London Sunny day
Kazi sobuj ব্লগ
Blogger
17/01/2026
এক শকুনের দল উড়তে উড়তে সমুদ্রের মাঝে একটি দ্বীপে গিয়ে পৌঁছালো। সেখানে খাবারের কোন কমতি ছিল না। মাছ, সামুদ্রিক জীব এগুলোতে দীপটি ভরপুর ছিল। সবচেয়ে আনন্দের বিষয় ছিল,সেখানে তাদের কোন শত্রু ছিল না,। সবাই সেখানে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে লাগলো।
শকুন রা ভাবতে লাগলো, তারা সারা জীবন এখানেই থাকবে। এরকম সুখ এবং আরামদায়ক জীবন তারা কোথাও খুঁজে পাবে না।
দলের মধ্যে একটা বৃদ্ধ শকুন ছিল। ও দেখল আরাম আয়েশের জীবন সবাইকে অলস বানিয়ে দিচ্ছে। ওর চিন্তা হতে লাগলো। ও ভাবল, এখন যদি শকুনের কোন বিপদ হয় তাহলে মোকাবেলা কিভাবে করবে?
বৃদ্ধ শকুন সভা ডেকে বলল, এখন আমাদের জঙ্গলে ফিরে যাওয়া উচিত। এখানে কোন পরিশ্রম ছাড়া জীবন যাপন করে দিন দিন আমরা দুর্বল হয়ে যাচ্ছি। অন্যান্য শকুন তার কথা হেসে উড়িয়ে দিল এবং সেখানেই থাকার সিদ্ধান্ত নিল। বৃদ্ধ শকুন একাই জঙ্গলের দিকে ফিরে গেল।
কিছুদিন পর যখন সে বৃদ্ধ শকুন সেই দ্বীপে সবাইকে দেখতে এলো, তখন অবাক হয়ে গেল। চারদিকে শকুনের লাশ আর আধমরা শকুন পড়ে ছিল। একটি আধমরা শকুন কে জিজ্ঞেস করলো, এসব কিভাবে হলো?
শকুন টি তখন বলল, আপনার চলে যাওয়ার পর আমরা খুব শান্তিতে বসবাস করছিলাম। তখন হঠাৎ এক জাহাজ এখানে ছেড়ে কিছু চিতাবাঘ দিল। প্রথম কিছুদিন কিছু হয়নি। কিন্তু কিছুদিন পর যখন চিতাগুলো বুঝতে পারল আমরা ওড়াই ভুলে গেছি, আমাদের পাখা, নখ সব দুর্বল হয়ে গেছে। না আমরা হামলা করতে পারছিলাম, না নিজেকে বাঁচাতে পারছিলাম। তখন সেই চিন্তা গুলো আমাদের মারা শুরু করল।
আপনার কথা না শুনে আজ আমাদের এই দশা।
আসলে যখন আমরা আমাদের আরাম আয়েশের জীবনে ফেঁসে যাই তখন ধীরে ধীরে আমাদের ক্ষমতা কে নষ্ট করে ফেলি। এইজন্য নিজেকে বারবার কঠোর পরিশ্রমের সম্মুখীন করতে হয়। তাহলে জীবনের শক্তি বৃদ্ধি করা এবং উন্নতি সাধন করা দুটোই সম্ভব।
゚viralシalシgood ゚viralシfypシ゚viralシalシ
পুরুষের ঘুমটাই তার একমাত্র বিলাসিতা।
জেগে থাকার মানে—
দায়িত্ব, হিসাব, টেনশন, সংগ্রাম।
তাই ঘুমই তার ছোট্ট সুখের রাজ্য।
লন্ডনের চোরের কি সাহস দেখুন সিকিউরিটি গার্ড আছে মানুষ আছে দিনের বেলাতেই সে সব নিজের মনে করে নিয়ে যাচ্ছে ゚viralシfypシ゚viralシal
12/06/2025
নিজেকে না বদলালে
কেউ আপনাকে বাঁচাতে আসবে না।
এই পৃথিবীতে কেউ আপনাকে এসে সফল করে দিয়ে যাবে না।
কেউ এসে আপনাকে টেনে তুলবে না, যদি আপনি নিজে উঠে দাঁড়াতে না চান।
জীবনের লড়াই আপনাকেই লড়তে হবে, একদম একা।
১. কেউ আপনাকে কিছু দিতে বাধ্য না
আপনার বাবা-মা আপনাকে জন্ম দিয়েছেন, মানুষ করেছেন।
তবে আপনি জীবনে কতদূর যাবেন, কত বড় হবেন— সেটা একান্তই আপনার দায়িত্ব।
কেউই বাধ্য না আপনাকে সুযোগ করে দিতে।
আপনাকেই নিজের সুযোগ তৈরি করতে হবে।
২. পৃথিবী কঠিন, আপনি যদি দুর্বল থাকেন তো শেষ
জীবন কারও জন্য থেমে থাকবে না।
আপনি ব্যর্থ হলে, খুব বেশি মানুষ এক মিনিটও সময় দেবে না আপনার জন্য।
এই দুনিয়ায় টিকে থাকতে হলে আপনাকে মজবুত হতে হবে — মানসিকভাবে, মানসিকতায়, সিদ্ধান্তে।
নাহলে পৃথিবী আপনাকে গিলে ফেলবে, একটুও দয়া করবে না।
৩. কষ্ট হবে, কিন্তু কেউ দেখবে না
হয়তো আপনি রাত জেগে পরিশ্রম করছেন, একা লড়াই করছেন, কাঁদছেন —
কিন্তু কেউ তা দেখবে না।
মানুষ শুধু ফলাফল (result) দেখতে চায়,
আপনার পরিশ্রম (process) নয়।
তাই নীরবে লড়াই করুন, জেতার পর সবাই দেখবেই।
৪. বারবার ক্ষমা চাইলে পিছিয়ে পড়বেন
যদি আপনি সবসময় অজুহাত দেন—
যে, “সময় পাইনি”, “পরিস্থিতি খারাপ ছিল”, “ভাগ্য সহায় ছিল না”—
তাহলে আপনি কখনোই এগোতে পারবেন না।
Victim mindset মানে নিজেকে সবসময় দুর্ভাগা ভাবা — এটা আপনাকে কেবল পিছিয়ে দেবে, কিছুই দেবে না।
৫. আপনিই আপনার একমাত্র ভরসা
কেউ এসে আপনাকে ধাক্কা দিয়ে বলবে না: “উঠে দাঁড়াও!”
কেউ এসে আপনাকে অনুপ্রাণিত করবে না, যদি না আপনি নিজে চেষ্টার আগুন জ্বালান।
আজ আপনি যেখানে আছেন, ১০ বছর পরও সেখানেই থাকবেন — যদি আজই বদলানো শুরু না করেন।
শেষ কথা:
এখনো ভাবছেন, কেউ এসে আপনাকে বাঁচাবে?
না, কেউ আসবে না।
আপনাকেই নিজেকে বাঁচাতে হবে।
নিজের ভিতরের আগুন জ্বালান — কারণ একমাত্র আপনিই পারেন নিজেকে বদলাতে।
(সংগৃহীত)
30/05/2025
আপনি কেন বাংলাদেশ ছাড়বেন? না ভাই, প্রশ্নটাই ভুল।
প্রশ্ন হওয়া উচিত: আপনি এখনো বাংলাদেশেই আছেন কেন?
এই পোস্ট তাদের জন্য না, যারা ছোট্ট গণ্ডির ভেতরে সুখ খোঁজে। এই পোস্ট তাদের জন্য, যারা জীবনে কিছু করতে চায়, যারা শুধু বাঁচতে না —নিজেকে প্রমাণ করতে চায়।
১. দিনটা যেদিন দেশ ছাড়বেন, সেদিনই আপনি বদলে যাবেন।
সত্যি বলছি ভাই, আপনি আর আগের মতো থাকবেন না।
চেহারায় একই থাকবেন, কিন্তু চিন্তায়, কাজের ধরণে, আত্মবিশ্বাসে—একদম লেভেল আপ।
আপনার সময়ের মূল্য বোঝাবোঝি শুরু হবে, আর তখন আপনি বুঝবেন, Procrastination is poverty.
২. ডিসিপ্লিন মানে “বাঁধাধরা জীবন” না, এটা একটা “অবচেতন প্রোডাক্টিভ মেশিন।”
ঘুম, খাওয়া, কাজ, সব একটা নির্দিষ্ট রুটিনে চলবে।
কাজ করার পরেও মনে হবে “আরও কিছু করলে নিজেকে আরও উন্নত করা যেতো।”
বাংলাদেশে আপনি যেটাকে luxury ভাবতেন, বিদেশে সেটা হবে আপনার new normal।
৩. আপনি কাজের প্রতি শ্রদ্ধা করতে শিখবেন।
বাংলাদেশে মোবাইল মেকানিক, বাবুর্চি, নাপিত, এদের নিয়ে কটুক্তি করা হয়।
প্রবাসে এসেই দেখবেন এই স্কিলগুলোই সবচেয়ে বড় সম্পদ।
যাদের আপনি ছোট করে দেখতেন, তারা এখানে নিজের ফ্যামিলি চালায়, গাড়ি চালায়, ফ্ল্যাট কিনে ফেলে।
আর তখন আপনার নিজের কথাই মনে হবে “ইশ! আগে জানলে আমি বাবুর্চি হতে চাইতাম!”
৪. আপনার মেন্টালিটি বদলে যাবে, একদম রুট লেভেল থেকে।
বাংলাদেশে আমরা যেকোনো কিছু নিয়ে ঝগড়া করতে ভালোবাসি।
নামাজে হাত বাঁধা, রাজনৈতিক পছন্দ, কার মাথায় কি টুপি, সব কিছুই আমাদের কাছে জাতীয় ইস্যু।
প্রবাসে এসে দেখবেন, মানুষ নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত।
নিজের উন্নতি নিয়ে ভাবে, অন্যকে ছোট করা নিয়ে না।
এই জায়গা থেকেই আপনি আস্তে আস্তে একজন পরিপক্ব মানুষ হয়ে উঠবেন।
৫. আপনি হবেন নিজের জীবনের “রিয়েল হিরো”।
খাবার রান্না, বাজার করা, বাসন ধোয়া, রুম পরিষ্কার, সব নিজেই করবেন। অসুস্থ হলেও হাসপাতালে নিজে যাবেন। এই জীবন আপনাকে শুধু ইনডিপেনডেন্ট না, আত্মবিশ্বাসে ঠাসা যোদ্ধা বানাবে।
৬. একদিন আপনি নিজেই বদলে দেবেন পরিবার, সমাজ, ভবিষ্যৎ।
আপনার টাকা নয়, আপনার মাইন্ডসেট, আপনার শৃঙ্খলা, আপনার সংগ্রাম, সব কিছু দেখেই আপনার পরিবার আপনাকে আইকন হিসেবে দেখবে।
তারা বুঝবে। বিদেশ মানে শুধু টাকা না, এটা একটা নতুন জীবন।
তাহলে প্রশ্ন করো, এখনো কেন বাংলাদেশেই পড়ে আছেন?
একটা দেশে থেকে যদি স্বপ্নের সীমানা সংকুচিত হয়, সেখানে থাকতে না চাওয়াটাই তো স্বাভাবিক। যেখানে রাজনীতি মানে ক্ষমতার লড়াই, শিক্ষা মানে গাইড বই মুখস্থ, আর ক্যারিয়ার মানে পরিচিতি খোঁজা — সেই দেশে থেকে কিছু করতে পারা এখন অলৌকিক ঘটনা।
তাই সিদ্ধান্ত নিন—
নিজের জন্য, ভবিষ্যতের জন্য, নিজের সম্মানের জন্য দেশ ছাড়তে হবে। দেশ পালাতে না, নিজেকে গড়তে হবে।
Collected post
02/05/2025
জীবনে যে-কোনো শখ বা আহ্লাদ পূরণের নির্দিষ্ট একটা সময় থাকে। সঠিক সময়টা একবার পেরিয়ে গেলে শখ হয়ত পূরণ হয় ঠিকই, তবে তৃপ্তিটা ঠিক পাওয়া যায় না।
১৭ বছর বয়সে যে বিরিয়ানিটা খেতে অমৃতের মতো লাগে, ৩২ বছর বয়সে এসে সেটা ভালো নাও লাগতে পারে।
১৮ বছর বয়সে সমবয়সী কারো সাথে পাঞ্জাবি বা শাড়ি পরে রিকশায় ঘুরতে ভীষণ রোমান্টিক লাগে, ৩৬ এ পা দিয়ে একই কাজ করতে রোমান্টিক লাগবেই তার কোনো গ্যারান্টি নাই।
২১ বছর বয়সে কলেজের বন্ধুবান্ধব নিয়ে সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে গেলে যেই আনন্দ পাওয়া যাবে, ৪০ পার করে সেই আনন্দ পাওয়া নাও যেতে পারে।
একদিন নিজের ছাদে বাগান করব, এই আশায় বসে থেকে যেই মানুষটা বারান্দার টবে কোনো গোলাপের চারা লাগাল না, ছাদ হওয়ার পর দেখা গেল সেই মানুষটার আর বাগান করার সময়ই নেই।
একদিন চাকরি করে বাবা-মাকে দামী দামী জিনিস কিনে দেয়ার স্বপ্ন দেখা মানুষটা চাকরি করে টাকা কামাবে ঠিকই, কিন্তু ততদিনে মা-বাবা এই দুনিয়ায় নাও থাকতে পারে।
জীবনের ছোটখাট সাধ আহ্লাদ খুব দামী জিনিস। এগুলোই একটা মানুষের হৃদয়কে জীবিত রাখে, সতেজ রাখে, প্রাণবন্ত রাখে। মানুষের হৃদয় একটু একটু করে মরে যায় ইচ্ছা পূরণের অভাবের নীরব হাহাকারে! এজন্য সময় থাকতেই এসব শখ পূর্ণ করে ফেলতে হয়।
অনেক টাকা জমলে একদিন খাব, এই চিন্তা না করে অল্প কিছু টাকা জমিয়ে এখনি খেয়ে আসুন পছন্দের খাবারটা। বিশ্বাস করুন, জীবনের শ্রেষ্ঠ স্বাদটা পাবেন।
দেরি না করে পছন্দের মানুষটাকে আজকেই রিকশা ডেটিংয়ের অফারটা দিয়ে দেখুন। রাজি হলে শাড়ি বা পাঞ্জাবি পরে হুডখোলা রিকশায় বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে শহরময় ঘুরে বেড়ান। লিখে নিন, লাইফের সেরা রোমান্সটা পাবেন।
পকেটে কিছু টাকা হলেই বন্ধুর ঘাড়ে হাত রেখে বলে বসুন, চল ব্যাটা, কাশ্মীর যাব। আজকেই যাব, এক্ষণি যাব। ব্যাগ গুছিয়ে নে, বাস ধরতে হবে।
নিজের ছাদে বাগান হবে, এই আশায় বসে না থেকে ভাড়া বাসার বারান্দার টবেই লাগিয়ে ফেলুন পছন্দের গোলাপের চারাটা। টিউশানির টাকায় কম দামেই কিনে ফেলুন বাবা-মায়ের জন্য শার্ট বা শাড়ি, হোক না সুতি, শখ পূরণটাই বড় কথা!
মনে রাখবেন, একদিন সব হবে - এই আশায় যে নিজেকে বঞ্চিত করে, তার জীবনে কিছুই হয় না। তার জীবন কাটে বিষন্নতা আর অপেক্ষায়, শেষ হয় আফসোস আর হতাশা দিয়ে।
©️An Anime
"ক্ষুধার্ত থাকো, বোকা থাকো" – সাফল্যের মূলমন্ত্র 💥
স্টিভ জবসের বিখ্যাত উক্তি "Stay Hungry, Stay Foolish" শুধুমাত্র একটি বাক্য নয়, এটি জীবন ও ক্যারিয়ারের জন্য এক অসাধারণ দৃষ্টিভঙ্গি। এই দুইটি শব্দের গভীর অর্থ আমাদের সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী শক্তি ও নিরবচ্ছিন্ন শেখার মনোভাবকে প্রসারিত করতে সাহায্য করে।
❑ ক্ষুধার্ত থাকো (Stay Hungry)
জ্ঞান ও নতুন অভিজ্ঞতার জন্য ক্ষুধার্ত হও – সাফল্যের আসল চাবিকাঠি হলো শেখার আগ্রহ। নতুন দক্ষতা অর্জন, বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি বোঝা এবং সবসময় উন্নতির জন্য চেষ্টা করা আমাদের এগিয়ে রাখে।
কমফোর্ট জোন থেকে বের হও – আত্মতুষ্টি আমাদের পিছিয়ে দেয়। চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করো, ঝুঁকি নাও, আর নিজেকে প্রতিনিয়ত পরিক্ষার মুখোমুখি দাঁড় করাও।
সুযোগ খুঁজে যাও – জীবন সবসময় পরিবর্তনশীল। নতুন সুযোগ খোঁজার ক্ষুধা না থাকলে অগ্রগতি সম্ভব নয়।
❑ বোকা থাকো (Stay Foolish)
অন্যদের মতামত নিয়ে চিন্তিত হয়ো না – বড় কিছু করতে গেলে অনেকেই তোমাকে "বোকা" বলবে। কিন্তু যুগান্তকারী সব আইডিয়া শুরুতে অবাস্তব মনে হয়।
ভুল করতে ভয় পেয়ো না – সফল ব্যক্তিরা জানে যে ভুল করাই শেখার অন্যতম উপায়। ব্যর্থতা মানেই পরাজয় নয়, বরং এটি সঠিক পথে যাওয়ার জন্য একটি শিক্ষা।
নতুন কিছুর চেষ্টা করো – যদি সবসময় নিরাপদ পথে চল, তাহলে ব্যতিক্রমী কিছু করা সম্ভব নয়। সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবনের জন্য মাঝে মাঝে "বোকামি" জরুরি।
ঈদ মোবারক বাংলাদেশ
টাকা উপার্জন করো, গরিবের মতো চলো, বিনয়ী হও, কম কথা বলো! দেখবে জীবন সুন্দর ❤️
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
London
