আরে ভাই! ভাই! ভাই! বিষয়টা একবার কল্পনা করেন!😁
জো বাইডেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প, নরেন্দ্র মোদি, ভ্লাদিমির পুতিন, শি জিনপিং কিংবা সৌদি প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান... এরা সবাই যখন জাতিসংঘের ডায়াসে এসে ভাষণ দেবেন, তখন আমাদের বাংলাদেশের ড. খলিলুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলবেন, "Mr. President...! Mr. President...!" তখন ব্যাপারটা দেখতে কেমন লাগবে?? 😁
জ্বি! জ্বি!..... সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিসকে হারিয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের পরবর্তী মেয়াদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
জাতিসংঘের ইতিহাসে সাধারণ পরিষদকে বলা হয় "বিশ্বের সংসদ" । আর সেই সংসদের প্রধান বা স্পিকারের আসনে বসতে যাচ্ছেন একজন বাংলাদেশি। এর মানে হলো,
বিশ্ব রাজনীতির সবচেয়ে বড় মঞ্চটা এবার নিয়ন্ত্রণ করবেন একজন বাংলাদেশি।
বিশ্বনেতারা যখন বিশ্বমঞ্চে কথা বলবেন, তখন টাইম মেইনটেইন করা থেকে শুরু করে পুরো সেশন পরিচালনার রিমোট কন্ট্রোল থাকবে ওনার হাতে!
ব্যাপারটা ভাবতেই তো কত্ত ভাল্লাগতাসে। হ্যাটস অফ, বাংলাদেশ! 🫡
Rafi's Voice - কথায় রাফি
শালবন মিস্ত্রি পাড়া ,
২৫ নং ওয়ার্ড, ২/১
হাদি কোন বড় রাজনীতিবিদ ছিল না। ছিল না কোন বিরাট সেলিব্রিটি। না ছিল সে কোন মন্ত্রী এমপি, না ছিল কোন বিরাট দলের বিরাট কোন নেতা। ভারতবি/ রোধী এত এত হেভিওয়েট মানুষ এই দেশে থাকতেও কেন হাদিকেই হ* করতে হলো?
কারণ, হাদি এই জাতির ইতিহাসে প্রথম ব্যাক্তি যে আমাদের ঘুমন্ত মস্তিষ্ক জাগিয়ে দিচ্ছিলো। যে আমাদের জাগিয়ে তুলছিলো একদম ভেতর থেকে। আর কারো এই শক্তি ছিলো না। হাদি এই পুরো জাতির ঘুমন্ত বিবেককে নাড়া দিচ্ছিলো। হাদির নামে ২ বছরের শিশুও সেদিন কেঁদেছে। বৃদ্ধ থেকে শুরু করে তরুণ তরুণী, গৃহীনি, রাজনীতিবিদ, সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ উঁচু তলার মানুষ, দেশে বিদেশে সবাই কেঁদেছে। কেন? কারণ সে স্পেশাল। একটা জাতির ইতিহাসে শতাব্দীতে দু একজন এমন জ্ঞানী এবং পাশাপাশি বিপ্লবী ছেলে আসে যারা গোটা জাতিকে একসাথে জাগিয়ে দিতে পারে। তাই তাকে থামিয়ে দেয়া ছাড়া আর পথ ছিলো না ওদের।
হাসনাত আবদুল্লাহ হিসেবে পাক্কা,, তার এলাকায় দু র্নী তি সম্ভব না। হোক সেটা সরকারি অনুদান নিয়ে অথবা সরকারের অনুমোদিত কোনো প্রকল্প নিয়ে বা নিজের দেয়া কো র বানির গরুর মাং স নিয়ে।
হাসনাত আব্দুল্লাহ প্রত্যেক বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞেস করছে তার দেয়া কোরবানির মাং স তারা ঠিকমতো পেয়েছে কিনা। কেউ বাদ পড়েছে কিনা।
অন্যান্য এলাকায় এমপিরা জনগণের জন্য হয়তো কোরবানি দিয়েছে কিন্তু কোরবানির মাং স গুলো তার নেতাকর্মীরাই হয়তো হজম করে দিয়েছে। সেখানে হাসনাত আব্দুল্লাহ নিজের এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় কু-র বানী দিয়েছে,, সাথে আবার তুর্কি থেকে ফান্ড এনেও ২০ থেকে ২৫ টা গরু কো-র-বানি দেয়ার ব্যবস্থা করেছে। সব মাং সগুলো অ সহায় গরিবদের মাঝে বিতরণ করেছে।
হাসনাত আব্দুল্লাহর কার্যক্রম দেখলে দেবিদ্বারের মানুষের ভাগ্য নিয়ে আসলেই হিং সে হয়। কপাল করে তারা একজন এমপি পেয়েছে ।
যে এমপি রাত নেই, দিন নেই, বৃষ্টি নেই, ঝ ড় নেই, সব সময়ই তার এলাকার জনগণের জন্য ছুটে যায়।
আল্লাহুতালা হাসানাত আব্দুল্লাহকে এভাবেই মানুষের সেবা করার জন্য দীর্ঘদিন বাঁ চিয়ে রাখুক এই দোয়া করি। 🤲🤲??
#𝐤??𝐫𝐛𝐚𝐧
শিং মাছ মাছ যেভাবে ছাই দিয়ে ধরে, ঠিক সেভাবেই Hasnat Abdullah কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসক "মোস্তাক"কে ১০ কোটি টাকার বিষয়ে মি--থ্যা বলার জন্য ছাই দিয়ে ধরেছে একটু আগে।
ঘন্টা কয়েক আগে কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসক এক বক্তব্যে বলেন, " হাসনাত আবদুল্লাহ"কে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। এমন ভাবে কথাটা বলে, যেন "হাসানাত" এই ১০ কোটি টাকা মে-রে দিয়েছে।
বক্তব্যের কিছুক্ষণ পরেই "হাসানাত" কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে ফোন করে এর ব্যাখ্যা বা প্রমাণ চায়। কিন্তু প্রশাসক সাহেব তখন উত্তর দেন --- "আমি তো এভাবে বলি নাই। ১০ কোটি টাকা উপজেলার জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, আমি এই কথা বলেছি।মিডিয়া আমার কথা ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করেছে"।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন আমার এলাকার উন্নয়নের জন্য ১০ কোটি টাকার বরাদ্দ আনা হয়েছে।যার কাজ চলমান রয়েছে। সহজ বিষয়টিকে খুব বা-জে ভাবে ছড়ানো হচ্ছে এটা বলে যে আমি নাকি ১০ কোটি টাকা ব্যক্তিগত কারণে নিয়েছি।
চিন্তা করেন তো, এই দেশে কেন সৎ নেতৃত্ব তৈরি হয় না? যারাই সৎ থাকতে চায় তাদের পেছনেই উঠে পরে লেগে যায় কিছু মানুষ। মি--থ্যা দো-ষারোপ, প্রো+পা-গাণ্ডা, গু-জ-ব সব চালানো হয় তাদের বি-রুদ্ধে।
একটা মানুষকে যখন কোনভাবেই দমানো যাচ্ছিল না। তখন এক শ্রেণীর মানুষ একটা মি থ্যা অ--ভিযোগ এনে তাকে ছোট করার প্রচেষ্টা চালালো। কিন্তু সত্য তো সত্যই থাকে। তা একসময় প্রকাশ পেয়ে যায়।
শুনুন, বাংলাদেশপন্থী ভাই ও বোনেরা । জুলাই স্পিরিটে বিশ্বাসী আমার সহযোদ্ধারা …
সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আপনাদের মানুষ নেই বললেই চলে। যা আছে, সেগুলোকে অনেকে প্রায়ই “মুরগির গিলা-কলিজা” এসব বলে থাকেন । আমি কথাগুলো পুরোপুরি অস্বীকারও করব না। কিন্তু এর মানে এই না যে আমরা পিছিয়ে থাকব।
আমি পারলে, ভাই, আপনিও পারবেন। বিশ্বাস রাখেন এবং মনেপ্রাণে বিশ্বাস করা শুরু করেন। এটাই প্রথম কাজ, নিজের ভেতরে বিশ্বাস রোপণ করা। তারপর সেই বিশ্বাসের বৃক্ষকে বিশাল হতে দেওয়া, ডালপালা ছড়িয়ে প্রখর ও প্রগাঢ় করে তোলা। এরপর নিজের জায়গা করে নিতে ঝাঁপিয়ে পড়া।
আমি যখন এই অঙ্গনে ক্যারিয়ার শুরু করি, তখন আমার পূর্ববর্তী আটাশ পুরুষের কেউই মিডিয়ার সঙ্গে জড়িত ছিল না। তবু আমি এই কঠিন পথ বেছে নিয়েছিলাম। আল্লাহর ওপর বিশ্বাস ছিল, নিজের নিয়তের ওপর বিশ্বাস ছিল, নিজের কঠোর পরিশ্রমের ওপর বিশ্বাস ছিল। বিশ্বাস ছিল “সাফল্য আসবেই”। শুধুই নিজের ওপর প্রবল বিশ্বাস থেকেই এই পর্যন্ত ।
তবে অবশ্যই এবং অবশ্যই আজ আমি যতটুকু এসেছি, তার জন্যও আমি আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ।
এবার শুনুন, আমাদের মতো মানুষ শুধু বিশ্বাস দিয়েই অনেক কিছু জয় করতে পারে। আপনারাও অনেক কিছু জয় করেছেন। প্রমাণ দিই । ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণআন্দোলন। খালি হাতে প্রবল পরাক্রমশালী, বর্বর স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছেন আপনারাই।
তাহলে ব্যাপারটা দাঁড়াল, সবকিছুর শুরু বিশ্বাস থেকে।
আর অবশ্যই, আমি আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে। চলে আসেন, আমার ভাই ও বোনেরা। বিশ্বাস রাখেন, আপনাদের দিয়ে সব সম্ভব 🇧🇩
জিয়াউর রহমান খু ন হন! কিন্তু কারা এই হ*ত্যার পেছনে জড়িত বিএনপি আজও তা জানে না। এমনকি জিয়া হ* সঠিক বিচারও করতে পারে নি কখনো।
তবে বিভিন্ন পত্র পত্রিকা ও লেখকদের বিভিন্ন বই বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় জিয়া হত্যার সাথে ভারতের 'র' জড়িত ছিল। সেই সময় অনেক কারনের মধ্যে একটা কারণ ছিল, দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ। এই দ্বীপ নিয়ে ভারতের সাথে জিয়াউর রহমানের বিরোধ বাঁধে ততকালীন সময়। ভারত সেই দ্বীপে নিজেদের পতাকা টানিয়ে দেয়। জিয়া নৌবাহিনী পাঠিয়ে দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং ভারতীয় পতাকা খুলে ফেলেন। এ নিয়ে ভারতের সাথে চরম উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হবার মাত্র এক সপ্তাহ পরেই জিয়া খুন হন। এ জন্য অনেই বলেন, এই হত্যার এর পেছনে ছিলো ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা 'র'।
আবার অনেকে বলেন, সেই সময় শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক সুবিধা দিতেই ভারত জিয়াকে হ*ত্যা করে। তবে কারণ যাই হোক বিএনপি জিয়া হত্যার বিচার করতে পারে নি। এবং ক্ষমতায় এসে কখনো বিচারের উদ্যোগও তেমন নেয় নি। এটাও একটা আশ্চর্যজনক ব্যপার।
ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে জিয়াউর রহমান ছিলেন এ দেশের জাতীয় বীর। সবাই তাকে শ্রদ্ধা করতো, সম্মান দিতো, ভালোবাসতো শুধুমাত্র উনার দেশের প্রতি কমিটমেন্টের কারনে। উনি সেনাবাহিনীর মানুষ। দেশপ্রেম উনার কাছে সবার আগে প্রাধান্যের বিষয় ছিল। ভারত কিংবা যেকোনো দেশের সামনে উনি কথা বলতেন চোখে চোখ রেখে। ভারত সরকার জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশে তাদের আধিপত্য বজায় রাখার ব্যাপারে হুমকি মনে করতো।
সেই জিয়াউর রহমানের দল বিএনপি আজ ভারতের কাছে আজ্ঞাবহ, নতজানু। খসরু, আব্বাস, দুদু, সালাউদ্দিন এরা সব ভারতের কেনা দা&:লা ল। এই বিএনপিকে মানুষ ভালোবাসে নি। জিয়াউর রহমান এই বিএনপিকে রেখে যান নি। এই বিএনপি অচেনা।
ঈদ মোবারক 🐂🐂
গরুর হাটে বিএনপির সুশাসন !
গত কয়েক বছর ধরে কুরবানির পশু কিনি তেজগাঁওয়ে ভুমি অফিসের পাশে পশুর হাট থেকে। এটাই তেঁজগাওয়ে অনুমোদিত পশুর হাট। গতকাল সন্ধ্যার পর পশু কিনতে গিয়ে হাট পর্যন্ত যাওয়া লাগলো না। হাটের জন্য নির্দিষ্ট স্থান থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আগের রাস্তা পর্যন্ত শুরু হয়েছে গরুর হাট।
গরু কিনলাম আর একটু সামনে গিয়ে লাভ রোডে - যায় যায় দিন অফিসের সামনে থেকে। সেখানে রাস্তার মোড়ে হাসিল আদায়ের বুথ বসানো হয়েছে। পরে লক্ষ্য করলাম তেজগঁওয়ের প্রায় সব রাস্তা গরুর হাটে পরিনত হয়েছে। অনেক স্থানে বুথ বসানো হয়েছে। এই রাস্তাগুলো স্থানীয় বিএনপি , যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও যুবদলের নেতারা ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছেন। এরমধ্যে মিরপুরে মেট্রোরেলের স্টেশনের নীচে গরুর হাট বসানোর ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
বিএনপির মাঠ পর্যায়ের নেতৃত্ব যে বিশৃঙ্খলা এবং টেন্ডারবাজি, হাটদখল, রাস্তা দখল করে হাট বানানো ও চাঁদাবাজির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন, কুরবানির হাটের চিত্র তার বড় প্রমান। এসব বললে বিনপির নেতা ও অ্যাক্টিভিস্টরা চিড়বিড় করে উঠেন।
বাস্তবতা হচ্ছে মাঠের এসব ঘটনা থেকে মানুষ সরকার ও দল সর্ম্পকে ধারনা পায়। অনেকে মনে করেন বিএনপি দেশের স্বার্থে যত ভালো সিদ্ধান্ত নিক না কেন মাঠ পর্যায়ে দলের ওপর নিয়ন্ত্রন না থাকা সরকার ও দলের জন্য প্রধান সমস্যা। এর ফলে মানুষ মনে করে আর যাই হোক বিএনপি সুশাসন দিতে পারবে না। শুধুমাত্র তারেক রহমানের ব্যক্তি ইমেজ দিয়ে সাধারন মানুষের সাথে সর্ম্পকিত এসব ঘটনার প্রভাব ঢাকা দেয়া সম্ভব হবে না।
গতবারের ঈদ হয়েছিলো অর্ন্তবতী সরকারের সময়ে। সে সময় এমন কোনো বিশৃঙ্খলা দেখা যায়নি। মানুষের ঈদ যাত্রা ছিলো স্বস্তির। বিএনপির পক্ষে টিভি স্টাররা পলাতক আওয়ামীলীগের দোসরদের মতো অর্ন্তবতী সরকারের সমালোচনা করে বেশ আনন্দ পান। আমরা অর্ন্তবতী সরকারকে বলি দূর্বল সরকার। সেই সরকার যদি হাটে ও সড়কে শৃঙ্খলা আনতে পারে তাহলে দুই তৃতীয়াংশ আসন পাওয়া সবল সরকার কেন বিশৃঙ্খলার মধ্যদিয়ে যাবে ? এই প্রশ্ন তুলতে অনেকে আবার রাগ করেন।
একটা ব্যাপার আমি খেয়াল করলাম। বিএনপির লাভের লাভ কিছুই হচ্ছে না তবে কিছু কাজ করে শুধু শুধু নাম কামাচ্ছে। যেমন কিছু পোলাপানকে কিছুদিন আগে ফেসবুকে লিখালিখি করার জন্য গ্রেফতার করেছিল। পরে আবার ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। ছেড়েই যদি দিতে হবে ধরলি কেন? এতে নাম হলো কি? বিএনপি বাক স্বাধীনতায় বাধা দিচ্ছে। এইতো।
নাসিরুদ্দিনকে মার* তে দুই হাজার বিএনপি কর্মী গেল। ছাত্রদলের নেতা বলেছিল "মামলা হলে একটাও এখান থেকে জান নিয়ে যেতে পারবে না।" নাসিরুদ্দিন ঠিকই মামলা করে সেখান থেকে জান নিয়েই ফিরে আসলো। দুই হাজার কর্মী দিয়ে মা* তে যাওয়া এবং হুমকি ধামকি সব কিছুই অযথা। পারবি ই না যেহেতু গেলি কেন? কিন্তু এতে নাম হলো কি বিএনপি সৈরাচারী আচরণ করছে। প্রতিপক্ষকে খু* মামলা দিয়ে নিপীড়ন চালাচ্ছে। নাসিরুদ্দিনকে মা* তে গিয়ে তাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা রেজাকে গ্রেফতার করেছে গতকাল সন্ধ্যায়। কিন্তু তাকে আজকে দুপুরেই ছেড়ে দিতে হয়েছে বাধ্য হয়ে। রাখতেই যেহেতু পারবি না তাহলে গ্রেফতার করে সৈরাচার তকমা লাগাইলি কেন পিঠে?
এইভাবেই জাস্ট কাজের কাজ করতে না পেরে নিজেদের ইমেজ শুধু ডাউন করেই যাচ্ছে বিএনপি। লোডার ভাইয়েরা অবশ্য এগুলো বুঝে না। সেই জ্ঞান বুদ্ধি শিক্ষাদীক্ষা এদের নাই। যেদিন জনগণের হাতে গণ দৌড় খাবে সেইদন বুঝবে একটু একটু করে এভাবে ইমেজ নষ্ট করে কিভাবে আওয়ামিলীগও গণ শত্রুতে পরিনত হয়েছিল। বিএনপিও হবে।
এই দেশের আইন কি ভারত আমেরিকা থেকে পাশ হয়ে আসে? একটা আইনপ্রনয়ন করতে কয় ঘন্টা লাগে? কয়টা সংসদ লাগে? কয় কোটি মন্ত্রী লাগে?
সদিচ্ছা থাকলে সরকার ঘরে বসে ৩০ মিনিটেই আইন পাশ করতে পারে। এবং সেই আইনের মাধ্যমে ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই সরকার রামিসা হ* আসামিকে ফা* দিতে পারে।
একটা কথা মনে রাখবেন, এই যে আইনি জটিলতা, সংবিধান, আমলাতন্ত্র বা/ল ছাল যত কিছু আছে এগুলো আসলে কিছুই না। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে ৩০ মিনিটের মধ্যেই আইন বানানো যায়। ১ মাসের মধ্যেই দেশ নলের মতো সোজা করে ফেলা যায়।
কিন্তু দু:খজন ব্যাপার হচ্ছে এই দেশে কখনোই কোন রাজনৈতিক দল এই সদিচ্ছা নিয়ে ক্ষমতায় বসে না। সবাই নিজের পকেটের ধান্দার উদ্দেশ্য নিয়েই ক্ষমতায় বসে। যে কারণে অপরাধ কখনো কমেবনা। শুধু বাড়েই।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Rangpur
