13/06/2026
BWCCI-EBT Implementation Progress Review Workshop অনুষ্ঠিত
আজ ১৩ জুন ২০২৬ তারিখে ঢাকার আগারগাঁওস্থ পর্যটন ভবনে Bangladesh Women Chamber of Commerce and Industry (BWCCI)-এর আয়োজনে BWCCI-EBT Implementation Progress Review Workshop অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কর্মশালায় Enterprise-Based Training (EBT) কার্যক্রমের বাস্তবায়ন অগ্রগতি, প্রশিক্ষণের মান, শিল্প প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা, কর্মসংস্থান সংযোগ এবং মাঠপর্যায়ের চ্যালেঞ্জসমূহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
ASSET প্রকল্পের আওতায় EBT কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হলো শিল্পের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা এবং প্রশিক্ষণার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করা। বিশেষভাবে নারী, যুবসমাজ এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে এ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
অনুষ্ঠানে Technical and Madrasah Education Division, ASSET Project, BWCCI এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা বাস্তবায়ন অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ করার বিষয়ে মতামত প্রদান করেন।
ASSET প্রকল্প বিশ্বাস করে—দক্ষতা উন্নয়ন তখনই অর্থবহ হয়, যখন তা সরাসরি কর্মসংস্থান, উৎপাদনশীলতা এবং শিল্পখাতের উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত হয়।
দক্ষ জনশক্তি গড়ি, অর্থনৈতিক রূপান্তর ত্বরান্বিত করি।
12/06/2026
আজ Green Garden, Dhaka-তে বাংলাদেশ এগ্রো-প্রসেসরস’ অ্যাসোসিয়েশন (BAPA) আয়োজিত “BAPA-EBT Implementation Progress Review Workshop” অনুষ্ঠিত হলো।
ASSET প্রকল্পের Enterprise-Based Training (EBT) কার্যক্রম বাস্তবায়নের অগ্রগতি, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা, চ্যালেঞ্জ এবং পরবর্তী করণীয় নিয়ে আজকের আলোচনা ছিল অত্যন্ত ফলপ্রসূ। শিল্পখাতের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করা—এটাই ছিল আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সম্মানিত সচিব জনাব মোঃ দাউদ মিয়া, ndc। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টিএমইডি’র অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) জনাব শামসুর রহমান খান। সভাপতিত্ব করেন BAPA-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট উজমা চৌধুরী।
EBT কার্যক্রম শুধু প্রশিক্ষণ নয়—এটি শিল্পের ভেতরেই দক্ষতা তৈরির একটি বাস্তবমুখী মডেল। Agro-processing sector-এর মতো সম্ভাবনাময় খাতে দক্ষ জনবল তৈরি হলে উৎপাদনশীলতা, কর্মসংস্থান এবং রপ্তানি সক্ষমতা—সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
ASSET প্রকল্প, BAPA এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
আন্তরিক ধন্যবাদ BAPA-কে সুন্দর আয়োজনের জন্য।
দক্ষতা হোক শিল্পের শক্তি, কর্মসংস্থানের ভিত্তি।
09/06/2026
রিমি রাণী রায়: সংগ্রাম পেরিয়ে স্বাবলম্বী এক তরুণী
ছোটবেলায় যখন অন্য বাচ্চারা খেলাধুলা নিয়ে ব্যস্ত থাকত, তখন রিমি রাণী রায়ের মনে ঘুরত অন্য এক প্রশ্ন, “আমি বড় হয়ে কী হব?” কিন্তু সেই স্বপ্নের পথে ছিল বাস্তবতার এক কঠিন দেয়াল। পরিবারের সীমিত সামর্থ্য, অর্থকষ্ট আর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তাকে বারবার ভাবিয়ে তুলত।
দিনাজপুরের খানসামার সাধারণ এক পরিবারে বেড়ে ওঠা রিমি ছোটবেলা থেকেই বুঝেছিলেন, শুধু স্বপ্ন দেখলে হবে না, নিজেকে দক্ষ করে তুলতে হবে। কিন্তু সুযোগ কোথায়? একদিন তিনি জানতে পারেন ASSET প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির কথা। তিনি ভর্তি হন কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি), খানসামায় তিন মাসব্যাপী ওয়েব ডিজাইন প্রশিক্ষণে।
শুরুটা সহজ ছিল না। নতুন বিষয়, নতুন পরিবেশ, শেখার চাপ, ভুল করার ভয়, সব মিলিয়ে প্রথম দিকে বেশ কষ্ট হয়েছে। কিন্তু রিমি হাল ছাড়েননি। প্রতিদিন ধীরে ধীরে নিজের দক্ষতা বাড়িয়েছেন। প্রশিক্ষকদের সহযোগিতা আর নিজের অধ্যবসায় তাকে সামনে এগিয়ে যেতে সাহস দিয়েছে।
প্রশিক্ষণ শেষে তিনি শুধু একটি সনদই পাননি, পেয়েছেন আত্মবিশ্বাস এবং নিজের পায়ে দাঁড়ানোর শক্তি। বর্তমানে তিনি দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর এলাকায় অবস্থিত ড. ইঞ্জিনিয়ার মামুনুর রশীদ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন। মাসিক আয় ১৫ হাজার টাকা। পাশাপাশি তিনি ওয়েব ডিজাইনে উচ্চতর ডিগ্রি (লেভেল-৪) সম্পন্ন করার জন্য তৈরি হচ্ছেন।
রিমির ভাষায়, “কারিগরি শিক্ষা আমাকে শুধু কাজ শেখায়নি, আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। এখন আমি পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারি, নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে পারি।”
রিমির এই গল্প আমাদেরকে বুঝিয়ে দেয়, সঠিক সুযোগ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি থাকলে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব। তিন ASSET প্রকল্প এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি), খানসামার শিক্ষকদেরকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
22/05/2026
“ক্যারিয়ার গাইডলাইন সেমিনার ২০২৬” সফলভাবে অনুষ্ঠিত হলো দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে।
আজকের এই আয়োজনে শিক্ষার্থীদের বিপুল উপস্থিতি ও প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। বর্তমান যুগে শুধু ডিগ্রি নয়, দক্ষতা, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং সঠিক ক্যারিয়ার পরিকল্পনাই একজন শিক্ষার্থীকে সফলতার পথে এগিয়ে নেয় — সেই বার্তাই তুলে ধরা হয় সেমিনারে।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ দাউদ মিয়া, এনডিসি, সচিব, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব শামছুর রহমান খান, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন), কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং অন্যান্য সম্মানিত অতিথিবৃন্দ।
ASSET Project, Directorate of Technical Education এবং The World Bank-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এ সেমিনারে শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরা হয়—
• আধুনিক কর্মক্ষেত্রের চাহিদা
• Industry-driven skill development
• EBT ও Short Course Training-এর সুযোগ
• Freelancing, entrepreneurship ও global employability
• প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার পরিকল্পনা
শিক্ষার্থীদের উৎসাহ, প্রশ্নোত্তর পর্বে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের স্বপ্ন সত্যিই আশাব্যঞ্জক।
কারিগরি শিক্ষাকে যুগোপযোগী, দক্ষতাভিত্তিক এবং কর্মমুখী করতে ASSET Project নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
21/05/2026
কারিগরি শিক্ষার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আজ অনুষ্ঠিত হলো মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অংশগ্রহণে এক গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের মাননীয় সচিব জনাব মোঃ দাউদ মিয়া, এনডিসি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব এবং ASSET প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক জনাব সামছুর রহমান খান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনাব আবু হামেদ মোঃ জাকারিয়া শাহিদ, অধ্যক্ষ (অতি. দায়িত্ব), রংপুর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণ, শিল্প প্রতিষ্ঠানের সাথে সংযোগ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে কারিগরি শিক্ষাকে আরও জনপ্রিয় ও কার্যকর করে তুলতে হবে।
শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সরাসরি অংশগ্রহণে আয়োজিত এ কর্মশালায় কারিগরি শিক্ষার বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা, ভর্তি প্রক্রিয়া, কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা এবং ASSET প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। উপস্থিত অংশগ্রহণকারীরা আগ্রহের সাথে মতবিনিময় করেন এবং কারিগরি শিক্ষার প্রসারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
দক্ষ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি কারিগরি শিক্ষাকে সাধারণ মানুষের আরও কাছে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
18/05/2026
যুক্তির আলোয় উদ্ভাসিত হলো শিক্ষার্থীদের মেধা, বিশ্লেষণী দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস।
আজ মুন্সিগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে অনুষ্ঠিত হলো “ডিবেট এবং স্পিচ কম্পিটিশন-২০২৬”। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের মাননীয় সচিব জনাব মোঃ দাউদ মিয়া এনডিসি স্যার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) ও ASSET প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক জনাব সামছুর রহমান খান স্যার। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনাব আবুল খায়ের মোহাম্মদ আক্কাস আলী, মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব), কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের সুযোগ্য অধ্যক্ষ জনাব মোঃ ওসমান গনি স্যার, ।
বিতর্কের মূল প্রতিপাদ্য ছিল: “কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে ডিজিটাল প্রযুক্তিই শ্রেষ্ঠ” যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের যুক্তি, বিশ্লেষণী ক্ষমতা, উপস্থাপনা দক্ষতা ও সমসাময়িক জ্ঞান দিয়ে উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করেছে।
অনুষ্ঠানে বিচারকমণ্ডলী, শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে। বিতর্ক ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্ব, আত্মবিশ্বাস, যুক্তিবোধ ও কার্যকর যোগাযোগ দক্ষতা বিকাশের একটি চমৎকার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
কারিগরি শিক্ষাকে আরও আধুনিক, উদ্ভাবনী ও যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
10/05/2026
স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন সাখাওয়াত
আজ তিনি একজন সফল ফ্রিল্যান্সার
রাজশাহীর গোদাগাড়ীর কাকনহাট এলাকার তরুণ মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের স্বপ্ন ছিল নিজের যোগ্যতায় একটি সফল ক্যারিয়ার গড়ে তোলা। তার পিতার নাম মোঃ সারোওয়ার মুর্শেদ, মাতার নাম মোসাঃ আনজুমানআরা এবং বাড়ি কাকনহাট, গোদাগাড়ী, রাজশাহীতে। ইংরেজিতে অনার্স সম্পন্ন করার পর তিনি জীবিকার প্রয়োজনে Walton-এ প্রায় চার বছর চাকরি করেন। স্থায়ী চাকরি থাকা সত্ত্বেও নিজের স্বপ্ন ও সম্ভাবনাকে আরও বড় পরিসরে কাজে লাগানোর ইচ্ছা তাকে নতুন পথে পা বাড়াতে উৎসাহিত করে।
তিনি ASSET Project-এর আওতায় রাজশাহীর হাইটেক পার্কে অবস্থিত Arodesk Learning Institute পরিচালিত Digital Marketing বিষয়ে প্রশিক্ষণ অংশগ্রহণের সুযোগ পান। পরিবার ও আশপাশের মানুষের অনেকেই স্থায়ী চাকরি ছেড়ে নতুন পথে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করেন। কিন্তু সাখাওয়াত নিজের স্বপ্নের ওপর, নিজের চেষ্টার ওপর আস্থা রেখেছিলেন।
প্রশিক্ষণ চলাকালে নিয়মিত অনুশীলন, লাইভ সেশন, হাতে-কলমে প্রজেক্টভিত্তিক শিক্ষা এবং দক্ষ মেন্টরদের দিকনির্দেশনা তাকে দ্রুত দক্ষ করে তোলে। শুরুতে নানা চ্যালেঞ্জ ও ব্যর্থতা এলেও তিনি থেমে যাননি। ধারাবাহিক চেষ্টার ফল হিসেবে কোর্স চলাকালেই Bangkok-এর একটি প্রাইভেট কার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল মার্কেটিং Ads Campaign পরিচালনার কাজ পান। সেখান থেকেই আসে তার প্রথম আয়ের ৫,৮০০ টাকা। ঘরে বসে দূরের কাজ দিয়ে শুরু হয় অন্য জীবন।
এই অর্জন তার আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে প্রশিক্ষণকালেই তিনি মোট ৬৮,০০০ টাকা আয় করতে সক্ষম হন। তিনি National Skills Development Authority (NSDA) থেকে “Digital Marketing for Freelancing Level-3” কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করে ‘Competent’ হিসেবে উত্তীর্ণ হন।
বর্তমানে সাখাওয়াত একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে দেশি-বিদেশি ক্লায়েন্টদের সঙ্গে নিয়মিত কাজ করছেন। প্রতি মাসে গড়ে আয় করেন প্রায় ৪০ হাজার টাকা। তার এই যাত্রা প্রমাণ করে, সঠিক দিকনির্দেশনা, কারিগরি দক্ষতা, ধৈর্য এবং কঠোর পরিশ্রম একজন তরুণের জীবন বদলে দিতে পারে।
ASSET Project তথা কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর বিশ্বাস করে, কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেশের তরুণদের আত্মনির্ভরশীল ও কর্মসংস্থানমুখী করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সাখাওয়াতের মতো অসংখ্য তরুণ আজ দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছেন এবং দেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক অবদান রাখছেন।
28/04/2026
একটাই লক্ষ্য
হতে হবে দক্ষ
কর্মে হব যুক্ত
24/02/2026
যেখানে প্রশিক্ষণ, সেখানেই চাকরি