বিজেপি ফলতা জিততে চলেছে বিপুল মার্জিনে সেটা খবর নয়। সাংবাদিকদের ভাষায় news point নয়। খবর হলো -
১) তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোট টাও আর নেই। আম- ছালা দুই গেছে। সংখ্যালঘু ভোট সিপিএমে শিফট করেছে। অন্য জায়গায় কংগ্রেসে করবে।
২) এখুনি ভোট হলে অভিষেক ব্যানার্জি বিপুল ভোটে হারবে সেটা ও নিজে জানে আর তাই time buy করছে। ২০২৯ অবধি রাজনীতিতে বা কলকাতায় থাকবে কিনা সন্দেহ।
৩) ফলতায় ৩০% সংখ্যালঘু জনসংখ্যা। কোথাও ২০% র উপরে মাইনরিটি হলেই সেটা মিনমিনে মিডিয়া সংখ্যালঘু সিট বলতে পারবে না। ৩০-৪০% সংখ্যালঘু হলেই পুলিশ আর সেখানে ঢোকেনা, মাইক নিজের মতো বাজবে, এক আলাদাই আইন ব্যবস্থা শুরু হবে- ওসব আর থাকলো না।
—— ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ
Bjp Sonar Bangla
Bjp Worker
“মমতার পক্ষে কেউ না দাঁড়ালে আমি দাঁড়াবো” — বিকাশ ভট্টাচার্য 😄
এদিকে পার্টির কর্মীরা ভাবছে —
“দাদা, হাতুড়ি-কাস্তে রাখবো, না জোড়া ফুল নেবো?” 🌸😂
24/05/2026
তিন বছর ধরে খিদিরপুর ব্রিজের রাস্তা যেন অবহেলা আর প্রতারণার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছিল।উন্নয়নের সামান্য চিহ্ন পর্যন্ত ছিলো না, ছিল শুধু প্রতিশ্রুতি।
কিন্তু আজ মানুষ নিজের চোখে পরিবর্তন দেখছে। নতুন সরকার আসার কয়েকদিনের মধ্যেই শুরু হয়ে গেছে কাজ। আবার ফিরছে আশার আলো, আবার মানুষ বিশ্বাস করতে শিখছে যে সরকার চাইলে কাজ হয়।
এটাই ভারতীয় জনতা পার্টি -শুধু ভাষণ নয়, বাস্তবে হবে উন্নয়ন।
কোনো ঋতব্রত, প্রমব্রত বা সত্যব্রতদের জন্য বিজেপিতে বিশেষ কোটা নেই 😄
22/05/2026
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর দেশের রাজধানী নতুন দিল্লিতে নিজের প্রথম সফরে শ্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয় দেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী মহাশয়ের সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁর আশীর্বাদ নিলেন এবং তাঁকে বন্দে মাতরমের রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি ছবি উপহার দিলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শিতা এবং জনকল্যাণের আদর্শকে পাথেয় করে পশ্চিমবঙ্গ উন্নয়নের এক নতুন শিখর স্পর্শ করবে।
বামপন্থা নিয়ে অনেক তর্ক হতে পারে, মতভেদও থাকতে পারে। কিন্তু একটা বিষয় মজার— কিছু মানুষ এমনভাবে “ধর্মনিরপেক্ষতা”র ব্যাখ্যা দেন যেন হিন্দুদের আঘাত করাটাই আধুনিকতার প্রমাণ! 😄
তারপর ধীরে ধীরে এমন কিছু তত্ত্ব বেরোতে থাকে—
রাম নাকি বাঙালির নন,
আর্যরা নাকি ভারতের নন,
কিন্তু লেনিনের জন্ম যেন যাদবপুরে আর স্তালিনের আলিমুদ্দিনে! 😎
রাজনীতি হোক আদর্শের, কিন্তু বাস্তবতাও ভুলে গেলে চলে না। ইতিহাস বলছে, একসময় যারা নিজেদের “জনতার শাসক” ভাবতেন, আজ তারাই বাংলার রাজনীতিতে প্রায় সর্বহারা। আর অন্যদিকে কিছু নেতা আবার এমন সম্পদের মালিক হয়েছেন যে সাধারণ মানুষ ভাবছে— রাজনীতি নাকি রিয়েল এস্টেট ব্যবসা! 😅
22/05/2026
বাংলার ভাষা ও সংস্কৃতির কথা মুখে বললেও মমতা সরকারের তোষণের রাজনীতি প্রকাশ্যে এসেছে বারবার।আর তার একটা জ্বলন্ত উদাহরণ সরকারি লেটারহেডে উর্দু ভাষার ব্যবহার।
বাংলার ভাষা, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের গৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করাই বিজেপির লক্ষ্য। তাই পার্থক্য ছিল, আছে আর সর্বদা থাকবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
