যেখানে আসামী তার দোষ স্বীকার করে,
যথেষ্ট পরিমান তথ্য প্রমান হাতেও থাকে।
এর পরেও কিসের তদন্ত প্রতিবেদন?
🖕ব্যর্থ আইন মন্ত্রাণালয়🖕
সংবিধান নিয়ে ভালো বুঝলেই যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দেশ ভালো চালাবে তা কিন্তু না।
এই দেশ থেকে ন্যায় বিচারের নামে অপরাধীকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়াটা সব চেয়ে বড় অপরাধ।
অপরাধীর বিচার নিজ হাতে করুন।
খুনের বদলা খুন হোক।
Nawoz Vlogs
I love Allah and Rasul,Visiting my hobby��
ধর্ষণের বিচার কারা করবে!
যে দেশে নেতাদের মনোরঞ্জনের জন্য নিজেদেরই ১৪-১৫ বছরের মেয়ে লাগে। 🥲
20/05/2026
এই সেই জাকির হোসেন ও তার স্ত্রী৷ যারা কি না ছোট্ট রামিসার জীবন কেড়ে নিয়েছে৷
স্কুলে যাওয়ার জন্যে সাত বছরের রামিসাকে মা ডাকাডাকি করে৷ কিন্তু কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে তার মা এদিক সেদিক খুঁজতে থাকে৷ পরে পাশের ফ্ল্যাটে খুঁজতে গিয়ে তার মা দেখে দরজার সামনে রামিসার জুতা পড়ে আছে।
রামিসার মা অনেক ধাক্কাধাক্কি করলেও কেউ ভেতর থেকে দরজা খোলেনি৷ মূলত জাকির ও তার স্ত্রী তখনই এমন নির্মম ঘটনা চালাতে থাকে৷ রামিসাকে অনেক আগ থেকেই টার্গেট করে রাখে জাকির৷ এরপর সুযোগ বুঝে রামিসাকে জোর করে নিয়ে যায় তার বাসায়৷
জাকির ছোট রামিসার সাথে যা করছে সেটা ভাষায় প্রকাশ করার মতন না৷ যখন দেখলো রামিসা চিৎকার করছে, তখন সে নিকৃষ্ট এক সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর নিজের কাজ আড়াল করতে আরও বিভৎস পথে এগোয়। ছোট্ট রামিসার পুতুলের মতো মিষ্টি মুখটা মনে পড়লেই বুকটা ভার হয়ে আসে।
রামিসার মায়ের দরজায় ধাক্কাধাক্কিতে বাকি কাজ করতে পারে না৷ তখন জাকির বাসার গ্রীল কেটে পালায়৷ যতক্ষন না পালায় ততক্ষন তার স্ত্রী স্বপ্না দরজা খোলেনি৷
ঘটনা গুলো লিখতে গিয়ে হাতটা কাপছিল আমার৷ এরা কি আসলে মানুষ? প্রতিদিনই এমন ঘটনা ঘটে যাচ্ছে৷ কয়টার সঠিক বিচার হচ্ছে৷
এই জাকিরের নামে নাটোরে আগেও একটা মামলা ছিলো৷ জাকির জানে এই দেশে তার বাল্ডাও হবে না৷ সে জানে এ দেশে সঠিক বিচার নাই৷ সে জানে দুদিন পর সে বের হয়ে আসবে৷ তারপর অন্য কোনো রামিসাকে টার্গেট করবে৷ লজ্জা থাকা উচিত এ রাষ্ট্রের :)
লেখা: Rahat Ahmed Tulon
19/04/2026
খুলনার এক পুলিশ নিজের মাথায় নিজে গু*লি করে আত্মহ*ত্যা করেছে। অথচ আত্মহ*ত্যা করার কোন ইচ্ছে ছিল না তার। শুধুমাত্র করেছে পরিবারের অশান্তির কারণে।
রেলওয়ের অ*স্ত্রাগারে ডিউটি ছিল তার। অনেকক্ষণ যাবত বিষন্ন মনে সেখানেই বসে ছিল সে।চেয়ারে বসে বসে হয়তো নানান কিছুই ভাবছিল। মাথায় হয়তো তখন পরিবারের চিন্তা ,বউয়ের চিন্তা আরও নানান চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছিল।
প্রথমে সে বুঝে উঠতে পারছিল না আত্মহ*ত্যা করবে কিনা। কিছুক্ষণ গালে হাত দিয়ে বসেও ছিল সে। একটু পরই ড্রয়ার থেকে চাবি নিয়ে চাইনিজ একটা রাইফেল বের করে আনে সে।
অ*স্ত্রটা হাতে নেয়ার পরও অনেকক্ষণ যাবত আনমনে বসে ছিল সে। তখনও বুঝতে পারছিল না আত্মহ*ত্যা করবে কিনা। আত্মহ*ত্যার ঠিক আগ মুহুর্তে মানুষ যেমন ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে সেও তেমনি অ*স্ত্রটার দিকে ফ্যালফ্যাল করে কতক্ষণ তাকিয়ে ছিল।
তারপর কিছুক্ষণ ভেবে অ*স্ত্রটা মাথায় ঠেকায় সে। চোখটা বন্ধ করে ট্রিগারে চাপ দেয়। চাপ দিতেই জোরালো গতিতে বুলেট বের হয়ে মাথার এপাশ থেকে ওপাশে ভেদ করে বের হয়ে যায়।
সাথে সাথে মাথার মগজ গলে বের হয়ে আসে। খুলি ছিন্নভিন্ন হয়ে গলগল করে র*ক্ত পড়তে থাকে। প্রচন্ড যন্ত্রণা নিয়ে কিছুক্ষণ ছটফট করার পর মারা যায় সে।
একদিন যেই অ*স্ত্র তাকে শিখিয়েছিল শত্রুর হাত থেকে কিাবে জীবন বাঁচাতে হয় সেই অ*স্ত্র দিয়ে আজকে নিজেই আত্মহ*ত্যা করল সে।
অথচ সে আত্মহ*ত্যা করতে চায়নি। সে একটা সুন্দর জীবন চেয়েছিল। মাত্র ছয় মাস আগে বিয়েও হয়েছিল তার। ২০১৮ সালে কনস্টেবল হিসাবে যোগ দেয়ার পর পূজা নামের এক মেয়ের সাথে প্রেম হয় তার।
দীর্ঘদিন প্রেমের পর বিয়েও হয় তাদের। বিয়ের পর সে ভেবেছিল জীবনটা সুন্দর হবে, সুন্দর একটা সংসার হবে। এই কথাগুলো সে তার মাকেও বলেছিল।
একটা মাত্র ছেলে হওয়ায় তার মা ও বাঁধা দেয়নি তাকে। পারিবারিকভাবেই বিয়ে দিয়েছিল ,কিছুদিন পর ধুমধাম করে বিয়ের অনুষ্ঠান হওয়ারও কথা ছিল।
অথচ এতসব পরিকল্পনা ,সুন্দর সংসারের স্বপ্ন সে যাকে নিয়ে দেখেছিল সেই মানুষটার সাথেই বিয়ের পর তার ঠিকমতো বনিবনা হচ্ছিল না।
প্রায়সময়ই তার বউ ঝগড়াঝাটি করতো, ঠুনকো বিষয় নিয়ে রাগারাগি করতো। গতকাল রাতেও ঝগড়াঝাটি হয়েছিল তাদের। বিয়ের আগের আর পরের মানুষটার আচরণ মিলাতে না পেড়েই মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে সে।
সবকিছু ঠিকঠাক করার চেষ্টাও করেছিল সে। বউ চাইতো স্যালারির সব টাকা বউয়ের কাছে পাঠাতে ,পরিবারের কাছে কোন টাকাপয়সা না দিতে। সবকিছু ঠিকঠাক করার জন্যে সেটাও করেছিল সে।
বউয়ের রাগারাগি ভাঙাতে গিয়ে পরিবারের সাথেও সম্পর্ক কিছুটা খারাপ হয়ে গিয়েছিল তার। সবকিছু ঠিকঠাক করার জন্যে এতকিছু করেছিল সে অথচ কিছুই আর ঠিক হয়নি।
যেই মানুষটার সাথে সুন্দর একটা সংসার করে মানসিক শান্তি পাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল সেই মানুষটাই অশান্তি দিয়ে মেরে ফেলল তাকে।
সামনের মাসেই শেরওয়ানি পড়ে ধুমধাম করে বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা ছিল তার অথচ সেই মানুষটাই এখন পড়ে আছে লা*শঘরের মর্গে।
এজন্যেই একজন বিদেশি প্রফেসর বলেছিলেন- আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে বিশ্বস্ত লাইফ পার্টনার।
ভালো রেজাল্ট করলে, টাকা পয়সা হলে, গাড়ি বাড়ি করতে পারলে সেটাকে আমরা জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন মনে করি, সেলিব্রেট করি।
অথচ জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে ভালো একজন জীবনসঙ্গী। ভালো রেজাল্ট, টাকাপয়সার জন্যে আমরা যেরকম মরিয়া হয়ে থাকি তারচেয়ে বেশি মরিয়া হওয়া উচিত একজন ভালো জীবনসঙ্গী পাওয়ার জন্যে
দুনিয়াবি সকল চাওয়া পাওয়ার চেয়ে সৃষ্টিকর্তার কাছে সবচেয়ে বেশি চাওয়া উচিত একজন বিশ্বস্ত, ভালো জীবনসঙ্গী।
কেননা আপনার জীবনসঙ্গীর উপরই নির্ভর করবে আপনার বাকি জীবনটা ফুলের মত স্বচ্ছ-সুন্দর হবে নাকি বীভৎস হবে
- Collected
সব শেষ হওয়ার আগের শেষ ১৫ ঘণ্টা! যা কেউ বলছে না, কিন্তু ঘটতে যাচ্ছে ⚠️⚠️
গত ২৪ ঘণ্টায় ইরান আর ট্রাম্পের মধ্যে যা ঘটেছে, সেটা পুরো পরিস্থিতিই বদলে দিতে পারে। এটা মনে রাখার মতো ঘটনা।
বেশিরভাগ মানুষ এখনো ঠিক অনুধাবন করতে পারছে না।
এই ২৪ ঘণ্টায় আমরা যুদ্ধের সবচেয়ে বিপজ্জনক ধাপের একটা সিরিজ দেখেছি।
তিনটা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, আর প্রতিটা আগেরটার চেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ দেখা যাচ্ছে। চলুন পদক্ষেপগুলি দেখা যাক -
প্রথম ধাপ, ইরান তাদের শর্ত ঘোষণা করে।
ইরান আলোচনায় আসেনি, বরং সরাসরি নিজেদের শর্ত জানিয়ে দিয়েছে।
তাদের দাবি ছিল,
- ভবিষ্যতে যেন এই ধরনের যুদ্ধ আর না হয়, তার শক্ত গ্যারান্টি
- মধ্যপ্রাচ্যে থাকা সব মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করতে হবে, একটাও বাদ যাবে না
- যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েলকে সব ক্ষতির পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
এখানে পুরো বিষয়টা তাদের শর্ত অনুযায়ী শেষ করতে হবে।
এটা কোনো শান্তি প্রস্তাব ছিল না। ইরান কেমন 'বিজয়' চায়, সেটা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে।
দ্বিতীয় ধাপ, ট্রাম্প চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন। ইরানের শর্ত নিয়ে আলোচনা না করে, ট্রাম্প ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন।
তিনি বলেন, হরমুজ পুরোপুরি খুলে দিতে হবে, না হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ধ্বংস করবে ও “সবচেয়ে বড়টা দিয়ে শুরু হবে।”
গত তিন সপ্তাহ ধরে দুই পক্ষই কিছুটা শান্ত হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছিল, কিন্তু এই এক ঘোষণাতেই সব বদলে গেল।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টা হলো,
ট্রাম্প শুধু সামরিক লক্ষ্য নয়, বেসামরিক অবকাঠামো যেমন: বিদ্যুৎকেন্দ্র টার্গেট করার হুমকি দিয়েছে। এগুলো হাসপাতাল, শহর, সাধারণ মানুষের জীবন চালায়। আন্তর্জাতিক আইনের দিক থেকে এমন হুমকিই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
৪৮ ঘণ্টার সময় দেওয়া - এটা আলোচনা না, এটা চাপ প্রয়োগ।
তৃতীয় ধাপ, ইরান পাল্টা হুঁশিয়ারি দেয়।
ইরানের সামরিক সদর দপ্তর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জবাব দেয়।
তাদের বার্তা পরিষ্কার, যদি তাদের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা হয়, তাহলে পুরো অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সব জ্বালানি, আইটি ও পানিশোধন স্থাপনায় হামলা করা হবে।
মানে হলো,
* সৌদি আরবের তেলক্ষেত্র টার্গেট
* ইউএই-এর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা টার্গেট
* উপসাগরীয় অঞ্চলের পানিশোধন প্ল্যান্ট। যেগুলো কোটি মানুষের পানির উৎস- টার্গেট
* যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। সবই টার্গেট
এখানে শুধু দুই দেশের সংঘাত না, পুরো অঞ্চল জড়িয়ে যেতে পারে।
এখন এই কাহিনীর সবচেয়ে বড় দিক হল,
- বিশ্বের প্রায় ২০% তেল এই Strait of Hormuz দিয়ে যায়
- উপসাগরীয় দেশগুলো বৈশ্বিক তেলের বড় উৎস
- পানিশোধন প্ল্যান্ট কোটি মানুষের একমাত্র পানির উৎস
- একবার বড় আঘাত লাগলে সবকিছু বন্ধ হয়ে যেতে পারে
- তেলের দাম শুধু বাড়বে না; দ্বিগুণ, এমনকি তিনগুণ হতে পারে
- জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থাও ভেঙে পড়তে পারে
- বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ মুদ্রাস্ফীতি শুরু হতে পারে
শেষে একটা প্রশ্ন উঠে আসে,
ইরান আগে তাদের শর্ত জানিয়েছে। সেটা যতই কঠিন হোক, তারা অন্তত কী চায় সেটা বলেছে। কিন্তু ট্রাম্প সেই শর্ত নিয়ে আলোচনা না করে, সরাসরি হুমকি দিলেন।
তাহলে প্রশ্ন,
শান্তির পথে না গিয়ে হঠাৎ উত্তেজনা বাড়ানো হলো কেন?
এই যুদ্ধ চলতে থাকলে কার লাভ? সময় কিন্তু দ্রুত শেষ হয়ে আসছে।
ইরান কিন্তু ভয় পাচ্ছে না। সবাইকে চমকে দিতে চাচ্ছে।
ট্রাম্প ৪৮ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছেন। কিন্তু সেই আগুন হয়তো নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। ৩৫ ঘণ্টা প্রায় শেষ।
এটা আর শুধু মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নয়।
এটা সেই মুহূর্ত যেখানে যুদ্ধের রূপ পুরো বদলে যেতে পারে। একটা হঠকারী পদক্ষেপ পুরো বিশ্বকে অন্ধকারে ঢেকে দিতে পারে ও তৃতীয় বিশ্বের গরীব দেশগুলিকে দুর্ভিক্ষে পতিত করতে পারে।
Collected
ওসমান হাদির উপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানাচ্ছি।
আল্লাহ সুস্থতা দান করুন।
যদি হঠাৎ দাম বেড়ে যায় তাহলে এড়িয়ে চলুন। হোক তা পিঁয়াজ অথবা মানুষ। দেখবেন পঁচে গলে আবার আগের জায়গায় ফিরে আসবে।
আলহামদুলিল্লাহ 🤲❤️
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Chittagong
