22/05/2026
ঈদুল আযহা উপলক্ষে পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ডে ১০কেজি হারে বিনামূল্যে বিজিএফ খাদ্যশস্য বিতরণ কার্যক্রম উদ্ভোদন করেন জনাব সম্রাট খীসা, প্রশাসক লক্ষ্মীপুর পৌরসভা।
প্রিয় পৌরবাসী : নিয়মিত পানির বিল পরিশোধ করুন * আপনার সন্তানকে টিকা দিন * আপনার শহর পরিচ্ছন্ন রাখুন * নিয়মিত পৌর কর পরিশোধ করুন
22/05/2026
ঈদুল আযহা উপলক্ষে পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ডে ১০কেজি হারে বিনামূল্যে বিজিএফ খাদ্যশস্য বিতরণ কার্যক্রম উদ্ভোদন করেন জনাব সম্রাট খীসা, প্রশাসক লক্ষ্মীপুর পৌরসভা।
18/05/2026
লক্ষ্মীপুর পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ আবারও হারালেন একজন মানবিক ও কর্মচারীবান্ধব মানুষ।
পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব খান মোহাম্মদ ফারাভী সবসময় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কল্যাণের কথা ভাবতেন। বিদায়বেলাতেও তিনি নিজের জন্য কিছু চাননি; বরং মাননীয় পৌর প্রশাসকের নিকট অনুরোধ করে গেছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৩০ লক্ষ টাকার একটি পৃথক ফান্ড গঠনের, যেন প্রয়োজনে সবাই সহজে লোন সুবিধা পেতে পারে। একজন কর্মকর্তা কতটা মানবিক হলে বিদায়ের মুহূর্তেও নিজের সহকর্মীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে পারেন, তিনি তার উজ্জ্বল উদাহরণ।
05/05/2026
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬
বালক গ্রুপের ফুটবল খেলায় ১-০ গোলে কমলনগর উপজেলাকে ফাইনাল রাউন্ডে পরাজিত করেছে লক্ষ্মীপুর পৌরসভা।
03/05/2026
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-এ
কাবাডি প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ডে দুর্দান্ত সাফল্য অর্জন করেছে লক্ষ্মীপুর পৌরসভা।
বালক ও বালিকা উভয় দলই হয়েছে চ্যাম্পিয়ন।
বালক দল জয়লাভ করে
১৯–৭ পয়েন্টে,
এবং বালিকা দল
২১–৪ পয়েন্টে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করে।
02/05/2026
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-এর
দাবা প্রতিযোগিতায় বালক গ্রুপে লক্ষ্মীপুর পৌরসভা অর্জন করেছে গৌরবময় সাফল্য।
প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান ও রানার্সআপ
দুইটিই দখল করেছে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার প্রতিযোগীরা।
29/04/2026
সম্মানিত পৌরবাসী,
আসসালামুয়ালাইকুম।
আমি প্রায় ১.৫ বছর ধরে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। সরকারি চাকুরির স্বাভাবিক নিয়মে আজ আমার বিদায়ের পালা। গত ১৪ নভেম্বর ২০২৪ তারিখ পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণ করে পৌরসভার সার্বিক অবস্থা দেখে হতবাক হয়েছিলাম। এক বিরাট চ্যালেঞ্জের মধ্যে দায়িত্ব নেয়া, পৌরসভা নাজুক অবস্থা থেকে উত্তরণের ভার। মহান আল্লাহর অশেষ রহমত, সম্মানিত পৌরবাসী ও আমার সম্মানিত সহকর্মীদের সহযোগিতায় আমি আমার সাধ্যমত দায়িত্ব পালন করেছি। এই দেড় বছরে সব কিছু করা সম্ভব না, তবে কি করেছি, কি করতে পারিনি আপনারা সবই জানেন। আমি আমার সাধ্যের সবটুকু দিয়ে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে কাজ করেছি। বিনিময়ে পেয়েছি আপনাদের ভালোবাসা ও সহযোগিতা। এই দেড় বছরে পৌরসভার যা সফলতা তার অংশীদার আপনারা সবাই, আর যা ব্যর্থতা তা আমারই । তবে ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি পৌরসভার প্রায় ৫০ বছর অতিক্রমের পর সার্বিক অবস্থা ও নাগরিক সেবার মান প্রত্যাশার অনেক দূরে রয়ে গেছে। আমি আশাবাদী, সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করলে এ ব্যর্থতা অতিক্রম করা যাবে। পৌরসভার রাস্তাঘাট, পানি, স্বাস্থ্য, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, পয়নিস্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি নিয়ে অনেক কাজ করার রয়েছে। সেক্ষেত্রে সম্মানিত নাগরিকদের সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, পাশাপাশি পৌর কর্তৃপক্ষের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রণিধানযোগ্য। তবে এত অল্প সময়ে সব কাজ সম্ভবপর নয়, এটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি কাজের এ ধারা অব্যাহত থাকলে লক্ষ্মীপুর পৌরসভাও একদিন কাংখিত লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে, ইনশাআল্লাহ। চলে যাওয়ার আগে সময়ের স্বল্পতার কারণে অনেকের সাথে দেখা হয়নি, কথা বলতে পারিনি, এজন্য আমি আন্তরিকভাবে
দু: খিত। অনেক কথা হলো, কাজ হলো এবার বিদায়ের পালা - সম্মানিত পৌরবাসী, সম্মানিত সহকর্মীবৃন্দ, সম্মানিত উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষসহ সকলের প্রতি রইলো আন্তরিক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। আপনাদের ভালোবাসা ও সহযোগিতা আমি চিরকাল মনে রাখবো। আমার অনিচ্ছাকৃত ভুল ত্রুটির জন্য ক্ষমাপ্রার্থী, সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। ভালো থাকুক লক্ষীপুর পৌরবাসী, এগিয়ে যাক লক্ষীপুর পৌরসভা।
সবার জন্য অফুরন্ত শুভকামনা ও দোয়া।
আন্তরিক কৃতজ্ঞতায়:
মো: জসীম উদ্দিন
বিদায়ী প্রশাসক (উপসচিব)
লক্ষীপুর পৌরসভা
লক্ষীপুর
27/04/2026
পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা সীমিত বেতনে মানবেতর জীবন যাপন করে, তাছাড়া চাকুরী শেষে তারা কোন আর্থিক সুবিধা পায়না। সেজন্য
লক্ষীপুর পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের কল্যাণে জীবন বীমা কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। শর্ত পূরণ সাপেক্ষে পৌরসভার ৪৮ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মীকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। যারা ভবিষ্যতে লক্ষীপুর পৌরসভায় এ পেশায় আসবে, তাদেরকেও বীমার আওতায় আনা হবে। এতে করে বছরে জন প্রতি কমবেশি করে ৪৮ জনের মোট ৩,৪৫,৯৩০ টাকা প্রিমিয়াম জমা দিতে হবে। যার অর্ধেক পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা এবং অর্ধেক পৌরসভা প্রদান করবে। ১৫ বছর মেয়াদী এই বীমা শেষে তারা প্রত্যেকে ২-৩ লক্ষ টাকা পাবে। এতে করে তারা আকস্মিক মৃত্যু বা চাকুরী শেষে কিছুটা হলে আর্থিক সাপোর্ট পাবে। আজ এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পৌর প্রশাসক জনাব মো: জসীম উদ্দিন। পৌরসভার পরিচ্ছনতা কর্মীদের জন্য শুভকামনা এবং সেসাথে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে জোরদারকরণসহ আরো আন্তরিকতা প্রত্যাশা রইলো।
27/04/2026
লক্ষীপুর পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আজ এক অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। লক্ষীপুর জেলার সনাক (সচেতন নাগরিক কমিটি) কর্তৃক আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জনাব মো: জসীম উদ্দিন, প্রশাসক, লক্ষীপুর পৌরসভা।
সভাপতিত্ব করেন সনাক সভাপতি জনাব প্রফেসর জেড. এম ফারুকি
25/04/2026
আজ পৌর প্রশাসক জনাব মো: জসীম উদ্দিন পৌরসভার নিজস্ব তহবিলের (রাজস্ব) আওতায় বাস্তবায়িত বিভিন্ন ওয়ার্ডের নিম্নোক্ত রাস্তাসমূহ পরিদর্শন করেন:
১) ৯ নং ওয়ার্ড আকরাম আলী খলিফা বাড়ি রোড সলিংকরন
২) ৮ নং ওয়ার্ড আব্দুল বেপারি বাড়ি রোড সলিংকরন
৩) ৮ নং ওয়ার্ড নিরাপদ আবাসিক কলোনী রোড আরসিসি
৪) ৩ নং ওয়ার্ড ফয়েজ বক্স পাটোয়ারী রোড সলিংকরন
৫) ৩ নং ওয়ার্ড আব্দুল আজিজ ভূঁইয়া বাড়ি রোড সলিংকরন
৬) ২ নং ওয়ার্ড ধনু মিয়া হাজী রোড সিসি করন
৭) ২ নং ওয়ার্ড শফিকুর রহমান রহমান পাটোয়ারী রোড সিসি করন
৮) ১ নং ওয়ার্ড হীরা গাজী রোড সিসি করন
৯) ১ নং ওয়ার্ড মাওলানা কলোনী রোড সলিংকরন
১০) ৯ নং ওয়ার্ড ছৈয়াল বাড়ি রোড সলিংকরন
উক্ত ১০ টি রাস্তায় মোট বরাদ্দ করা হয়েছিল ৫১.৭৯ লক্ষ টাকা। পরিদর্শনে কাজের গুনগত মান যাচাই করা হয়, ক্ষেত্র বিশেষে কিছু সংশোধন ও দিক নির্দেশনা দেয়া হয়। পরিদর্শনকালে পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী, অন্যন্য কর্মচারীগণ ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার উপস্থিত ছিলেন। রাস্তা উন্নয়নে ও রাস্তার কাজে এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেন।
14/04/2026
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩।
লক্ষীপুর পৌরবাসীকে জানাই শুভ নববর্ষ। বিদায়ী বছরের সকল অপ্রাপ্তি, বেদনা ও ব্যর্থতা মিশে যাক নতুন বছরের আগমনের ধারায়। নববর্ষের প্রতিটি দিন হোক সবার জন্য অর্থবহ, সফল ও সুন্দর, এই কামনায়-
মো: জসীম উদ্দিন
প্রশাসক (উপসচিব)
লক্ষীপুর পৌরসভা