29/12/2021
আলহামদুলিল্লাহ, ২০২২ সেশনের জন্য কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচন ও সেক্রেটারি জেনারেল মনোনয়ন সম্পন্ন
কেন্দ্রীয় সভাপতি : রাশেদুল ইসলাম
সেক্রেটারি জেনারেল : রাজিবুর রহমান
আল্লাহ তায়ালা দ্বীনের সুমহান দায়িত্ব পালনে সহায় হোন।
09/12/2021
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় দাওয়াহ সম্পাদক ও প্রচার সম্পাদকসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং অবিলম্বে তাদের মুক্তি দেওয়ার আহবান জানিয়ে ছাত্রশিবিরের বিবৃতি
রাজধানীর স্বামীবাগে ছাত্রশিবিরের একটি মেস থেকে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় দাওয়াহ সম্পাদক ও প্রচার সম্পাদকসহ ৫ জন ছাত্রনেতাকে বিনা কারণে গ্রেপ্তারের নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃতদের মু্ক্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি সালাহউদ্দিন আইউবী ও সেক্রেটারি জেনারেল রাশেদুল ইসলাম বলেন, সরকারের চলমান লজ্জাজনক অবস্থান আড়াল করার জন্য সুপরিকল্পিতভাবে কোন কারণ ছাড়াই আবাসস্থল থেকে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় দাওয়াহ সম্পাদক ও প্রচার সম্পাদককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। এভাবে বাসা থেকে শিবির নেতৃবৃন্দকে গ্রেপ্তারের নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের জানা নেই। মূলত সরকারের মন্ত্রী এমপিদের নিকৃষ্ট আচরণ এবং বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের মামলায় খুনি ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের মৃত্যুদণ্ড ও কারাদণ্ডের রায় নিয়ে সারাদেশে যখন নিন্দা ও ঘৃণার ঝড় উঠেছে তখন এমন লজ্জাজনক চিত্র থেকে দেশবাসীর দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতেই নিরাপরাধ নেতৃবৃন্দকে গ্রেপ্তার করেছে সরকার। আমরা এ দায়িত্বহীন অপকর্মের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। ছাত্রশিবিরের নেতৃবৃন্দকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার ও তাদের নিয়ে কোন ধরনের ষড়যন্ত্র মেনে নেয়া হবে না। অবিলম্বে তাদের মুক্তি দিয়ে শুভ বুদ্ধির পরিচয় দেওয়ার জন্য আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
25/04/2021
মনের আখরে স্মৃতির সঞ্চয়
-সালাহউদ্দিন আইউবী
মানুষের জীবনের পথচলা স্মৃতি আর অনাগত ভবিষ্যতের দোলাচাল। বর্তমান এক ঝলক বাতাসের মতো। এই আছে, এই ছিলো এই মাত্র অতীত স্মৃতিতে রুপান্তর। প্রতিদিনের বেঁচে থাকা নতুন আলোর প্রত্যাশা। স্মৃতিও বা কম কীসে? অস্তমিত সূর্যের বর্ণছটা যেমন শেষ হতে গিয়েও আবীর ছড়ায়, তেমনি জীবনের স্মৃতিও ধীরে ধীরে সাজানো অনন্ত ছবির ক্যানভাস।
কোনটি উজ্বল আনন্দ আলোর দীপ্তি ছড়ায়। কোনটি ধুসর অথবা স্বচ্ছনীল আলো ঠিক যেমন মেঘে ঢাকা আকাশ অথবা নীল আকাশের রঙে সাগর জলের রঙ বদলায়। কোনটি নিকষ কালো। কোন স্মৃতি শুধু মনের গভীরে ভাসে উত্তাল তরঙ্গমালায়।
প্রতিদিনের মতই স্বাভাবিক একটি দিন ছিল সেদিন। ক্লাস নাইনের ছাত্র আমি। ক্লাস রুমের সামনে বন্ধুদের সাথে ফুটবল খেলছিলাম। খেলার বিরতিতে সবচেয়ে প্রিয় শিক্ষক আঃ জলিল ডেকে পাঠালেন। বললেন নামাজের পর দুজন বড় ভাই আসবেন তোমাদের সাথে দেখা করতে। একজন লাল টকটকে সুন্দর অন্যজন ঠিক তার উল্টো।
হৃদয় নিংড়ানো মুক্তোঝরা মুচকি হাসির অধিকারী নাঈম ভাই আর মনির ভাই শোনালেন জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়া সেই কথাগুলো। বললেন এ জীবন পুনর্বিন্যাস করে সাজাতে চায় তাঁরা। স্বপ্ন দেখে নতুন পৃথিবীর। এমন কিছু কথা শুনলাম যা এর আগে কখনো শুনিনি, ভাবিনি কখনো এভাবে। নামে মাত্র মানুষ।
কী তার পরিচয়, কোথায় তার গন্তব্য, কী তার পরিণতি, সব গড়গড় করে তুলে ধরলেন আমাদের সামনে। সম্ভবত আমরা ৭/৮ জন ছিলাম, সবাই ভাবলাম হয়তোবা আর কোনদিন দেখা হবে না উনাদের সাথে। নাছোড়বান্দা মনির ভাই কিছুদিন পর আবার এসে হাজির। কয়েকদিন পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র সাইফুল ভাইসহ কয়েকজন আসলেন, সাধারন সভার আয়োজন করে দেয়া আগ দেখালেন নতুন চমক, থমকে গেলাম সবাই।
মানুষের কথায় এমন যাদু থাকে তা আগে কখনো ভাবিনি। সত্যিই খুব ভালো লেগেছিলো সেদিন সাইফুল ভাইয়ের আলোচনা। সাধারণ সভায় অসাধারণ সেই পাল্টে দেয় আমার ভেতরটা। কিন্তু পারিবারিক বাস্তবতার কারণে মনের টানে সাড়া দিতে পারিনি। মনির ভাইকে দেখলেই পালিয়ে বেড়াতাম। বেচারা মনির ভাই হাল ছাড়েননি মোটেও, একদিন আমার বাড়িতে গিয়ে হাজির। নানান বাহানায় আম্মুর সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক খুঁজে বের করলো।
দিনের পর দিন অবিরাম চেষ্টায় স্থান করে নিলেন মনের ভেতর। দলবেঁধে আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে মসজিদে গিয়ে জোহরের নামাজের পর সিদ্ধান্ত নিলাম কর্মী হওয়ার। মনির ভাই সবাইকে কর্মী হিসেবে ঘোষণা দিলেন। শুরু হলো নতুন পৃথিবীর যাত্রা..........
অবিরাম চলছে, আজীবন চলবে ইনশাআল্লাহ
আপনিও আসুন আমাদের সাথে নিজে রাঙাতে আল্লাহর রঙে।
অনলাইনে ছাত্রশিবিরের সমর্থক হতে ভিজিট করুন
www.isupportshibir.org
15/04/2021
দুই-চারটা চড় তাপ্পড় খেয়ে হেগে দিলেন।
যদি দায়ের কোপ বা বন্ধুকের নল মাথায় ঠেকিয়ে ধরতো তখন কি করতেন? ঈমানি জজবা দেখাও? আরে মিয়া জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির হযরত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী (রঃ) কে টেনে হিছড়ে পিচ ঢালা রাস্তায় রক্তাক্ত করেছিলো তবুও তিনি হক থেকে এক চুলও সরে যাননি।
আলি আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ (রঃ) কে ফাঁসি দেয়ার আগে উনাকে কতবার আপোষ মীমাংসা করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, উনার পরিবার উনার ভাইদের সাথে বিদেশে আপোষের জন্যে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে তারা তা ঘৃণার সাথে উড়িয়ে দিয়েছেন। ফাঁসির আগ মুহুর্তে মিডিয়ায় প্রচার করেছিল মুজাহিদ সাহেব ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন তাও উনার পরিবার হাসিমুখে ঘৃণার সাথে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।
মরহুম অধ্যাপক গোলাম আযম স্যারের ছেলেকে গুম করার পর উনার পরিবারের উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে তবুও তারা আপোষ করেননি।
মরহুম মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী সাহেবকে ফাঁসি দেয়ার আগে কতো ধরনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে উনার পরিবারের সাথে আপোষ মীমাংসা করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে তবুও উনারা এক চুলও নড়েননি।
ফাঁসির মঞ্চে বাবা ছেলের কথোপকথন সারা দুনিয়ার মানুষ জেনেছিল তবুও তারা ঈমানের সাথে আপোষ মীমাংসা করেননি।
মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ফাঁসির মঞ্চে বাবাকে পাঠিয়ে বাহিরে এসে বলেছিলেন "আমার জীবিত বাবাকে রেখে জীবিত বাবার কবর খুড়তে যাচ্ছি।
বাবাকে পায়জামা পাঞ্জাবি পরিয়ে হাসিমুখে ফাঁসির মঞ্চে বিদায় দিয়ে এসে হাসিমুখে ছেলের সহজ সরল আলাপচারিতায় সারা বিশ্বের মানুষ কেঁদে ছিলো।
আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী হাফিজাহুল্লাহ কে কতো ধরনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে তার কোন হিসেব নাই। তিনি এবং উনার পরিবারের কেউ আপোষ মীমাংসা করেননি করতেও যাননি।
আর দুই চার চড় তাপ্পড় লাটির পিটা খাইয়া হেগে মুতে কাপড় চোপড় নষ্ট করে দিয়ে বলছেন ঈমান জায়গামতো আছে?
১০ লক্ষ মামলা ৫০ লক্ষাধিক আসামি হাজারে হাজার কর্মী নেতা পঙ্গু, ঘরবাড়ি ছাড়া, বেকার, আজ অনেকেই রাস্তার ভিখারি তবুও বলেন ঈমান নাই?
আর কতো খেলা দেখাবেন? আমরা জানি কিন্তু কথা বলিনা।
কথা বললে আপনারা জবাব দিতে পারবেননা।
তাই মানুষের ইমোশন নিয়ে খেলা বন্ধ করুন।
কথায় কথায় চেয়ার থেকে লাফ উঠবেন না। হুজুগে মানুষ মারাবেননা।
বিয়ে একাধিক করা যায় সেটা দেশের আইনেও আছে। দেশের আইন বাধা দেয়নি। কথা সেটা না।
কথা হলো ঈমান নিয়ে, জালিমের হুংকারে পায়জামা নষ্ট করে দেয়ার নাম ঈমান নয়।(আপসোস হলো এ-ই মুলুবি গুলো আবার নিজেদের কে হক্কানি দাবি করে)
🖊️ আসিফ নজরুল স্যার