21/06/2026
বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) এর সম্মানিত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম ফেরদৌস, এনডিসি, পিএসসি মহোদয় সুন্দরবন রেজিমেন্টের অধীনস্থ ২৫ বিএনসিসি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন কয়েকটি প্লাটুন পরিদর্শন করেন। উক্ত পরিদর্শনকালে সরকারি বরিশাল কলেজ বিএনসিসি প্লাটুন, বরিশালে মতবিনিময় সভা পরবর্তী কলেজের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বিভিন্ন বিষয়ে বর্ননা করছেন তৎকালীন অধ্যক্ষ সরকারি বরিশাল কলেজ, বরিশাল ও অধিনায়ক ‘এ’ কোম্পানি ২৫ বিএনসিসি ব্যাটালিয়ন প্রফেসর ক্যাপ্টেন খোন্দকার অলিউল ইসলাম, বিটিএফও
০৯ জানুয়ারি ২০১৭
18/06/2026
DG BNCC Brig Gen S M Ferdous, ndc, psc visited BM College Platoon.
09 Jan 2017
30/05/2026
বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) এর প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি এবং সাবেক সেনাবাহিনী প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম এর ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি
বিএনসিসি গঠনের ইতিহাসঃ
১৯৭৬ সালের মার্চ মাসে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকায় স্বাধীনতা উত্তর প্রথম প্রশিক্ষণ শিবির অনুষ্ঠিত হয়। ৩১ মার্চ ১৯৭৬ তারিখে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম প্রশিক্ষণ শিবিরে অনুষ্ঠিত কুচকাওয়াজের সালাম গ্রহণ করেন।
১৯৭৬ থেকে ১৯৭৮ পর্যন্ত ইউনিভার্সিটি অফিসার্স ট্রেনিং কোর (ইউওটিসি), বাংলাদেশ ক্যাডেট কোর (বিসিসি) ও জুনিয়র ক্যাডেট কোর (জেসিসি) এর ক্যাডেটগণ জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মকান্ডে বিশেষ কৃতিত্বের পরিচয় দেয়ায় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও সাবেক সেনাবাহিনী প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম উপরোক্ত সংগঠন গুলোর কার্যক্রম আরো সম্প্রসারিত ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে ২৩ মার্চ ১৯৭৯ তারিখে সরকারী আদেশবলে সংগঠন গুলোকে একিভূত করে দ্বিতীয় সারির প্রতিরক্ষা বাহিনী হিসেবে বাংলাদেশ ন্যাশন্যাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) গঠন করেন।
28/04/2026
বিনম্র শ্রদ্ধা
শহীদ ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের, বীর উত্তম এর শাহাদাৎ বার্ষিকীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শ্রদ্ধাঞ্জলি
আজ মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী শহীদ ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের, বীর উত্তম-এর ৫৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে এই অকুতোভয় বীরকে। ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের ১৯৬৭ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষনার্থী হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৯ সালে আর্টিলারি কোরে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১৯৭০ সালে হায়দ্রাবাদ ক্যান্টনমেন্টে ৪০ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারিতে ক্যাপ্টেন হিসেবে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে ১৯ ফেব্রুয়ারি ছুটিতে থাকাকালীন চট্টগ্রামে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের অল্প কয়েকদিন পর যুদ্ধ শুরু হলে বদ্ধ ঘরে স্থির থাকতে পারেননি ক্যাপ্টেন কাদের। মেহেদীর রং ম্লান না হতেই সংসারের মায়া ত্যাগ করে বিয়ের ৫১ দিনের মাথায় ২৮ মার্চ বন্ধুর বাসায় যাবার কথা বলে ফেনীর শুভপুরে ইপিআর বাহিনীর সাথে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। পরবর্তীতে তিনি ৮ ইস্ট বেঙ্গলের সাথে মহালছড়ি এলাকায় যোগদান করেন।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনী চট্টগ্রাম অঞ্চলে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে বুঝতে সক্ষম হয় যে, রামগড়ই মুক্তিবাহিনীর সদর দপ্তর হিসেবে চট্টগ্রাম অঞ্চলে প্রতিরোধ যুদ্ধ পরিচালনা করছে। তাই পাকিস্তান সেনাবাহিনী রামগড়ের প্রতিরক্ষা বুহ্য ধ্বংস করার জন্য অগ্রসর হতে থাকে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ২টি কোম্পানি রাঙামাটি থেকে মহালছড়ির দিকে অগ্রসর হয়ে কচুছড়িতে এসে পৌঁছলে তাদেরকে প্রতিরোধ করার জন্য মহালছড়ি সদর দপ্তর থেকে মেজর শওকত, ক্যাপ্টেন খালেকুজ্জামান এবং ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের নির্দেশপ্রাপ্ত হন। নির্দেশিত হয়ে ক্যাপ্টেন খালেকুজ্জামান নানিয়ারচর বাজারে একটি পাহাড়ের ওপর এবং ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের মহালছড়ি-নানিয়ারচর সড়ক অবরোধ করার জন্য স্ব স্ব কোম্পানি নিয়ে অবস্থান গ্রহণ করে। লেফটেন্যান্ট মাহফুজকে তাঁর সেনা দল নিয়ে পার্শ্ববর্তী বাজারে সংরক্ষিত রাখা হয়। ২৭ এপ্রিল দুপুর সাড়ে ১২টায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী নানিয়ারচর এলাকায় ক্যাপটেন খালেকুজ্জমানের অবস্থানের উপর আক্রমণ করে। আক্রমণের তীব্রতা বৃদ্ধি পেলে লেফটেন্যান্ট মাহফুজ ২টি কোম্পানি নিয়ে ক্যাপ্টেন খালেকুজ্জামানের সাহায্যে এগিয়ে যান। মেজর শওকত ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদেরকেও তাঁদের সাহায্যে এগিয়ে যেতে নির্দেশ দেন। মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বাত্মক প্রতিরোধের পরেও পাকিস্তানিরা বেপরোয়া হয়ে উঠে। পাকিস্তানি বাহিনীর সেনা ছিল প্রায় ৪ গুণ। তারা মুক্তিযোদ্ধাদের চতুর্দিক থেকে ঘিরে ফেললে ক্যাপ্টেন আফতাবের সহযোদ্ধারা তাকে পিছু হটার পরামর্শ দেন।
কিন্তু ক্যাপ্টেন আফতাব পিছু না হটে সহযোদ্ধা শওকত, ফারুক ও ২ ইপিআর সেনাকে নিয়ে ৩টি এলএমজির অবিরাম গুলিবর্ষণের মধ্য দিয়ে কোণঠাসা করে ফেলেন শত্রুদের। এই চরম মুহূর্তে হঠাৎ এক মুক্তিযোদ্ধার এলএমজি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ফায়ারিং বন্ধ হয়ে গেলে শতাধিক মুক্তিযোদ্ধার জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। অস্থির হয়ে উঠেন ক্যাপ্টেন আফতাব। মেরামতের জন্য অস্ত্রটি আসতে দেরি হচ্ছিল দেখে ক্যাপ্টেন আফতাব নিজেই ক্রলিং করে এগিয়ে যেতেই কয়েকটি গুলি এসে তার পেটের বাম পাশে এবং ডান বাহুর নিচে লাগে। এই অবস্থায়ও মেশিনগান ধরে ছিলেন ক্যাপ্টেন আফতাব। তখন সহযোদ্ধা শওকত আলী এবং সিপাহী ড্রাইভার আব্বাস আহত ক্যাপ্টেন কাদেরকে একটি জিপযোগে রামগড়ে আনার পথে গুইমারায় আহত ক্যাপ্টেন কাদের পানি পান করতে চাইলে পান করানো হয়, আর সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
২৭ এপ্রিল বিকালে শহীদ ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদেরের মরদেহ রামগড় নিয়ে আসা হয়। সন্ধ্যার প্রাক্কালে রামগড়ে জানাজা নামাজ শেষে পূর্ণ সামরিক ও ধর্মীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়।
ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদেরের (ইকবাল) জন্ম ১৯৪৭ সালে ২৫ ডিসেম্বর দিনাজপুর শহরে। তবে পৈত্রিক গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার (তৎকালীন বৃহত্তর নোয়াখালী) রামগঞ্জ থানাধীন টিওড়া গ্রামে। পিতা স্থায়ী নিবাস গড়ে তোলেন পুরাতন ঢাকার ফরিদাবাদ এলাকার লাল মোহন পোদ্দার লেনে। সেখানেই অকুতোভয় এই সৈনিকের শৈশব কাটে। যুদ্ধ পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ ও গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতির স্বরূপ ১৯৭৪ সালে ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদেরকে মরণোত্তর ‘বীর উত্তম’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তাঁর নামে খাগড়াছড়ি জেলা সদরে স্মৃতিসৌধ, মহালছড়িতে স্মৃতি ভার্স্কয, মহালছড়িতে শহীদ ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের উচ্চ বিদ্যালয়, রামগড় বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের রাস্তার নামকরণ এবং শহীদ ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের বিদ্যা নিকেতন নামে রামগড়ে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
19/04/2026
"এসেছে ডাক স্মৃতির সন্ধানে, মিলিত হয়েছি বিএনসিসি'র বন্ধনে...."
২৫ বিএনসিসি ব্যাটালিয়ন (প্রাক্তন ৫ সুন্দরবন ব্যাটালিয়ন) এর প্রাক্তন ও বর্তমান ক্যাডেটদের ১ম পুনর্মিলনী- ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে
বরিশাল, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (শুক্রবার): সদর দপ্তর ২৫ বিএনসিসি ব্যাটালিয়ন বরিশালে প্রাক্তন ও বর্তমান ক্যাডেটদের ক্যাডেটদের প্রথম পুনর্মিলনী আয়োজিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সরকারি ব্রজমোহন কলেজ, বরিশালের সম্মানিত অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. শেখ মোঃ তাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ২৫ বিএনসিসি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল প্রফেসর ড. মতিউর রহমান, বিএনসিসিও (অধ্যক্ষ, বরগুনা সরকারি কলেজ, বরগুনা)। উপস্থিত ছিলেন অত্র ব্যাটালিয়নের প্রাক্তন 'এ' কোম্পানি অধিনায়ক প্রফেসর ক্যাপ্টেন (অব.) খোন্দকার অলিউল ইসলাম (প্রাক্তন অধ্যক্ষ, সরকারি বরিশাল কলেজ ও বর্তমান অধ্যক্ষ কালেক্টরেট স্কুল এ্যান্ড কলেজ, বরিশাল)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান/প্লাটুনের বিএনসিসিও/পিইউও/টিইউও মহোদয়গণ।
২৫ বিএনসিসি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন (বরিশাল বিভাগের ৪ টি জেলা সহ) ১৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৬৮ জন প্রাক্তন ও বর্তমান ক্যাডেট এবং তাঁদের নিবন্ধিত পরিবারবর্গের সদস্যগণ মিলন মেলা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সরকারি ব্রজমোহন কলেজ, বরিশাল বিএনসিসি প্লাটুনের ১৯৮৮ ব্যাচের প্রাক্তন ক্যাডেট আন্ডার অফিসার মোহাম্মদ শওকত হাসান জেষ্ঠ ক্যাডেট হিসেবে যোগদান করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই ক্যাডেটগণ তাদের নিবন্ধন নিশ্চিতকরণ, উপহার সামগ্রী গ্রহণ ও সকালের নাস্তা সম্পন্ন করেন। এরপর একদল চৌকস পাইলট গার্ড পরিবেষ্টিত হয়ে অতিথিবৃন্দ ব্যাটালিয়নের প্যারেড গ্রাউন্ডে আগমন করেন। প্যারেড অধিনায়কের নেতৃত্বে সকল ক্যাডেটগণের উপস্থিতিতে রোলকল প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। এসময়ে সম্মানিত ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক ও প্রাক্তন 'এ' কোম্পানি অধিনায়ক প্যারেড পরিদর্শন করেন।
এরপর সুসজ্জিত বাদক দলের সুরের মূর্ছনায় ব্যাটালিয়নের প্যারেড গ্রাউন্ড থেকে শুরু হয়ে মূল ভ্যেনু পর্যন্ত একটি আনন্দ র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে শিক্ষক সম্মেলন কক্ষ, সরকারি বিএম কলেজ বরিশালে ক্যাডেটগণ ও অতিথি বৃন্দের আসন গ্রহণ করেন। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও গীতা পাঠ এর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের ২য় পর্ব শুরু হয়। এরপর অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।
দ্বিতীয় পর্বে প্রাক্তন ক্যাডেটগণ স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। যার মধ্য দিয়ে ক্যাডেটদের সোনালী সময়ের বিভিন্ন স্মৃতিময় মুহূর্ত তুলে ধরেন।
প্রাক্তন ক্যাডেটদের বক্তব্য শেষে উপহার প্রদান পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এ পর্বে প্রাক্তন ক্যাডেটগণ সম্মানিত অতিথিবৃন্দের হাতে সুভেনিয়র হস্তান্তর করেন। উপহার প্রদান পরবর্তী অতিথিবৃন্দ বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তব্যে সম্মানিত প্রধান অতিথি তাঁর মূল্যবান বক্তব্য প্রদান ও ২৫ বিএনসিসি ব্যাটালিয়নের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠানের সম্মানিত সভাপতির বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে দ্বিতীয় পর্বের সমাপ্তি ঘোষনা করেন।
জুমার নামাজ ও খাবারের বিরতির পরে সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের তৃতীয় পর্ব শুরু হয়। এ পর্বে সকল পর্যায়ের ক্যাডেটগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ ও উপভোগ করেন।
এরপর সম্মানিত অধিনায়ক ২৫ বিএনসিসি ব্যাটালিয়ন মহোদয়ের সমাপনী দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করেন।
এই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন বয়সের প্রাক্তন ও বর্তমান ক্যাডেটদের পরিচিতি লাভ করে। ভবিষ্যৎ পথ চলায় সকলের মাঝে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠার এক সুন্দর পাথেয় তৈরি হয়। সকলে ফিরে দেখেছেন তাদের সেই চিরচেনা শৃঙ্খলার সোপান।
ধন্যবাদ
31/03/2026
এসেছে ডাক স্মৃতির সন্ধানে, মিলিত হব বিএনসিসি’র বন্ধনে....
আজকে ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখ ২৫ বিএনসিসি ব্যাটালিয়নের প্রাক্তন ও বর্তমান সদস্যদের পুনর্মিলনী- ২০২৬ রেজিস্ট্রেশনের শেষ দিন। ০১ মার্চ ২০২৬ তারিখ থেকে আমাদের রেজিস্ট্রেশন চলমান রয়েছে।
বিস্তারিত গুগল ফর্ম লিংকে রয়েছে।
রেজিস্ট্রেশনের লিংক: https://forms.gle/FCW85b7VcGv9rsK87