভ ধারণা বিদ্যমান।
৪. সোহেলের পিতা ভারত থেকে আগত একজন সেটেলার। আবার মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ছিলেন শান্তি কমিটির অন্যতম সদস্য। একদিকে স্বাধীনতা বিরোধী আবার ইন্ডিয়া থেকে আগমননের কারণে প্রো-ইন্ডিয়ান হিসাবে ধানের শীষের প্রার্থী সোহেলের বিষয়ে কুড়িগ্রামের ভোটারগণের নেতিবাচক ধারণা প্রবল।
৫. এছাড়াও হাসপাতাল পাড়ায় সরকারের জমি বেদখল করে দোকানপাট করা, হাসপাতালের রোগীদের দালালদের মাধ্যমে ভাগিয়ে এনে তার ক্লিনিকে চিকিৎসার নামে সর্বশান্ত করা, হাসপাতালের টেন্ডারে সিন্ডিকেট করে লুটপাট করার বিষয়টি খুব খারাপ ভাবে গ্রহণ করেছে বিএনপির নেতা কর্মী সহ কুড়িগ্রাম-২ আসনের ভোটারগণ।
এ কারণে সকলে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। সঙ্গতকারণে এই আসনে বিএনপির মারাত্বক ফলাফল বিপর্যয় ঘটবে বলে সকলে মনে করেন।
28/01/2026
❝ইন্ডিয়ান মোস্তফা ও তার পরিবার ঘিরে বিতর্ক, কুড়িগ্রামের চার আসনে জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে শঙ্কা❞
কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির নেতৃত্বকে ঘিরে নাগরিকত্ব ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা সংক্রান্ত অভিযোগ ওঠায় দলটির তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাব আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার চারটি সংসদীয় আসনেই পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
দলীয় একাধিক সূত্র ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ওরফে ‘ইন্ডিয়ান মোস্তফা’র পরিবার আওয়ামীপন্থী রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মেয়ে ডা. শামান্তা রীমা আওয়ামীপন্থী স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের একজন নেত্রী এবং তার জামাতা ডা. আরীফ (বর্তমানে বরখাস্ত) একই সংগঠনের কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এদিকে মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হওয়া নিয়েও দলটির ভেতরে তীব্র প্রতিক্রিয়া চলছে। দলীয় নেতাকর্মীদের একটি অংশের দাবি, একজন প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় নেতাকে বিপুল অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে এই পদ বাগিয়ে নেওয়া হয়েছে—যা বিএনপির আদর্শ ও ত্যাগের রাজনীতির পরিপন্থী।
এসব অভিযোগ ও বিতর্কের কারণে তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় ঐক্যে ফাটল দেখা দিয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। অনেক নেতাকর্মী প্রকাশ্যে অসন্তোষ জানালেও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নেতৃত্ব নিয়ে এই বিতর্ক ও আস্থার সংকট অব্যাহত থাকলে কুড়িগ্রামের চারটি সংসদীয় আসনেই বিএনপির জয়ের সম্ভাবনা বিলীন হয়ে পড়তে পারে।
25/01/2026
কুড়িগ্রাম-২ আসনে ইন্ডিয়ান মোস্তফা ধানের শীষের জন্যে একটা ভোট চাইলে ১০ টা ভোট মাইনাস হয়ে যায়। এই সহজ হিসাব যদি প্রার্থী না বুঝে তাহলে তার কপালে দুর্ভোগ আছে।
ইন্ডিয়ান মোস্তফাকে কোঁচবিহারের খুবিরের কুঠিতে পাঠিয়ে দেয়া হোক- ধানের শীষের বিজয় অনিবার্য।
আর যাই হোক- কোন ভারতীয়র কথায় এদেশের মানুষ ভোট দিবেনা। এটা জয় শ্রীরাম-বন্দে মাতরমের দেশ নয়।
23/01/2026
ভারতে অনুষ্ঠিত আইসিসি বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করবেনা বাংলাদেশ। ভারত বর্জনে সাহসী পদক্ষেপ এটি।
অথচ কুড়িগ্রাম-২ আসনে ধানের শীষের জন্যে ভোট প্রার্থনা করছে ভারতীয় নাগরিক ইন্ডিয়ান মোস্তফা। এখন বলেন, কুড়িগ্রামের ভোটারগন কি করবে? ভারতকে চুমা দিবে?
অপেক্ষা করুন- ভারত বর্জন কাহাকে বলে এবং কত প্রকার কুড়িগ্রামবাসী দেখিয়ে দিবে ১২ ফেব্রুয়ারিতে। ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে ইন্ডিয়ান মোস্তফার ভুয়া নাগরিকত্বের বিরুদ্ধে দেয়া হবে এক কঠিন জবাব।
19/01/2026
''নির্ভেজাল, নিস্কন্টক ব্যক্তি নির্বাচিত হোক কুড়িগ্রাম-২ আসনের এমপি পদে''
কুড়িগ্রাম-২, সদর আসনে যে সকল প্রার্থীগণ এমপি ইলেকশন করতে যাচ্ছেন দয়া করে তাদের আমলনামাটা একটু যাচাই করবেন।
* ভোট দিবেন না তাদেরকে -যারা টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে লিপ্ত ছিল।
** ভোট দিবেন না যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতায় আছে মিথ্যাচার অথবা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেনা ডিগ্রী।
*** সরকারের জমি যারা অবৈধ ভোগ দখল করছে - তাদেরকে কোনভাবেই ভোট দিবেন না।
ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে আপনাদের সুচিন্তিত মতামত হতে পারে সৎ,যোগ্য,মেধাবী, পরিশ্রমী এবং অভিজ্ঞ প্রার্থীদের পক্ষে।
কুড়িগ্রাম সদর আসনের এমপি নির্বাচনে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে আপনাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন। এবারের নির্বাচন অন্ধ দলবাজি আর মার্কার উপরে নির্ভর করবেনা। এমপি হবে আমলনামার ভিত্তিতে। ধন্যবাদ সকলকে।