Da'waah Circle Noakhali govt. College

Da'waah Circle Noakhali govt. College

Share

দাওয়াহ সার্কেল নোয়াখালী সরকারি কলেজ একটি অ-রাজনৈতিক ইসলামিক দাওয়াহ সংগঠন। যেটি ২০২৫ সালে তার যাত্রা শুরু করে নোয়াখালী সরকারি কলেজের প্রাঙ্গন থেকে।

25/06/2026

ইসলামি জ্ঞান অর্জনের সুবর্ণ সুযোগ!

​প্রিয় সহপাঠী ও দ্বীনি ভাইরা, আসসালামু আলাইকুম।

​আপনারা যারা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি ইসলাম সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন করতে চান, তাদের জন্য নিয়ে এসেছি বিশেষ এক সুযোগ। "আস-সুন্নাহ দাওয়াহ অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট"-এর অধীনে ৬ মাস মেয়াদী 'সার্টিফিকেট কোর্স ইন ইসলামিক স্টাডিজ' (৩য় ব্যাচ)-এ ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

​কেন এই কোর্সটি করবেন?

কোর্সটিতে মূল কোর্স হিসেবে আরবি ভাষা, তাজবীদ, আকীদা, রাসূল (সা.)-এর সিরাত ও ইসলামি দাওয়াহর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেখানো হবে। পাশাপাশি শর্ট কোর্সে সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ, যেমন—সেক্যুলারিজম, নাস্তিক্যবাদ, ইসলামে নারীর অধিকার ও জেন্ডার ফিতনাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনার সুযোগ রয়েছে।

​কোর্সটির বিশেষত্ব:

​১০০% স্কলারশিপ: টিউশন ফি, থাকা এবং খাওয়ার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ফ্রি!

​ভবিষ্যৎ সুযোগ: এই কোর্স সফলভাবে শেষ করলে পরবর্তী ২ বছর মেয়াদী 'পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ' কোর্সে ভর্তির বিশেষ সুযোগ এবং আর্থিক বৃত্তির ব্যবস্থা রয়েছে।

​দক্ষতা উন্নয়ন: বিজ্ঞ স্কলারদের সাথে ফিল্ডওয়ার্ক ও গবেষণার সুযোগ।

​ভর্তির যোগ্যতা:

​যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ থেকে স্নাতক বা সমমান ডিগ্রীধারী শিক্ষার্থী।

​সিজিপিএ (CGPA): ন্যূনতম ২.৫

​বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

​শুধুমাত্র পুরুষদের জন্য।

​গুরুত্বপূর্ণ তারিখসমূহ:

​আবেদনের শেষ সময়: ৭ জুলাই ২০২৬

​লিখিত পরীক্ষা: ১১ জুলাই ২০২৬

​বিস্তারিত জানতে এবং আবেদন করতে সংযুক্ত ছবিটিতে থাকা কিউআর কোড (QR Code) স্ক্যান করুন অথবা সরাসরি গুগল ফর্ম পূরণ করুন।

​নিজের ক্যারিয়ারের পাশাপাশি ইসলামি জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করতে আজই আবেদন করুন।

25/06/2026
23/06/2026

আমি যা চাই রবের কাছে, তা পেলে আলহামদুলিল্লাহ। আর না পেলে আলহামদুলিল্লাহ, ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ।

যেখানে প্রত্যশা বেশি, সেখানে-ই হতাশা। প্রত্যশা শুধুই রবের কাছে। রবের কাছে চেয়ে মুমিন কখন হতাশ হয় না। নিশ্চয়ই আমার রব আমার ভ্যবিষৎ জানেন। আমি রবের কাছে শুধু কল্যাণ কামনা করছি। সমস্ত অকল্যান থেকে আশ্রয় চাই, যদিও তা আমার সবচাইতে প্রিয় হয়। হে আমার রব! আপনি যখন আমাকে পরীক্ষা করবেন! তখন আমাকে ধৈর্যশীল রাখিয়েন। তখন আমাকে তোমার সিদ্ধান্তের ওপর সন্তুষ্টি রাখিয়েন। আমার গুনাহ সমূহ ক্ষমা করিয়েন। আর আমাকে এর বিনিময়ে দুনিয়াতে ঈমান হেফাজত করিয়েন। আখিরাতে শুধু জান্নাতুল ফেরদৌস দিয়েন। রব! আপনি আমার শেষ আশ্রয়স্থল। আপনি ছাড়া আমার জন্য উত্তম কোন বন্ধু নেই। আমি আপনার বান্দা। আপনি আমার এক মাত্র রব। আমি ছাড়া আপনার আরও অনেক বান্দা আছে, হে রব! তুমি ছাড়া আমার কেউ নেই। আমাকে বিপদে ধৈর্য্য দিন। দুনিয়া ও আখিরাত আমার অভিভাবকত্ব গ্রহণ করুন। আমাকে আমার উপর ছেড়ে দিয়েন না। নিশ্চয়ই আপনিই আমার বন্ধু ❤️


দুই বার আলহামদুলিল্লাহ বলার কারণ হলো। এটা আমার রবের পরিকল্পনা ছিলো। নিশ্চয়ই আমার রব আমার জন্য উত্তম কিছু রেখেছেন।

হে আমার রব! আমি যা চাই , তা যদি অকল্যাণকর হয় হবে আপনার কাছে আশ্রয় চাই । নিশ্চয়ই আপনি আমার জন্য একমাত্র হিতাকাঙ্ক্ষী। আপনি আমাকে হেফাজত করুন যেভাবে আপনি আপনার মুসা, ইউসুফ, ইব্রাহিম কে হেফাজত করেছেন। হে আমার মহান রব! আমি আপনার সমস্ত পরীক্ষায় ও বিপদে আপনার প্রতি সন্তুষ্ট। আলহামদুলিল্লাহ ❤️

... রহমানের বান্দা রহমান

23/06/2026

স্বাচ্ছন্দ ও কাঠিন্য উভয় অবস্থায় আল্লাহর তকদীরের প্রতি সন্তুষ্ট থাকো। এতে তোমার অস্থিরতা কমবে এবং আখিরাতের জন্য লাভজনক হবে। জেনে রাখো, বান্দা ততক্ষণ সত্যিকারের সন্তুষ্টি লাভ করতে পারবে না, যতক্ষণ না তার দরিদ্র অবস্থার সন্তুষ্টি সচ্ছলতার অবস্থার সন্তুষ্টির সমান হচ্ছে। আল্লাহর ইচ্ছেকে নিজের কামনা-বাসনার বিপরীতে দেখতে পেয়ে কি করে তুমি অসন্তুষ্ট হতে পারো...? অথচ তুমি আল্লাহকে তোমার অবস্থার দেখভাল করার অনুরোধ করেছ! এমনটা হতে পারে যে, তোমার ইচ্ছামত সব কিছু হলে তুমি ধ্বংস হয়ে যেতে। অথচ আল্লাহর নির্ধারিত বিষয় তোমার ইচ্ছের সাথে মিললে তুমি খুশি হয়ে উঠো। উভয় অবস্থার কারণ হলো গায়েবের ব্যাপারে তোমার নিত্যান্ত অজ্ঞতা। এই অবস্থা নিয়ে বিচার দিবসে যাওয়ার সাহস হয় কি করে...! তুমি নিজের প্রতি সদ্ব্যবহার করনি, সন্তুষ্টির সঠিক মাত্রায়ও পৌঁছাতে পারোনি।

ইবনে আওন রাহিমাহুল্লাহ

22/06/2026

ইমাম ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেছেন:
*"في الدنيا جنة من لم يدخلها لم يدخل جنة الآخرة"*
*"দুনিয়াতে একটি জান্নাত আছে। যে ব্যক্তি সেই জান্নাতে প্রবেশ করবে না, সে আখিরাতের জান্নাতেও প্রবেশ করবে না।"*

তাকে জিজ্ঞেস করা হলো: "সেই জান্নাত কোনটি?"
তিনি বললেন: *"জান্নাতুল মা'রিফাহ - আল্লাহর পরিচয়, তাঁর যিকির, তাঁর ভালোবাসা, তাঁর কাছে ফিরে যাওয়ার মিষ্টতা। অন্তরের প্রশান্তি।"*

[মাদারিজুস সালিকীন 1/454, ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রহ.]

20/06/2026

তাকওয়ার দ্বারাই আসে বিপদ মুক্তি,
আসে বিজয়, বাড়ে আশার শক্তি।
তাকওয়া থাকলে বের করে দেবেন পথ,
বান্দার প্রতি এটিই আল্লাহর শপথ।
-- সালাফদের বাণী

20/06/2026

*নবী ﷺ-কে আশুরার রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন:*

> “আমি আশা করি, এটি পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহের কাফফারা হবে।”

*— সহীহ মুসলিম (১১৬২)*

*নবী ﷺ বলেছেন:*

> “যে ইচ্ছা করে, সে আশুরার দিনে রোজা রাখুক।”

*— সহীহ বুখারী (২০০০)*

20/06/2026

ইতিহাস সাক্ষী — যৌবন কেবল ভোগের জন্য নয়, এই বয়স পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষার

বদর প্রান্তরে সেদিন দুজন কিশোর এগিয়ে গিয়েছিল। মু'আয ইবন আমর আর মু'আউইয ইবন আফরা — বয়স চৌদ্দ থেকে ষোলো। ইসলামের চিরশত্রু আবু জাহিলকে ধরাশায়ী করেছিলেন এই দুই কিশোর। আজকের পৃথিবীতে এই বয়সের ছেলেকে আমরা "শিশু" বলে একা কোথাও পাঠাই না। অথচ ইতিহাস তাদের নাম লিখে রেখেছে সোনার হরফে।

আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস, আব্দুল্লাহ বিন উমর, উসামা বিন যায়দ — এঁরা যুদ্ধে যাওয়ার জন্য কাকুতি-মিনতি করতেন, কারণ বয়স তখনও কম। সেই একই বয়সের ছেলেরা আজ একা বাজারে যেতে পারে না — পরিবার বলে, "এখনও ছোট।"

মক্কা বিজয়ের পর মাত্র ২১ বছর বয়সে একটি মহানগরীর গভর্নর হয়েছিলেন ইতাব বিন উসায়দ। আর আমাদের ২১ বছরের তরুণ? ভোরবেলা প্রিয় দলের খেলা দেখতে ঘুম ছেড়ে উঠতে পারে, কিন্তু দায়িত্বের কথা এলে উধাও।

মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন হিসেবে আবু মাহজুরা রাদিআল্লাহু আনহু-কে নিয়োগ দিয়েছিলেন স্বয়ং রাসূল ﷺ — তখন তাঁর বয়স মাত্র ষোলো। আজকের ষোলো বছরের তরুণ মসজিদে না গিয়ে বরং কয়েক কিলোমিটার লম্বা পতাকা বানানোর প্রকল্পে বাবার কাছ থেকে টাকা চাইছে।

যায়দ বিন সাবেত — তেরো-চৌদ্দ বছর বয়সে উহুদে যেতে পারেননি, বয়স কম বলে। কিন্তু তাঁর মেধা দেখে নবী ﷺ তাঁকে দায়িত্ব দিলেন ওহী লেখার এবং হিব্রু ও সুরিয়ানি ভাষা শেখার — যা তিনি মাত্র কয়েক সপ্তাহেই আয়ত্ত করলেন। বিনোদনের ভিড়ে আজকের তরুণ যখন নিজের মাতৃভাষাটুকুও শুদ্ধ করে লিখতে পারে না, তখন যায়দ ছিলেন ইসলামের সর্বোচ্চ বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিনিধি।

মাত্র ২১ বছর বয়সে সুলতান মুহাম্মদ আল-ফাতেহ সেই কনস্টান্টিনোপলের প্রাচীর ভেঙেছিলেন — যে প্রাচীর শতাব্দীর পর শতাব্দী অজেয় ছিল। রাসূল ﷺ যে বিজয়ের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, তা বাস্তবে পরিণত করেছিলেন একজন একুশ বছরের যুবক। আর আমাদের একুশ বছর বয়সীরা হাস্যরসের রিলস বানিয়ে ভাইরাল হওয়ার স্বপ্নে বিভোর।

তারেক বিন যিয়াদ স্পেনের মাটিতে পা রেখে নিজের জাহাজ পুড়িয়ে দিয়েছিলেন — পিছু হটার পথ নিজেই বন্ধ করে দিয়েছিলেন। সেই সিদ্ধান্ত বদলে দিয়েছিল ইউরোপের ইতিহাস। আর আমরা? নিজেরাই বদলে যাচ্ছি — তবে উল্টো দিকে।

মুহাম্মদ বিন কাসিম মাত্র ১৭ বছর বয়সে সিন্ধু ও মুলতান জয় করে ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। সেই বয়সে আজকের একটি ছেলে ক্যারিয়ারের ভাবনায় দিশেহারা অথবা গেমসের লেভেল পার করতে ব্যস্ত।

এই ইতিহাস নতুন নয়। আমরা সবাই জানি। কিন্তু জানা আর অনুভব করা এক কথা নয়। আমরা এই ইতিহাসকে কেবল গর্বের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করি — বাস্তব জীবনের অনুপ্রেরণা হিসেবে নয়।

ব্যর্থতা, আত্মতুষ্টি, আর স্বার্থপরতার এক অদৃশ্য জাল আমাদের চারদিকে বিছানো। আমরা নিজেরাও টের পাচ্ছি — তবু নড়ছি না। সুখের সংজ্ঞা পাল্টে গেছে আমাদের। জয়ের মানদণ্ড পাল্টে গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে যেটা বিজয়, সেটাই আজ আমাদের কাছে "বাড়াবাড়ি।"

অথচ আমাদের পূর্বসূরিদের মাত্র অর্ধেক চেতনা যদি আমাদের মধ্যে থাকত — শুধু অর্ধেক — তাহলে বাংলাদেশ হতে পারত আমাদের আকাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ। কিন্তু বাস্তবতা কী? বাংলাদেশ আজ এমন একটি রাষ্ট্র যার কোনো কৌশলগত মিত্র নেই। আজ যদি কোনো বাহ্যিক আক্রমণ আসে, এমন কোনো দেশ নেই যার সাথে আমাদের সামরিক চুক্তি রয়েছে — যে নিঃশর্তে এগিয়ে আসবে। কোনো পরাশক্তি হয়তো বিশেষ শর্তে পাশে দাঁড়াতে পারে, কিন্তু সেটা সাহায্য নয়, সেটা দরকষাকষি। এই ভঙ্গুর বাস্তবতার মাঝে আমরা কি সত্যিই সচেতন? আমাদের নৈতিক অবস্থান, আমাদের দাওয়াহ, আমাদের প্রস্তুতি — কোনোটাই কি যথার্থ আছে? নাকি আমরা এখনও এক অদ্ভুত ঘোরে ঘুমিয়ে আছি — ভাবছি, "বয়স হলে করা যাবে, একটু গুছিয়ে নিই আগে"? এ আর কিছু নয় — নিজের সাথে নিজের প্রতারণা।

আল্লাহ সমগ্র জীবনের হিসাব তো নেবেনই, কিন্তু যৌবনকালের হিসাব আলাদাভাবে নেবেন। এই উদ্যম, এই শক্তি, এই সুযোগ — এগুলো কোথায় ব্যয় করলে, তার জবাব একদিন দিতে হবে।

হে যুবক — আলী রাদিআল্লাহু আনহু যে বয়সে রাসূল ﷺ-এর বিছানায় নিজের জীবন বাজি রেখে শুয়েছিলেন, মুসআব বিন উমাইর রাদিআল্লাহু আনহু যে বয়সে মদিনার ঘরে ঘরে ইসলামের আলো পৌঁছে দিচ্ছিলেন — সেই বয়সটা কি শুধু স্ক্রিন স্ক্রল করে, খেলার নেশায় মেতে, আর উদ্দেশ্যহীনভাবে পার করে দেওয়ার জন্য?

আমরা না জাগলে এই উম্মাহ জাগবে না। জাগুন। পরামর্শ নিন। একে অপরের হাত ধরুন। মানবপ্রাচীর গড়ুন। একটি সুন্দর, সুষম, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার কাজে নিজেকে নিয়োজিত করুন।

যৌবনের এই শক্তিকে যারা ভোগের পেছনে উড়িয়ে দিচ্ছে, তারা আসলে এক মরীচিকার পেছনে ছুটছে — যা কখনো ধরা দেয় না, কেবল সময়টুকু নিয়ে নেয়।

আপনার জাগরণের ওপরই নির্ভর করছে এই উম্মাহর আগামীকাল। এগিয়ে আসুন, দায়িত্ব নিন।

সংগ্রহীত....

Want your business to be the top-listed Government Service?