বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, গাইবান্ধা জেলা শাখা

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, গাইবান্ধা জেলা শাখা

Partager

Informations de contact, plan et itinéraire, formulaire de contact, heures d'ouverture, services, évaluations, photos, vidéos et annonces de বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, গাইবান্ধা জেলা শাখা, Parti politique, Democratic Republic of the.

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও প্রভাবশালী ছাত্রসংগঠন। এটি মূলত বাংলাদেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–এর ছাত্রসংগঠন হিসেবে পরিচিত।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ইতিহাস
প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৪৮ সালে ৪ ঠা জানুয়ারি।

22/06/2026

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা

আজ ২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এই মাহেন্দ্রক্ষণে আমি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। শ্রদ্ধা জানাচ্ছি দলের অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত শামছুল হকসহ সকল নেতৃবৃন্দকে, জাতীয় চার নেতা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের। গভীর কৃতজ্ঞতা দলের নেতা, কর্মী, সমর্থকসহ সকল শুভানুধ্যায়ীকে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ইতিহাস ও বাংলাদেশের সৃষ্টি অবিচ্ছিন্ন গৌরবগাথা। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর শাসকগোষ্ঠীর প্রতিক্রিয়াশীল ও বর্ণবাদী আচরণের বিরুদ্ধে বাংলার মানুষের প্রতিবাদে জন্ম আওয়ামী লীগের। প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম সম্পাদক ও পরবর্তীতে প্রধান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মহাকাব্যিক নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ হয়ে ওঠে বাঙালির অধিকার আদায়ের একমাত্র গণতান্ত্রিক প্ল্যাটফর্ম। এই দলের নেতৃত্বেই পাকিস্তানি উপনিবেশবাদকে পরাজিত করে অর্জিত হয় স্বাধীন এবং সার্বভৌম বাংলাদেশ।

বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পর দীর্ঘ লড়াই এবং সংগ্রামের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের হাত ধরেই দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়। অর্থনীতিসহ সকল খাতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন করে বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাপূর্ণ ও সমৃদ্ধিশালী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই।

কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে দলের অগণিত নেতাকর্মী নজিরবিহীন নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার। শত শত নেতাকর্মী দেশের অর্জিত পরিচয় রক্ষার লড়াইয়ে প্রাণ দিচ্ছে।

আজকের এই ঐতিহাসিক দিনে আমি দেশবাসী ও দলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে বলব, কোনো দমন-পীড়নের কাছে মাথা নোয়াবেন না। ইতিহাস সাক্ষী, আওয়ামী লীগকে কখনও স্তব্ধ করা যায়নি। যে দল বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছে, জনগণের অধিকার ও সমর্থন নিয়ে সেই দল আবারও দেশকে অবৈধ দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত করবে এবং সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করবে।
বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
আঁধার কেটে ভোর হোক
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

21/06/2026
21/06/2026
21/06/2026

জেলখানার অন্ধকার প্রকোষ্ঠ থেকে মায়ের উদ্দেশে লেখা এক ছাত্রলীগ কর্মীর চিঠি।

একের পর এক আটটি মামলার ভার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বন্দি জীবন কাটছে তার। কারাগারের ভেতরেই কেটে গেছে জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সময়গুলো। সদ্যভূমিষ্ঠ কন্যার জটিল অপারেশনের সময়ও পাশে থাকতে পারেনি সে।

দীর্ঘ বন্দিত্ব তাকে এমন এক জায়গায় এনে দাঁড় করিয়েছে, যেখানে মুক্তির স্বপ্নও আর তাকে আলোড়িত করে না। তাই মায়ের কাছে তার একটাই অনুরোধ- আর যেন জেলখানায় দেখা করতে না আসে, জামিনের জন্যও যেন আর ছুটোছুটি না করে। শুধু যদি সম্ভব হয়, খাবারের জন্য কিছু টাকা পাঠিয়ে দিও।

হয়তো একদিন কারাগারের দরজা খুলবে, কিন্তু হারিয়ে যাওয়া সময় আর বুকের ভেতর জমে থাকা নীরব কান্নার বিচার কোনোদিনই ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না।

21/06/2026

কালা পাডা হাসনাতরে ডিম দোচন দিলো আমাদের ভাইয়েরা। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

20/06/2026

আ. লীগ কারো ক্ষমতার ঢাল হবে না বিএনপির দেওয়া গোপন প্রস্তাব রুখে দিয়ে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনার কঠোর বার্তা
-----------------

৫ আগস্টের পর দেশজুড়ে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক জটিলতার মাঝেও নিজের আপসহীন ও দৃঢ়চেতা ভাবমূর্তি আরও একবার প্রমাণ করলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

দলের নেতাকর্মীদের ওপর আইনি ও রাজনৈতিক বাধা তুলে নেওয়ার বিনিময়ে বিএনপির দেওয়া একটি বিশেষ সমঝোতার প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন তিনি।

কোনো শক্তির করুণা বা গোপন শর্তে নয়, বরং দেশের কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসা এবং দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের ঐতিহ্যকে সঙ্গী করেই আওয়ামী লীগ রাজপথে ফিরবে—এমন বার্তাই দিয়েছেন দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব।

বিএনপির প্রস্তাব ও কৌশল: আওয়ামী লীগ মাঠে ফিরলে তারা জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির মুখোমুখি দাঁড়াবে—এই সমীকরণ থেকে বিএনপি নিজেদের ক্ষমতা সুসংহত করতে ৫ বছরের ‘নির্দলীয় নিরবচ্ছিন্ন’ ক্ষমতার গ্যারান্টি চেয়েছিল।

আইনি স্বস্তির টোপ প্রত্যাখ্যান: এই শর্ত মানলে আওয়ামী লীগের ওপর থেকে সব ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।

শেখ হাসিনার অনড় ও ইতিবাচক অবস্থান: কোনো গোপন চুক্তি বা কারো ক্ষমতার সিঁড়ি হয়ে নয়, আওয়ামী লীগ তার নিজস্ব গৌরবময় ইতিহাস ও সাংগঠনিক শক্তিতেই পুনর্গঠিত হবে।

বিএনপির মনস্তাত্ত্বিক পরাজয়: শেখ হাসিনার এমন দৃঢ় অবস্থানের পর বিএনপির ভেতরে তৈরি হয়েছে চরম আতঙ্ক। তাদের ভয়, যেকোনো মুহূর্তে এই রাজনৈতিক সমীকরণ ঘুরে গিয়ে বিএনপি নিজেই বড় ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিএনপির হাই কমান্ডের পক্ষ থেকে সম্প্রতি আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে একটি অলিখিত রাজনৈতিক প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। বিএনপির মূল হিসাব ছিল, আওয়ামী লীগ যদি মাঠে নামে, তবে জামায়াত ও অন্যান্য দলগুলো তাদের প্রতিহত করতে ব্যস্ত থাকবে। এর ফলে ক্ষমতার মূল কেন্দ্রে থাকা বিএনপি একধরনের দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক স্বস্তিতে থাকবে। অর্থাৎ, নিজেদের ক্ষমতা সুরক্ষিত রাখতে আওয়ামী লীগের বিশাল জনসমর্থন ও রাজনৈতিক প্রভাবকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিল বিএনপি।

আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে, বিএনপির এই প্রস্তাব সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছানো মাত্রই তিনি তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন।

শেখ হাসিনা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, আওয়ামী লীগের মতো একটি প্রাচীন এবং দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়া দল কোনো বিশেষ শক্তির দয়া, শর্ত বা গোপন সমঝোতার ওপর ভিত্তি করে রাজনীতিতে ফিরতে পারে না। দলের তৃণমূল নেতাকর্মী এবং দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীই এই দলের মূল চালিকাশক্তি। ক্ষমতার লোভ বা সাময়িক স্বস্তির জন্য কোনো সুবিধাবাদী সমীকরণের অংশ হতে রাজি নন তিনি। বরং প্রতিকূল পরিবেশেও নিজেদের ভুলত্রুটি শুধরে, সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করে সঠিক সময়ে জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন নিয়েই রাজপথে ফেরার পক্ষে তিনি।

আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ নেতা অত্যন্ত প্রত্যয়ের সাথে বলেন: “আওয়ামী লীগ জনগণের দল। আমরা কোনো শক্তির কাছে মাথা নত করে বা কারো ক্ষমতায় থাকার গ্যারান্টি দিয়ে রাজনীতি করব না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের আপস করতে শেখাননি। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যখন ফিরবে, জনগণের অধিকার আদায়ের লড়াই নিয়েই বুক ফুলিয়ে নিজস্ব শক্তিতে ফিরবে।”

এদিকে শেখ হাসিনার এই অনড় ও সাহসী অবস্থানের কারণে বিএনপির নীতিনির্ধারকদের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। দলটির একাংশের আশঙ্কা, আওয়ামী লীগকে মাইনাস করার যে চক্রান্ত হয়েছিল, তা তো সফল হয়ইনি, উল্টো শেখ হাসিনার এই দৃঢ়তা দেশের সাধারণ মানুষের মনে আওয়ামী লীগের প্রতি ইতিবাচক ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনছে।

একই সাথে, ক্ষমতার লোভে বিএনপির এমন গোপন নেগোসিয়েশনের খবর প্রকাশ পাওয়ায় জামায়াত ও এনসিপির সাথে বিএনপির সম্পর্কে ফাটল ধরার উপক্রম হয়েছে। বিএনপির থিঙ্কট্যাংক এখন শঙ্কিত যে, শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দূরদর্শিতার কাছে তাদের এই গোপন চাল সম্পূর্ণ ভেস্তে গেছে।

রাজনীতিতে চক্রান্ত বা শর্তের চেয়ে যে আদর্শ ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা বড়—শেখ হাসিনার এই সিদ্ধান্ত তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সাময়িক কোনো সুবিধার জন্য দলের নীতি বিসর্জন না দিয়ে, রাজকীয়ভাবে ও জনগণের ম্যান্ডেট নিয়েই আওয়ামী লীগ আগামী দিনে দেশের রাজনীতিতে তার গৌরবময় অবস্থান পুনরুদ্ধার করবে—এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

Vous voulez que votre entreprise soit Service Du Gouvernement la plus cotée à Democratic Republic of the ?

Cliquez ici pour réclamer votre Listage Commercial.

Adresse


Democratic Republic Of The