"অনেক মানুষ আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, কিন্তু সাথে সাথে শিরকও করে।"
- সূরা ইউসুফ: ১০৬
Saidpur Government College
"Saidpur Government College" is the first college of Nilphamari district. Established in 1953. Affiliated with National University and Dinajpur Education Board.
14/04/2026
কাফের-মুশরিকদের উৎসবে বা তাদের উৎসবের আদলে করা উৎসবে শরিক হয়ে আল্লাহর সাথে পরোক্ষভাবে কাউকে শরিক করা থেকে বিরত থাকুন।
ইসলামে সবচেয়ে বড় পাপ শির্ক বা শিরক করা।
"নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর সাথে শরিক করাকে ক্ষমা করেন না, তবে এর নিম্ন পর্যায়ের গুনাহ তিনি যার জন্য ইচ্ছা করেন, ক্ষমা করেন।"
- সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৪৮, ১১৬
শিরক যেভাবে হয় (উদাহরণসহ):
আকীদাগত বা বিশ্বাসের শিরক (শিরকে আকবর):
সৃষ্টির উপাসনা: আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো (মূর্তি, কবর, জিন, বা মানুষ) ইবাদত করা ।
গায়েব বা অদৃশ্যের জ্ঞান: নবী, অলি বা জ্যোতিষীরা গায়েব বা ভবিষ্যতের কথা জানেন—এমন বিশ্বাস করা।
ক্ষতি বা কল্যাণের মালিক মনে করা: আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ কল্যাণ বা অশুভ করতে পারে—এমন বিশ্বাস করা।
ভালোবাসা ও ভয়ের শিরক: দুনিয়ার কাউকে আল্লাহর সমপরিমাণ বা তার চেয়ে বেশি ভালোবাসা বা ভয় করা।
কাজের মাধ্যমে শিরক (শিরকে আসগর):
লোক দেখানো ইবাদত (রিয়া): আল্লাহর সন্তুষ্টির বদলে মানুষের প্রশংসা পাওয়ার জন্য নামাজ, দান বা কোনো নেক আমল করা।
আল্লাহ ছাড়া নামে শপথ: আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর নামে (যেমন- পীর, মাজার, বা বাচ্চার দোহাই দিয়ে) শপথ করা।
কুসংস্কার: ভাগ্য জানতে জ্যোতিষী, গণক বা হাতের রেখা দেখার কাছে যাওয়া।
তাবীজ ও শিরকী কুসংস্কার: রোগ বা বালা-মুসিবত থেকে বাঁচতে তাবীজ, সুতা, বা আংটির উপর ভরসা করা।
মানত ও কুরবানীর শিরক: আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো উদ্দেশ্যে মানত করা বা পশু জবেহ করা।
আরো বিস্তারিত জানতে শিরক নিয়ে গবেষণা করুন এবং শিরক থেকে বেঁচে থাকুন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে শিরক থেকে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করুক।
27/03/2026
ইরানের মিনাৰ গার্লস স্কুলে আমে/রিকান-ইজ/রায়েলের মি/সাইল হামলায় অর্ধশত শিক্ষার্থী নি/হতের ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। শান্তি ফিরিয়ে আনার নাম করে নিরহ জনগণের উপরে সন্ত্রাসী হামলা এবং যুদ্ধ বন্ধের জন্য গোটা বিশ্বকে আহ্বান জানাচ্ছি। এই বর্বর ঘটনার জন্য যে যেভাবে যতটুকু পারেন নিন্দা জানান, বয়কট করুন তাদের পণ্য। ইয়া যুল-জালালি-ওয়াল-ইকরাম মুজলুম মুসলমানদের সহায় হোক।
- সৈয়দপুর সরকারি কলেজ
আর তোমরা দূর্বল হয়ো না এবং দুঃখিত হয়ো না, যদি তোমরা বিশ্বাসী হও তাহলে তোমরাই বিজয়ী হবে।
-( সূরা আল-ইমরান: ১৩৯)
21/02/2026
শহীদ মিনারে ফুল দেয়া শিরক নাকি শিরক নয়?
উত্তরে যাওয়ার আগে একটু ইতিহাস ঘেটে নেই।
"জরোয়াস্ট্রিয়ানিজ্ম" বা জরাথ্রুস্টবাদ - প্রাচীন পার্সি বা বর্তমান ইরানে এই ধর্মে প্রচলিত ছিল টাওয়ার বা মিনারের সামনে নীরবতা পালন করা।
মিনার বা টাওয়ারের সামনে কেন নীরব থাকতো তারা?
তারা মনে করতো এতে যা যা হবে
— মৃত ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধা ও আচার-অনুষ্ঠান
— "আত্মা ও পাথর" সংযোগ
— মৃত্যুর পবিত্রতা
— চূড়ান্ত দাতব্য কাজ
— দূষণ এড়ানো
দেব-দেবীর পূজার করার সময় মুশরিকরা নীরব থাকে কেন?
১. আধ্যাত্মিক আত্মসমর্পণ এবং নম্রতা (অহংকার বিনাশ)
২. গভীর মনোযোগ এবং একাগ্রতা
৩. শ্রদ্ধা এবং শ্রদ্ধার প্রকাশ
৪. ইতিবাচক শক্তি এবং শান্তি গড়ে তোলা
৫. সাংস্কৃতিক এবং মানসিক তাৎপর্য
শহীদ মিনারে ফুল দেয়া নিয়ে ইসলামে কি বলে?
পুষ্পার্ঘ নিবেদন, এক মিনিট নীরবতা পালন করা, মোমবাতি জ্বালানো, মশাল জ্বালানো, শিখা অনির্বাণ বা শিখা চিরন্তন প্রজ্বলন ইত্যাদির সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই।
এই গুলো বিজাতিরা পালন করছে আসছে - রোমান সম্রাজ্যের পেগানিস্ট , সুমেরীয় সভ্যতার মুশরিক থেকে বর্তমানের ইহুদি, খ্রিস্টান, সনাতনীরা একই ভাবে মুসলিমদের সেক্যুলার বানানোর কথা বলে এই ধরণের উপশিরক বা শিরকের কাজে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
"যে ব্যক্তি বিজাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করে, সে তাদের দলভুক্ত হিসেবে গণ্য হবে।" [সুনানে আবু দাউদ, অধ্যায়: পোশাক-পরিচ্ছেদ হা/৪০৩১-হাসান সহিহ]
“যে ব্যক্তি কোনো জাতির অনুকরণ, অনুসরণ ও সামঞ্জস্য বিধান করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে”
হাদীসটি ইমাম বুখারী ও মুসলিম রহ. বর্ণনা করেছেন; ‘ফতহুল বারী’: ১৩/৩০০; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ২৬৬৯।
হাদিস থেকে আমরা কি পাচ্ছি, এখানে স্পষ্ট যে যারা মুশরিকদের ন্যায় পাথরের সামনে নীরবতা পালন করলো, মাথা নিচু রাখলো, ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা করলো পাথরকে তারাও মুশরিকদের দলের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেলো।
যদিও এখানে সরাসরি পূজা করা হচ্ছে না কোনো দেবতাদের কিন্তু দেখতে হবে তাদের কি সম্মান জানানোর কথা বলে ধোঁকা দেয়া হচ্ছে কি না? কারণ অন্ধঅনুকরণ ইসলামে নেই। দেখবেন শহীদ মিনারের বেদিতে জুতা পড়ে উঠা যায় না যেমনটা মূর্তিদের বেদিতেও একই ভাবে সম্মান করা হয় যদি কেউ উঠে তবে তর্ক বিতর্ক থেকে মারামারি হয়ে যায়।
মুসলিমদের সব কিছু যাচাই করা সুন্নাহ।
‘‘হে মুমিনগণ, যদি কোনো পাপী তোমাদের কাছে কোনো খবর আনে, তবে তোমরা তা পরীক্ষা করবে যাতে অজ্ঞতাবশত তোমরা কোনো সম্প্রদায়কে ক্ষতিগ্রস্থ না কর, এবং পরে তোমাদের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত না হও।’’
- সূরা (৪৯) হুজুরাত: আয়াত ৬
এখানে হামিদুর রহমান এবং নভেরা আহমেদ ছিলেন ভাস্কর শিল্পী। তারা নামে মুসলমান ছিলেন কিন্তু প্রকাশ্যে এবং আচরণে কখনোই মুসলিম ছিলেন কি না সন্দেহ তবে মুক্তমনা ছিলেন। নভেরা আহমেদ বা ভাস্কর নভেরা একজন মুশরিক ছিলেন সরাসরি সনাতন বেশ ছিল যা তার বাহ্যিক ভাবে দৃশ্যমান। এখনো উইকিপিডিয়াতে তার ছবিসহ বায়ো দেয়া আছে।
মূলত তারা সুমেরীয় সভ্যতার ইনান্না, আরবীয় সভ্যতার উজ্জা, লাত, মানত কিংবা দূর্গা, লক্ষী, সরস্বতী দেবীর যেভাবে পূজা করা হয় ঠিক একই কনসেপ্টে একটি বড় এবং দুই পাশে ছোট ছোট আরো মিনার দিয়েছে।
নভেরা আহমেদের বাহ্যিক ভাবে সনাতন দৃশ্যমান, একই ভাবে তার শিল্পকর্ম কাদের দ্বারা অনুপ্রাণিত তাও দৃশ্যমান।
ভাস্কর নভেরার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল মুসলিমদের পথভ্রষ্ট করা এবং সে কাদের দ্বারা অনুপ্রাণিত তা স্পষ্ট তাই সে মুশরিকদের পূজার কনসেপ্ট কপি করেছে আর আমাদের রাজনৈতিকরা না বুঝে এতো দিন গিলেছে, কারণ এটা নিয়ে তাদের মাথা ব্যথা নেই কারণ চেতনা ব্যবসা চলবে তাদের এবং এটাকে জাতীয় রূপ দিয়েছে। যা আরো একটা একই বিশ্বের মনোযোগ আকর্ষণ করে বিশ্ব মান দাঁড় করিয়েছে। আসলে তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন, বিশ্ব স্বীকৃতি না।
আমাদের অনেক ইসলামিক স্কলার শহীদ মিনারে ফুল দেয়াকে সরাসরি শিরক বলে না আবার অনেকে উপশিরক বলে। তবে আমি এটার গড়া থেকে ইনভেস্টিগেট করে যা পেলাম তাতে মুসলমানদের ধোঁকা ছাড়া আর কিছুই দেয়া হয় নাই।
আমি এটাকে শিরক হিসাবেই গণ্য করবো কারণ অন্ধঅনুকরণ ইসলামে নেই এবং এটা থেকে মুসলমানদের দূরে সরে আসার আহবান জানাবো এবং না জেনে করার জন্য তওবা করার জন্য অনুরোধ করবো। আল্লাহ গাফুরুর রাহিম।
মুসলমানদের উচিত সে হোক দেশের প্রধান কিংবা বিরোধীদল যাচাই ছাড়া কোনো কাজে উৎসাহী না হওয়া। মানুষকে ইমপ্রেস করার জন্য আল্লাহকে আপসেট করানোর পরিণাম হবে চিরস্থায়ী জাহান্নাম। তাই স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে ভালোভাবে এই মিনার সম্মান বন্ধ করতে হবে।
"নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সঙ্গে অংশীদার করা ক্ষমা করেন না, তবে তিনি যাকে ইচ্ছা অন্যান্য পাপ ক্ষমা করে দেন। আর যে আল্লাহর সঙ্গে অংশীদার করে, সে এক গুরুতর পাপ করেছে।"
— সূরা আন-নিসা ৪:৪৮
আমরা অনেক ভাবে শহীদের স্মরণ করতে পারি যেটা ইসলামে জায়েজ রয়েছে। আমরা কি তাদের জন্য দোয়া করেছি কিংবা তাদের পরিবারদের খোঁজ খবর নিয়েছি কিংবা নিজেদের ভাষাকে বিশ্বে আরো মূল্যায়িত করার চেষ্টা করেছি?
কোনো একটা ভালো কাজ দিয়ে দিনটা স্মরণীয় করা যেতে পারে যেমন দরিদ্রদের সদকা করা, বৃক্ষরোপন করা, আরো অনেক কিছু। কিন্তু আমরা উল্টো নিজেদের জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার কাজ করছি এতে না শহীদের উপকার হচ্ছে, না আমাদের ভাষার। ইহকাল এবং পরকাল উভয় ক্ষতিগ্রস্থ থেকে বাঁচতে আমাদের শিরক থেকে সচেতন হতে হবে এবং অন্ধঅনুকরণ বন্ধ করতে হবে।
ব্ল্যাক ফিলোসোফার হামিদুর রহমান এবং নভেরা আহমেদ বা ভাস্কর নভেরাকে জানতে ও তাদের কাজকর্ম দেখতে পারবেন উইকিপেডিয়া এবং ইন্টারনেটে।
© দ্যা ব্ল্যাক ফিলোসফার্স - হু কন্ট্রোলস আ সোসাইটি
- আতাউল করিম
যদি তোমার বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হয়,তাহলে তোমার করার আছে অনেক কিছুই! ⤵️
দেরি হওয়ার আগে শেখা জরুরি..
১. “সময়মতো নামাজ পড়ো এটা তোমার দিনের কেন্দ্রবিন্দু এবং বরকতের চাবিকাঠি।”
__ সূরা আনকাবুত : আয়াত ৪৫
২. “নিজেকে শৃঙ্খলিত করো- আত্মনিয়ন্ত্রণ ছাড়া স্বপ্ন শুধু স্বপ্নই থেকে যায়।”
__ সূরা আল-হাশর : আয়াত ১৮
৩. “গোপনে হারাম থেকে বাঁচো একা থাকলে যা করো, সেটাই তোমার আসল পরিচয়।”
__ সূরা মুলক : আয়াত ১২
৪. “সঠিক বন্ধুর সঙ্গ নাও তারা তোমাকে জান্নাতের দিকে টানতে পারে, বা জাহান্নামের দিকে ঠেলে দিতে পারে।”
__ আবু দাউদ, হা/৪৮৩৩
৫. “অযথা বিয়েতে দেরি করো না "পারফেক্ট টাইম" এর পিছনে ছোটা অনেক সময় ফিতনার দিকে নিয়ে যায়।”
__ বুখারি, হা/৫০৬৫
৬. “বেসিক ফিকহ ও আকীদা শিখো- জ্ঞান ছাড়া আল্লাহর ইবাদত সঠিকভাবে করা যায় না। জ্ঞান ঈমান বাড়ায়।”
__ সুনান ইবনে মাজাহ, হা/২২৪
৭. “জবান নিয়ন্ত্রণ করো জিহ্বা এমন ক্ষ/ত করে, যা হাতের আঘা/তের থেকেও দ্রুত ধ্বং/স করে।”
__ তিরমিজি, হা/২৬১৬
৮. “দৃষ্টি হেফাজত করো- এটা তোমার হৃদয়কে অযাচিত বাসনা ও আফসোস থেকে রক্ষা করে।”
__ সূরা আন-নূর, আয়াত ৩০/৩১
৯. “নিয়মিত দান করো দান কখনো সম্পদ কমায় না, বরং বাড়ায়। ”
__ মুসলিম, হা/২৫৮৮
১০. “ঋণ থেকে দূরে থাকো এটা স্বাধীনতা ও বরকত কেড়ে নেয়।”
__ বুখারি, হা/২৩৯৭
১১. “শরীরকে শক্ত রাখো- স্বাস্থ্য একটি আমানত; শক্তি ইবাদত ও কাজে সহায়তা করে।”
__ বুখারি, হা/১৮
১২. “মূল্যবান কোনো দক্ষতা অর্জন করো যাতে তুমি হালাল উপার্জন করতে পারো, কারো চাকরির উপর নির্ভর না করে।”
__ তিরমিজি, হা/১১৩০
১৩. “প্রতিদিন কুরআন পড়ো এক পৃষ্ঠা হলেও আল্লাহর সাথে সংযোগ তৈরি হয়।”
__ সূরা ফাতির, আয়াত ২৯
১৪. “সফর করো আল্লাহর সৃষ্টি দেখো, জ্ঞান অর্জন করো, আর স্বাচ্ছন্দ্যের গণ্ডি ভাঙো।”
__ সূরা আল-আনকাবুত, আয়াত ২০
১৫. “মৃ/'ত্যুকে স্মরণ করো- এটা তোমার অগ্রাধিকার ঠিক রাখে।”
__ তিরমিজি, হা/২৩০৭
লেখা সংগৃহীত
“আহলান ওয়া সাহলান ইয়া রমাদান" 💚🌙
"হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর—যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।"
—সূরা আল-বাকারা ২:১৮৩
09/02/2026
নির্বাচন হচ্ছে কাদের বিনিময়ে?? ১৪০০+ ছাত্র-জনতার শহীদের রক্তের বিনিময়ে। প্রথম শহীদ উত্তরবঙ্গ দিয়েই শুরু। ওরা আর আসবে না ফিরে তাদের কৃতীত্ব চাইতে। তাদের ঋণ শোধ করার সময় এসেছে ১২ তারিখ।
"হ্যাঁ" ভোট দিয়ে স্বৈরাচার হওয়াকে রুখে দিন।
১২ কোটি ৭৭ লক্ষ ভোটার এর মধ্যে ৬ কোটি তরুণ তরুণী। আপনার একটি সঠিক সমর্থন এদের ভবিষ্যতের জন্য কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। তাই বুঝে শুনে যোগ্য প্রার্থী বেছে নেই আর "হ্যাঁ" ভোট দেই।
নেতৃত্ব আসুক শহীদদের পক্ষের শক্তিতে এবং যারা বিচার করবে আবু সাঈদ থেকে হাদি হত্যার
নেতৃত্ব আসুক যারা সোচ্চার ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে
নেতৃত্ব আসুক একটি পরিপক্ক এবং পরিবারতন্ত্রবিহীন সুসংগঠিত রাজনৈতিক দলের
নেতৃত্ব আসুক যারা শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনবে এবং উন্নত করবে
নেতৃত্ব আসুক যারা শিক্ষকদের তাদের সম্মান এবং সম্মানি বুঝিয়ে দিবে
নেতৃত্ব আসুক যারা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারবে
নেতৃত্ব আসুক চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ, ব্যাঙ্ক ডাকাতদের বিরুদ্ধে যারা সোচ্চার
গোলামি না আজাদি ??
আজাদি আজাদি
""হ্যাঁ""
.
.
.
বাংলাদেশ এবং সৈয়দপুরের সকল জুলাই যোদ্ধারা আবার একবার অন্যায় আসলে রুখে দিতে প্রস্তুত।
ধোঁকাবাজি বন্ধ করুন এডুকেশন কার্ড দিন। শিক্ষিত জাতি তৈরিতে এগিয়ে আসুন।
09/01/2026
জুলাই শহীদদের সম্মানে "হ্যাঁ" গণভোট দিবেন।
ভারতীয় আধিপত্যবাদ রুখে দিতে এবং ফ্যাসিবাদ মাথা চারা দিয়ে না উঠতে জুলাই সনদকে বাস্তবায়ন করুন।
#গণভোটেহ্যাঁ
#গণভোটে_হ্যাঁ
#হ্যাঁ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the business
Telephone
Website
Address
Bangla Bazar, Kundol
Saidpur
5310
