25/01/2026
গণভোটে ‘হ্যাঁ’—এর বাইরে কিছু নয়: বিপিপি চেয়ারম্যান
গণভোটে ‘হ্যাঁ’—এর বাইরে কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিপিপি (বাংলাদেশ পিপলস পার্টি) চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, “দেশের সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষার প্রশ্নে আপসের কোনো সুযোগ নেই। এই গণভোটে জনগণের রায় স্পষ্ট—‘হ্যাঁ’।”
আজ রাজধানীতে এক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিপিপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণের সরাসরি মতামত প্রকাশের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দেশকে একটি শক্তিশালী, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক পথে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, কিছু মহল বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু জনগণ এখন সচেতন। “ভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই নির্ধারণ করবে—এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য,” বলেন তিনি।
বিপিপি চেয়ারম্যান গণভোটকে কেন্দ্র করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো ধরনের উসকানি বা সহিংসতায় জড়ানো যাবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি রাজনৈতিক দল ও সাধারণ জনগণকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
শেষে তিনি বলেন, “এই গণভোট শুধু একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়—এটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ঐতিহাসিক মুহূর্ত। তাই ‘হ্যাঁ’-এর বাইরে কিছু নয়।”
23/01/2026
ইসলামী ও দেশপ্রেমিক শক্তি জোটের প্রতি বিপিপির সমর্থন ঘোষণা:
দেশের চলমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ইসলামী মূল্যবোধ, জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার লক্ষ্যে গঠিত ইসলামী ও দেশপ্রেমিক শক্তি জোটের প্রতি আনুষ্ঠানিক সমর্থন ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ পিপলস পার্টি (বিপিপি)। দলটি মনে করছে, দেশকে একটি ন্যায়ভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে এই জোট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
নীতিগত ঐক্যের ভিত্তিতে সমর্থন
বিপিপির কেন্দ্রীয় নেতারা জানান, ইসলামী ও দেশপ্রেমিক শক্তি জোটের রাজনৈতিক দর্শন ও কর্মসূচির সঙ্গে বিপিপির নীতিগত অবস্থানের ব্যাপক মিল রয়েছে। বিশেষ করে—
* জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা
* ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ সংরক্ষণ
* সুশাসন প্রতিষ্ঠা
* দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান
এই বিষয়গুলোতে দুই পক্ষের লক্ষ্য অভিন্ন।
জনগণের অধিকার রক্ষায় ঐক্য জরুরি
বিপিপির পক্ষ থেকে বলা হয়, দেশের সাধারণ জনগণ দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচার, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা থেকে বঞ্চিত। এই পরিস্থিতিতে বিভক্ত রাজনীতির পরিবর্তে দেশপ্রেমিক ও ইসলামী শক্তিগুলোর ঐক্য সময়ের দাবি। ইসলামী ও দেশপ্রেমিক শক্তি জোট সেই ঐক্যের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হতে পারে বলে মনে করে বিপিপি।
রাজনৈতিক শুদ্ধতা ও নৈতিকতার আহ্বান
বিপিপি নেতারা আরও বলেন, ক্ষমতার রাজনীতির বাইরে গিয়ে আদর্শভিত্তিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করাই তাদের লক্ষ্য। ইসলামী ও দেশপ্রেমিক শক্তি জোটের মাধ্যমে রাজনীতিতে নৈতিকতা, শালীনতা ও জবাবদিহিতা ফিরিয়ে আনার সুযোগ তৈরি হবে বলে তারা আশাবাদী।
ভবিষ্যৎ কর্মসূচিতে সহযোগিতার ইঙ্গিত
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ভবিষ্যতে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় যৌথ কর্মসূচির সম্ভাবনাও রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ইসলামী ও দেশপ্রেমিক শক্তি জোটের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।
বিপিপি আশা প্রকাশ করে, ইসলামী ও দেশপ্রেমিক শক্তি জোটের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক ধারা গড়ে উঠবে, যা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং সার্বিক উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।
13/01/2026
জামায়াতের সঙ্গে সর্বদা বিপিপি থাকবে: বিপিপি চেয়ারম্যান
রাজনৈতিক আদর্শ ও নীতিগত প্রশ্নে Bangladesh Jamaat-e-Islami-এর সঙ্গে বিপিপি সবসময় একসঙ্গে থাকবে বলে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন বিপিপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, দেশের ইসলামী মূল্যবোধ, ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা ও গণতন্ত্র রক্ষার প্রশ্নে জামায়াতের সঙ্গে বিপিপির অবস্থান অভিন্ন।
মঙ্গলবার রাজধানীতে আয়োজিত এক রাজনৈতিক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “জামায়াতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কোনো সাময়িক রাজনৈতিক সমঝোতা নয়, এটি আদর্শিক ও দীর্ঘমেয়াদি। ইনশাআল্লাহ, সব প্রতিকূলতার মাঝেও বিপিপি জামায়াতের পাশে থাকবে।”
বিপিপি চেয়ারম্যান বলেন, দেশে বারবার ইসলামী রাজনীতি ও ইসলামী চিন্তাধারার দলগুলোকে কোণঠাসা করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। “এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। জামায়াত সেই লড়াইয়ে সাহসী ভূমিকা রেখেছে, আর বিপিপি সেই লড়াইয়ের অংশীদার,”—বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির বাইরে গিয়ে জামায়াত নৈতিকতা ও আদর্শের রাজনীতি করে আসছে, যা দেশের রাজনীতিতে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। “আমরা বিশ্বাস করি, দেশ পরিচালনায় সততা, ন্যায়বিচার ও আল্লাহভীতি অপরিহার্য। জামায়াত এই জায়গায় আপসহীন, তাই বিপিপি তাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলবে,”—যোগ করেন তিনি।
আসন্ন রাজনৈতিক আন্দোলন ও কর্মসূচির বিষয়ে বিপিপি চেয়ারম্যান জানান, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং দেশকে দুর্নীতি ও দুঃশাসনমুক্ত করার সংগ্রামে জামায়াতের সঙ্গে সমন্বিতভাবে মাঠে থাকবে বিপিপি। তিনি বলেন, “এই ঐক্য জনগণের স্বার্থেই, কোনো ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থে নয়।”
বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি দাবি করেন, দেশের জনগণ এখন আদর্শভিত্তিক রাজনীতির দিকে ঝুঁকছে এবং ইসলামী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর ঐক্যই ভবিষ্যতের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সভা শেষে উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিপিপি চেয়ারম্যান ঐক্য ধরে রাখার আহ্বান জানান এবং বলেন, “ভাঙনের রাজনীতি নয়, ঐক্যের রাজনীতিই দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নেবে।”
28/09/2025
ফখরুল সাহেব নির্বাচনতো আর আগানো সম্ভব না
27/09/2025
লড়াই যখন প্রথম হওয়ার... তখন সংখ্যাটি ১ হবে না কত হবে???
16/08/2025
সবগুলো খা*কির বাচ্চা, তাদের আসল আউব্বা মুদি...
16/08/2025
দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, সবার আগে বাংলাকক...😆😆
16/08/2025
এই বক্তব্যে আপনাদের মতামত কি?