Mohammadpur Thana Student's League- BSL

Mohammadpur Thana Student's League- BSL

Share

মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগ (ঢাকা মহান?

Photos 18/08/2017
14/05/2017

আগামীকাল ১৫ই মে রাত ৮টায় শহিদ সলিমুল্লাহরোড ছাত্রলীগ কার্যালয়ে মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগ এর সভা আহ্বান করা হয়েছে। উক্ত বৈঠকে মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের অন্তর্গত সকল ইউনিটের নেতৃবৃন্দদের উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হল।

Photos from Mohammadpur Thana Student's League- BSL's post 10/04/2017

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
মুজিবনগর, বাংলাদেশ
১০ই এপ্রিল, ১৯৭১

যেহেতু একটি সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য ১৯৭০ সনের ৭ই ডিসেম্বর হইতে ১৯৭১ সনের ১৭ই জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়,
এবং
যেহেতু এই নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণ ১৬৯ জন প্রতিনিধির মধ্যে আওয়ামী লীগদলীয় ১৬৭ জনকে নির্বাচিত করেন,
এবং
যেহেতু সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্য জেনারেল ইয়াহিয়া খান জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিগণকে ১৯৭১ সনের ৩রা মার্চ তারিখে মিলিত হইবার জন্য আহ্বান করেন,
এবং
যেহেতু এই আহূত পরিষদ-সভা স্বেচ্ছাচারী ও বেআইনিভাবে নির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়,
এবং
যেহেতু পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ তাহাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষার পরিবর্তে এবং বাংলাদেশের প্রতিনিধিগণের সহিত আলোচনা অব্যাহত থাকা অবস্থায় একটি অন্যায় ও বিশ্বাসঘাতকতামূলক যুদ্ধ ঘোষণা করে,
এবং
যেহেতু এইরূপ বিশ্বাসঘাতকতামূলক আচরণের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অবিসম্বাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের আইনানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৭১ সনের ২৬শে মার্চ তারিখে ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদান করেন এবং বাংলাদেশের মর্যাদা ও অখণ্ডতা রক্ষার জন্য বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান,
এবং
যেহেতু একটি বর্বর ও নৃশংস যুদ্ধ পরিচালনায় পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ, অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশের বেসামরিক ও নিরস্ত্র জনগণের উপর নজিরবিহীন নির্যাতন ও গণহত্যার অসংখ্য অপরাধ সংঘটন করিয়াছে এবং এখনও অনবরত করিয়া চলিতেছে,
এবং
যেহেতু পাকিস্তান সরকার একটি অন্যায় যুদ্ধ চাপাইয়া দিয়া, গণহত্যা করিয়া এবং অন্যান্য দমনমূলক কার্যকলাপের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিনিধিগণের পক্ষে একত্রিত হইয়া একটি সংবিধান প্রণয়ন এবং নিজেদের জন্য একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব করিয়া তুলিয়াছে,
এবং
যেহেতু বাংলাদেশের জনগণ তাহাদের বীরত্ব, সাহসিকতা ও বিপ্লবী উদ্দীপনার মাধ্যমে বাংলাদেশের ভূখণ্ডের উপর তাহাদের কার্যকর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করিয়াছে।
সেহেতু আমরা বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকার জনগণ কর্তৃক আমাদিগকে প্রদত্ত কর্তৃত্বের মর্যাদা রক্ষার্থে নিজেদের সমন্বয়ে যথাযথভাবে একটি গণপরিষদরূপে গঠন করিলাম, এবং
পারস্পরিক আলোচনা করিয়া, এবং
বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করণার্থ,
সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র রূপে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা ঘোষণা করিলাম এবং তদ্দ্বারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ইতোপূর্বে ঘোষিত স্বাধীনতা দৃঢ়ভাবে সমর্থন ও অনুমোদন করিলাম,
এবং
এতদ্দ্বারা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতেছি যে, সংবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি থাকিবেন এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রজাতন্ত্রের উপ-রাষ্ট্রপতি থাকিবেন,
এবং
রাষ্ট্রপতি প্রজাতন্ত্রের সকল সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হইবেন,
ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতাসহ সকল নির্বাহী ও আইন প্রণয়ন ক্ষমতা প্রয়োগ করিবেন,
একজন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ এবং তাহার বিবেচনায় প্রয়োজনীয় অন্যান্য মন্ত্রী নিয়োগ ক্ষমতার অধিকারী হইবেন,
কর আরোপণ ও অর্থ ব্যয়ন ক্ষমতার অধিকারী হইবেন,
গণপরিষদ আহ্বান ও মূলতবিকরণ ক্ষমতার অধিকারী হইবেন,
এবং
বাংলাদেশের জনগণকে একটি নিয়মতান্ত্রিক ও ন্যায়ানুগ সরকার প্রদানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অন্যান্য সকল কার্য করিতে পারিবেন।
আমরা বাংলাদেশের জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ আরও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতেছি যে, কোন কারণে রাষ্ট্রপতি না থাকা বা রাষ্ট্রপতি তাহার কার্যভার গ্রহণ করিতে অসমর্থ হওয়া বা তাহার ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে অসমর্থ হওয়ার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির উপর এতদ্দ্বারা অর্পিত সমুদয় ক্ষমতা, কর্তব্য ও দায়িত্ব উপ-রাষ্ট্রপতির থাকিবে এবং তিনি উহা প্রয়োগ ও পালন করিবেন।
আমরা আরও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতেছি যে, জাতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে আমাদের উপর যে দায় ও দায়িত্ব বর্তাইবে উহা পালন ও বাস্তবায়ন করার এবং জাতিসংঘের সনদ মানিয়া চলার প্রতিশ্রুতি আমরা দিতেছি।
আমরা আরও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতেছি যে, স্বাধীনতার এই ঘোষণাপত্র ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ তারিখে কার্যকর হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
আমরা আরও সিদ্ধান্ত করিতেছি যে, এই দলিল কার্যকর করার লক্ষ্যে এবং রাষ্ট্রপতি ও উপ-রাষ্ট্রপতির শপথ পরিচালনার জন্য আমরা অধ্যাপক ইউসুফ আলীকে আমাদের যথাযথ ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি নিয়োগ করিলাম।
অধ্যাপক ইউসুফ আলী
বাংলাদেশের গণপরিষদের ক্ষমতাবলে ও
তদধীনে যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি

*১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে মুজিবনগরে ঘোষিত ও জারিকৃত এবং ২৩ মে, ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত।


Photos from Mohammadpur Thana Student's League- BSL's post 07/04/2017

সকল প্রটোকল ভেঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিমানবন্দরে নিজেই স্বাগত জানালেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে।।।

Photos 06/04/2017

From the instagram post from General Secretary MD Asif Iqbal
Motivation to the new generation

Photos from Mohammadpur Thana Student's League- BSL's post 05/04/2017

Tuesday, 5th April
BUET BSL Hall Conference 2017
Place- BUET Auditorium


10/03/2017

2000+ likes for this page. Thank u all.....

Photos 25/01/2017

ব্যাপক বিনোদন

Photos 30/11/2016

মহান মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১
ধাপে ধাপে চূড়ান্ত বিজয়ের পথে বাংলাদেশ
বাঙালির বিজয়ের এই ইতিহাস জানতে ভিজিট করুনঃ
https://albd.org/ebooks/road-to-victory-bn/

Photos 22/11/2016

লাল-সবুজের বাড়ীতে উঠছেন সিলেটের ৬২ বীর যোদ্ধা

লাল সবুজের পতাকার জন্য একাত্তরের রণাঙ্গণে জীবন বাজি ধরেছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা। পাক হায়েনাদের বুলেট আর কামানকে তুচ্ছ জ্ঞান করে লড়েছেন তারা। তাদের বীরত্বের ফলে মাত্র নয় মাসেই বিশ্বের মানচিত্রে পূর্ব পাকিস্থান নামটি রূপ লাভ করে লাল সবুজের ‘বাংলাদেশ’ নামে। এর আগে এত কম সময়ে কোন দেশ স্বাধীন হতে পারেনি।

রণাঙ্গণে লড়ে যাওয়া সেইসব বীর সেনানীদের অনেকেই আজ মানবেতর দিনযাপন করছেন। জীবন সায়াহ্নে এসে এখনো অনেকে খুঁজে পাননি ভবিষ্যত জীবনের দিশা। তাদের মধ্যে থেকে অস্বচ্ছল ও ভূমিহীন মুক্তিযোদ্ধাদের কথা বিবেচনা করে ২০১৩ সালে শুরু হয় ‘বীর নিবাস’ প্রকল্প। প্রকল্পটির কাজ শেষ হবে আগামী বছরের জুন মাসে।

প্রতিটি বাড়িকে লাল সবুজ রঙে রাঙানো হয়েছে। এসব বাড়ি দূর থেকে দেখলে মনে হবে জাতীয় পতাকা। সারাদেশের অন্যান্য জেলার মতো সিলেটেরও ৬২ মুক্তিযোদ্ধা পেয়েছেন সরকার উপহার হিসেবে নির্মাণ করা রাষ্ট্রীয় বাড়ি। ‘বীর নিবাস’ শিরোনামের রাষ্ট্রের নির্মিত বাড়ীগুলোর নির্মাণ প্রায় শেষের দিকে।

Courtesy: www.sylhetview24.com

Photos from Mohammadpur Thana Student's League- BSL's post 09/11/2016

বিনম্র শ্রদ্ধা।

Photos 08/11/2016

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী আজ দুপুরে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের স্মারক হিসেবে সেখানে কিছু সময় নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে মন্ত্রী পরিষদের সদস্য এবং দলের নবনির্বাচিত উপদেষ্টা পরিষদ ও কার্যনির্বাহী কমিটির নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু ও ১৫ আগস্টের শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় ফাতেহা পাঠ করেন ও বিশেষ মোনাজাতে শরীক হন।
বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহেনাও ফাতেহা পাঠ করেন এবং প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দর সঙ্গে মোনাজাতে শরীক হন। পরে তারা মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে যোগ দেন।
আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো আজ সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে তাঁর পৈত্রিক বাড়ি টুঙ্গীপাড়া পৌঁছেন।
টুঙ্গীপাড়া উপজেলা কমপ্লেক্সে হেলিপ্যাডে অবতরণের পর পরই প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সোজা এই মহান নেতার সমাধিতে যান।
তিনি আজ দুপুর ২টায় টুঙ্গীপাড়ায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ ও কার্যনির্বাহী কমিটির যৌথ সভায় সভাপতিত্ব করবেন।
শেখ হাসিনা ২২-২৩ অক্টোবর দলের ২০তম কাউন্সিলে সর্ব সম্মতিক্রমে পুনরায় দলের সভাপতি নির্বাচিত হন। এ নিয়ে বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা উপমহাদেশের অন্যতম পুরানো রাজনৈতিক দলের ৮ম বারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হন। একই কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন ওবায়দুল কাদের।

News: BSS
Photo: Yeasin Kabir Joy

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Shaheed Salimullah Road
Dhaka
1207