13/03/2026
“চোরে খায় কলা, চোরের মায়ের বড় গলা” - কুড়িগ্রামে টেন্ডার সিন্ডিকেটের নতুন নাটক
গতকাল দেশের শীর্ষস্থানীয় পত্রিকা দৈনিক ইনকিলাব, প্রতিদিনের বাংলাদেশসহ অসংখ্য অনলাইন নিউজ পোর্টালে কুড়িগ্রামের একটি আলোচিত টেন্ডার কেলেঙ্কারির খবর প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের কারণে প্রায় ৬ হাজার জিও ব্যাগ বাতিল হওয়ার তথ্য উঠে এসেছে।
এই সংবাদ প্রকাশের পরই কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইন্ডিয়ান মোস্তফা এবং সদস্য সচিব সোহেল বিএনপির প্যাড ব্যবহার করে একটি তথাকথিত প্রতিবাদ লিপি দিয়েছেন।
কিন্তু প্রশ্ন হলো—যদি অভিযোগ মিথ্যা হয়, তাহলে এত তড়িঘড়ি করে দলীয় প্যাডে প্রতিবাদ কেন? কথায় আছে—“চোরে খায় কলা, চোরের মায়ের বড় গলা।”রমজানের পবিত্র মাসেও মিথ্যার গলাবাজি থামছে না।
অভিযোগ রয়েছে, পিপিআর অনুযায়ী কুড়িগ্রামের স্থানীয় মাত্র ২/১ জন ঠিকাদার ছাড়া অন্য কেউ বড় কাজ পাওয়ার যোগ্যতা রাখে না। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, মোস্তফা-সোহেল সিন্ডিকেট বিভিন্ন লাইসেন্সের আড়ালে কাজ নিয়ন্ত্রণ করছে।
বিশেষ করে ইউনুস এন্ড ব্রাদার্সসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ব্যবহার করে তারা ওয়াপদা,এলজিইডি,সড়ক ও জনপথ বিভাগ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সহ বিভিন্ন প্রকৌশল দপ্তরে কোটি কোটি টাকার কাজ নিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি—শুধু ওয়াপদাতেই প্রায় ২০ কোটি টাকার কাজ এই সিন্ডিকেটের হাতে গেছে।
এদিকে চট্টগ্রামের ইউনুস এন্ড ব্রাদার্স প্রতিষ্ঠানের মালিক ইউনুস আলীর ছেলে ডিএমডি ইঞ্জিনিয়ার ইমরান পূর্বেও কয়েক দফায় জানিয়েছেন—মোস্তফা ও সোহেল কুড়িগ্রামে তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ করে। বিভিন্ন কাজে তারা ২–৩% থেকে শুরু করে লাভজনক প্রকল্পে প্রায় ৫% পর্যন্ত লাইসেন্স ভাড়া নেয়। এই বিষয়টি কুড়িগ্রামের অনেক ঠিকাদার এবং প্রকৌশল দপ্তরের কাছেও ওপেন সিক্রেট।
তবুও এখন তারা বিএনপির প্যাড ব্যবহার করে নিজেদের রক্ষা করার চেষ্টা করছে। কিন্তু এবার সেই চেষ্টা বুমেরাং হয়ে গেছে। তাদের প্রতিবাদ লিপির কপি, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের তথ্য এবং সম্পৃক্ততার বিভিন্ন প্রমাণ ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে।
কথায় আছে—“শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় না।” তেমনি প্রতিবাদ আর গলাবাজি দিয়ে সত্যকে ঢেকে রাখা যায় না। তাই কুড়িগ্রাম জেলাবাসীর প্রতি অনুরোধ—এই টেন্ডারবাজ সিন্ডিকেটের বিভ্রান্তিকর বক্তব্যে কান দেবেন না।
কারণ এখন ডিজিটাল যুগ। সত্য লুকিয়ে রাখা যায় না। অপেক্ষা করুন—সময়ই সব প্রকাশ করবে।
13/03/2026
কুড়িগ্রাম জেলাবাসীকে রক্ষার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট আবেদন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে এখন আপনার দৃঢ় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় এসেছে। ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পর থেকেই নানা অভিযোগ ও বিতর্ক সামনে আসছে।
জেলাবাসীর অভিযোগ—সত্য গোপন করে, ভুল তথ্য দিয়ে এবং বিপুল অর্থের বিনিময়ে এই কমিটি গঠিত হয়েছে। শুধু টাকার বিনিময়ে মোস্তফাফিজার রহমান ওরফে ইন্ডিয়ান মোস্তফাকে আহ্বায়ক করা হয়েছে বলে নানা মহলে আলোচনা চলছে। এর ফলে জেলা বিএনপির ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পরবর্তীতে অভিযোগ ওঠে—চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, বালুবাজি এবং পদ বাণিজ্যের মাধ্যমে সেই অর্থ আদায়ের তৎপরতা শুরু হয়েছে। এর প্রতিক্রিয়া কুড়িগ্রামের মানুষ সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেখিয়েছে—জেলার চারটি আসনের একটিতেও ধানের শীষ বিজয়ী হতে পারেনি।
অভিযোগ রয়েছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি টেন্ডারে ৩ এমএম পুরুত্বের জিও টেক্সটাইলের পরিবর্তে কম মানের ২.৫ এমএম ব্যবহার করে বিল উত্তোলনের চেষ্টা করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী প্রায় ৬ হাজার বস্তা বাতিল হলে সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীর ওপর চাপ ও হুমকির ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার যে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন—দেশবাসী তা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করেছে। কিন্তু কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির কিছু নেতার কর্মকাণ্ড সেই আদর্শের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে:
﴿وَيۡلٞ لِّلۡمُطَفِّفِينَ ١ ٱلَّذِينَ إِذَا ٱكۡتَالُواْ عَلَى ٱلنَّاسِ يَسۡتَوۡفُونَ ٢ وَإِذَا كَالُوهُمۡ أَو وَّزَنُوهُمۡ يُخۡسِرُونَ ٣﴾ [المطففين: ١، ٣]
“ধ্বংস তাদের জন্য যারা মাপে কম দেয়—যারা মানুষের কাছ থেকে মেপে নিলে পূর্ণ নেয়, আর যখন দেয় তখন কম দেয়।”— সূরা আল-মুতাফফিফীন (১–৩)
ইসলামে ওজনে বা পরিমাপে কম দেওয়া বড় গুনাহ। অন্যায় ও জুলুম কখনো স্থায়ী হয় না—একদিন তার বিচার হবেই।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, কুড়িগ্রামবাসী আজ আপনার ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় তাকিয়ে আছে। আমরা আশা করি, আপনি বিষয়টি তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করবেন এবং দুর্নীতি ও জুলুমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবেন।
আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন। আমিন।
— কুড়িগ্রাম জেলাবাসী
13/03/2026
ইন্ডিয়ান মোস্তফা পারেনা এমন কোন আকাম নেই। আপন ছোটভাই মিজানুরকে দিয়ে হাসপাতালে গরিব দুখী অসহায় দুস্থ রোগীর পথ্যতেও লুটপাট করাচ্ছে এই লুটেরা গংরা।
আল্লাহর গজব নাযিল হোক এই পাষন্ডদের উপর।
10/02/2026
''কুড়িগ্রাম-২, সদর আসনে বিএনপির নেতাকর্মীরা যে কারণে ধানের শীষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে''
কুড়িগ্রাম-২ আসনে বিএনপির নেতাকর্মীরা ধানের শীষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। তাদের চাপাক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটা শুরু করেছে। এর ফলে শা শা গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে শাপলা কলি ও লাঙ্গল প্রতীক। বিশেষ করে আওয়ামী ভোটার এবং হিন্দু ভোটারগণ লাঙ্গলকে বেছে নিচ্ছে।
সবচেয়ে বেশি অঘটন শুরু করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারা এখন ব্যাক গিয়ার মারা শুরু করেছে। এত দিন দল করার অজুহাতে মিছিল মিটিংগে থাকলেও ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে তারা ধানের শীষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। যে সকল কারণে তাদের এই সিদ্ধান্ত সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে জানা গেছে। কারণ সমূহঃ
১. ভারতীয় নাগরিক ইন্ডিয়ান মোস্তফার সংগে জোগ সাজস ও কেন্দ্রে টাকা দিয়ে বিএনপি প্রার্থী সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হয়েছে। এই কমিটি গঠন থেকেই বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা কর্মী চরম ভাবে ক্ষুব্ধ। তখন থেকেই সোহেলের নির্বাচনে প্রার্থিতার বিষয়ে তারা নেতিবাচক অবস্থান গ্রহণ করছে।
২.সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের রাজনীতির শুরুটাই বেঈমানী দিয়ে শুরু হয়েছে। সকলের সাথেই তার বেইমানির কাহিনী বিদ্যমান। বিশেষ করে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রানার আনুকূল্য নিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে অবস্থান সৃষ্টি করে সেই সাইফুর রহমান রানার সাথে বেইমানি ও গ্ৰুপিং করেছে সোহেল।রানা গ্ৰুপের কোনভাবেই সোহেলকে মেনে নিতে পারছেনা।
৩. টেন্ডারবাজির নামে স্বার্থ হাসিলে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ বরাবরই নিজের বাইরে কারো জন্যে কিছু করেনি। বিশেষ করে হাসিনা পতনের পর তার টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, ধান্দাবাজির বিষয়টি ওপেন সিক্রেট। এই কারণে দলের নেতাকর্মীদের মাঝে সোহেলের বিষয়ে মারাত্বক নেগেটিভ ধারণা বিদ্যমান।
৪. সোহেলের পিতা ভারত থেকে আগত একজন সেটেলার। আবার মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ছিলেন শান্তি কমিটির অন্যতম সদস্য। একদিকে স্বাধীনতা বিরোধী আবার ইন্ডিয়া থেকে আগমননের কারণে প্রো-ইন্ডিয়ান হিসাবে ধানের শীষের প্রার্থী সোহেলের বিষয়ে কুড়িগ্রামের ভোটারগণের নেতিবাচক ধারণা প্রবল।
৫. এছাড়াও হাসপাতাল পাড়ায় সরকারের জমি বেদখল করে দোকানপাট করা, হাসপাতালের রোগীদের দালালদের মাধ্যমে ভাগিয়ে এনে তার ক্লিনিকে চিকিৎসার নামে সর্বশান্ত করা, হাসপাতালের টেন্ডারে সিন্ডিকেট করে লুটপাট করার বিষয়টি খুব খারাপ ভাবে গ্রহণ করেছে বিএনপির নেতা কর্মী সহ কুড়িগ্রাম-২ আসনের ভোটারগণ।
এ কারণে সকলে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। সঙ্গতকারণে এই আসনে বিএনপির মারাত্বক ফলাফল বিপর্যয় ঘটবে বলে সকলে মনে করেন।
28/01/2026
❝ইন্ডিয়ান মোস্তফা ও তার পরিবার ঘিরে বিতর্ক, কুড়িগ্রামের চার আসনে জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে শঙ্কা❞
কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির নেতৃত্বকে ঘিরে নাগরিকত্ব ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা সংক্রান্ত অভিযোগ ওঠায় দলটির তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাব আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার চারটি সংসদীয় আসনেই পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
দলীয় একাধিক সূত্র ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ওরফে ‘ইন্ডিয়ান মোস্তফা’র পরিবার আওয়ামীপন্থী রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মেয়ে ডা. শামান্তা রীমা আওয়ামীপন্থী স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের একজন নেত্রী এবং তার জামাতা ডা. আরীফ (বর্তমানে বরখাস্ত) একই সংগঠনের কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এদিকে মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হওয়া নিয়েও দলটির ভেতরে তীব্র প্রতিক্রিয়া চলছে। দলীয় নেতাকর্মীদের একটি অংশের দাবি, একজন প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় নেতাকে বিপুল অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে এই পদ বাগিয়ে নেওয়া হয়েছে—যা বিএনপির আদর্শ ও ত্যাগের রাজনীতির পরিপন্থী।
এসব অভিযোগ ও বিতর্কের কারণে তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় ঐক্যে ফাটল দেখা দিয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। অনেক নেতাকর্মী প্রকাশ্যে অসন্তোষ জানালেও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নেতৃত্ব নিয়ে এই বিতর্ক ও আস্থার সংকট অব্যাহত থাকলে কুড়িগ্রামের চারটি সংসদীয় আসনেই বিএনপির জয়ের সম্ভাবনা বিলীন হয়ে পড়তে পারে।
15/01/2026
আমরা সবাই জালাল হবো -ইন্ডিয়ান মোস্তফাকে ভারতে পুশব্যাক করাবো
কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের ''জালাল'' একজন বিএনপির নিবেদিত প্রাণ। দল করতে যেয়ে দীর্ঘ ১ যুগ স্বপরিবারে সে ছিল দেশান্তরী। নির্বাসিত জীবন যাপন করেছে ভারতের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে।
গতকাল ১৪.০১.২০২৬ তারিখে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহবায়ক ইন্ডিয়ান মোস্তফা বড়ভিটায় জালালকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে। জালালের অপরাধ - ইন্ডিয়ান মোস্তফার অধীনে সে রাজনীতি করবে না।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। এর প্রভাব অবশ্যই নির্বাচনে পড়বে। দলের হাই কমান্ডার উচিত ইন্ডিয়ান মোস্তফাকে বিএনপি থেকে বের করে দেয়া। দল বাঁচলে দেশ বাঁচবে।
জালালের প্রতি অশেষ শুভেচ্ছা।