অখণ্ড বিষ্ণুপুরিয়া সমাজ

অখণ্ড বিষ্ণুপুরিয়া সমাজ

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from অখণ্ড বিষ্ণুপুরিয়া সমাজ, Social service, West Mashauli, Agartala.

"অখণ্ড বিষ্ণুপুরিয়া সমাজ"
Chief-Parimal Singha
President-Randhir Singha
Vc President-Harimohan Singha
General Secretary-Mangal Singha
Vc Secretary-Kamana Singha
Cashier-Akshaybabu Singha
Vc Cashier-Subodh Singha
" Cashier-Khela Singha
Mb-Samarjit Singha

Photos from অখণ্ড বিষ্ণুপুরিয়া সমাজ's post 09/06/2026

মল্ল রাজাদের সময়ে বিষ্ণুপুরিয়া জনগোষ্ঠীর পোশাক ছিল সামাজিক মর্যাদা, সামরিক প্রয়োজন এবং দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। ঐতিহাসিক গ্রন্থ -Raj থেকে জানা যায় যে মল্লভূমের মানুষদের পোশাক তিন ভাগে বিভক্ত ছিল—সামাজিক, সামরিক ও সাধারণ।
✨ সামাজিক পোশাক
•ধুতি: পুরুষদের প্রধান পোশাক, সাদা বা হালকা রঙের কাপড়ে তৈরি।
•জামা: উপরের পোশাক, বিশেষত সামাজিক ও আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত।
•চাদর: গ্রীষ্মকালে ধুতির সঙ্গে চাদর ব্যবহার করা হতো।
•শাল: শীতকালে ধুতি ও জামার সঙ্গে শাল জড়ানো হতো।
•অর্ধেক স্লিপার: শীতকালে পায়ে পরা হতো।
⚔️ সামরিক পোশাক
•লোহার জালি-কবচ: যুদ্ধের সময় শরীর রক্ষার জন্য ব্যবহৃত।
•চোগা ও চাপকান: সৈন্যদের পোশাক, শক্ত কাপড়ে তৈরি।
•অস্ত্রসহ সাজসজ্জা: তরবারি, ঢাল, ধনুক-বাণের সঙ্গে মিলিয়ে পোশাক পরা হতো।
👥 সাধারণ পোশাক
•ধুতি ও চাদর ছিল সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন পোশাক।•কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষরা হালকা কাপড় ব্যবহার করতেন।
🌿 সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যমল্ল রাজারা বিলাসী জীবনযাপন না করে সরল পোশাক ও জীবনধারা বজায় রাখতেন।
প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় দেবতার পূজা শেষে তাঁরা প্রসাদ গ্রহণ করতেন।
পোশাকের সঙ্গে ধর্মীয় ও সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান ছিল অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত।

● বিষ্ণুপুরিয়া জনগোষ্ঠীর নারীদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক মূলত শাড়ি ও ওড়না কেন্দ্রিক ছিল, যা সাধারণত সুতির বা রেশমি কাপড়ে তৈরি হতো। বিশেষত বিষ্ণুপুরি সিল্ক শাড়ি নারীদের সামাজিক মর্যাদা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
👗 নারীদের পোশাকের ধরনসামাজিক পোশাক
•শাড়ি (রেশমি/সুতির): বিষ্ণুপুরি সিল্ক শাড়ি ছিল নারীদের প্রধান সামাজিক পোশাক।
•ওড়না/চাদর: শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে ব্যবহার করা হতো।
•গয়না: সোনার বা রূপার অলঙ্কার, যেমন কানের দুল, নাকফুল, চুড়ি, হার ইত্যাদি।
•শীতকালে শাল: শাড়ির উপর শাল জড়ানো হতো।
সাধারণ পোশাক
•সুতির শাড়ি: কৃষাণী ও শ্রমজীবী নারীরা হালকা সুতির শাড়ি ব্যবহার করতেন।
•চাদর: দৈনন্দিন কাজে সহজে ব্যবহারযোগ্য।
আনুষ্ঠানিক পোশাক
•বালুচরি ও স্বর্ণচরি শাড়ি: বিশেষ অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত, যেখানে পৌরাণিক কাহিনি ও শিল্পকলা বোনা থাকত।
•বিষ্ণুপুরি সিল্ক: রাজপরিবার ও উচ্চবিত্ত নারীদের জন্য মর্যাদার প্রতীক।
🌿 সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য
•নারীদের পোশাক ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিল। পূজা, বিবাহ ও উৎসবে বিশেষ শাড়ি ব্যবহার করা হতো।
•বিষ্ণুপুরি সিল্ক শাড়ি আজও পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরায় নারীদের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতীক।অলঙ্কার ও শাড়ির রঙ সামাজিক অবস্থান ও অনুষ্ঠানের প্রকৃতি অনুযায়ী পরিবর্তিত হতো।
📜 ঐতিহাসিক গুরুত্ব
মল্ল রাজাদের সময়ে নারীদের পোশাক ছিল সরল কিন্তু নান্দনিক।
শাড়ি ও গয়না নারীদের সামাজিক মর্যাদা প্রকাশ করত।
বিষ্ণুপুরি সিল্কের বুনন আজও বিশ্ববিখ্যাত, যা নারীদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের ধারাবাহিকতা বহন করছে




Photos from অখণ্ড বিষ্ণুপুরিয়া সমাজ's post 08/06/2026

অখণ্ড বিষ্ণুপুরিয়া সমাজ।
ইন্দ্র দ্বাদশী, ইন্দ্র ধজ্জ ও বিষ্ণুপুর রাজ্যের ১১০৮ বছরের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ।

Photos from অখণ্ড বিষ্ণুপুরিয়া সমাজ's post 03/06/2026

"অখণ্ড বিষ্ণুপুরিয়া সমাজ" বক্তব্যটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক ও সাংস্কৃতিক দাবি প্রকাশ করছে। বিষ্ণুপুরিয়া সমাজকে বিভ্রান্তিকর “বিষ্ণুপ্রিয়া মনিপুরি” নামকরণ থেকে বিচ্ছিন্ন করার অধিকার আসলে একটি পরিচয় রক্ষার অধিকার।
মূল দিকগুলো
ভাষাগত পরিচয়: বিষ্ণুপুরিয়া কোড নম্বর(043) জনগোষ্ঠী তাদের ভাষাকে আলাদা ও স্বতন্ত্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চায়।
সাংস্কৃতিক মর্যাদা: বিভ্রান্তিকর নামকরণ তাঁদের ঐতিহ্য ও ইতিহাসকে অন্যের সঙ্গে মিশিয়ে দেয়, যা সাংস্কৃতিক মর্যাদাহানির সমান।
আইনি অধিকার: সংবিধান ও প্রশাসনিক নথিতে সঠিক নাম ব্যবহার করা তাঁদের মৌলিক অধিকার।
সামাজিক স্বীকৃতি: সমাজে সঠিক পরিচয় দিয়ে মর্যাদা দেওয়া তাঁদের সামাজিক অন্তর্ভুক্তির অংশ।
সারসংক্ষেপ:
বিষ্ণুপুরিয়া সমাজের দাবি হলো—তাদেরকে বিভ্রান্তিকর নামের সঙ্গে যুক্ত না করে, স্বতন্ত্র পরিচয় ও মর্যাদা দেওয়া। এটি শুধু সাংস্কৃতিক নয়, বরং সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রশ্নও।

🙏 ধন্যবাদান্তে 🙏
শ্রীমতি- কামনা সিংহ
(সম্পাদক/অখণ্ড বিষ্ণুপুরিয়া সমাজ)

27/05/2026
23/05/2026

বিষ্ণুপুরিয়া ভাষায় আখ্যান উপস্থাপন করছি, যা গৌড়ীয় বৈষ্ণব ভক্তি আন্দোলনের ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক বার্তা বহন করে:

📖 বিষ্ণুপুরিয়া আখ্যান:

চৈতন্য মহাপ্রভু ভক্তি পথ দেখাইলেন,
ভাষা-মন্ত্রে সমাজে প্রেম জাগাইলেন।

গৌর হরি নাম ধ্বনি উঠিল গগনে,
ভক্তি-আনন্দ ছড়াইল জগতে।

রাধা-কৃষ্ণ লীলা প্রেমে মন ভরিল,
ভক্তি-সুধা হৃদয়ে ঢলিল।

নৃত্য-গানে ভক্তি প্রকাশ,
হরি নামেই মুক্তি আশ।

চৈতন্য মহাপ্রভু প্রেম পথ দেখাইলেন,
ভাষা-মন্ত্রে সমাজে প্রেম জাগাইলেন।
#জয়বিষ্ণুপুর
#জয়বিষ্ণুপুরিয়া

23/05/2026

বিষ্ণুপুরিয়া ভাষায় কীর্তন উপস্থাপন করছি, যা গৌড়ীয় বৈষ্ণব ভক্তি আন্দোলনের ভাবধারাকে প্রকাশ করে:

🪕 বিষ্ণুপুরিয়া কীর্তন:

গৌর হরি নাম জপ,
আনন্দে গাও কীর্তন।

রাধা-কৃষ্ণ প্রেমে মন ভর,
ভক্তি-সুধা ঢালো অন্তরে।

হরি নাম ধ্বনি উঠুক গগনে,
ভক্তি-আনন্দ ছড়াও জগতে।

গৌর হরি নাম জপ,
আনন্দে গাও কীর্তন।

চৈতন্য মহাপ্রভু প্রেম পথ দেখাইলেন,
ভক্তি-সাগরে সবাই মিলাইলেন।

নৃত্য-গানে ভক্তি প্রকাশ,
হরি নামেই মুক্তি আশ।

গৌর হরি নাম জপ,
আনন্দে গাও কীর্তন।
#জয়বিষ্ণুপুর
#জয়বিষ্ণুপুরিয়া

23/05/2026

বিষ্ণুপুরিয়া ভাষায় ভজন উপস্থাপন করছি, যা গৌড়ীয় বৈষ্ণব ভক্তি আন্দোলনের ভাবধারাকে প্রকাশ করে:

🎶 বিষ্ণুপুরিয়া ভজন 🎶

হরি নাম লও, মন রে,
ভক্তি পথ ধর, আনন্দে ভর।

গৌর হরি নাম জপ,
চৈতন্য প্রেমে মন রঙ ধর।

রাধা-কৃষ্ণ লীলা গাও,
ভক্তি-সুধা হৃদয়ে ঢালো।

কীর্তন ধ্বনি উঠুক গগনে,
ভক্তি-আনন্দ ছড়াও জগতে।

হরি নাম লও, মন রে,
ভক্তি পথ ধর, আনন্দে ভর।

#জয়বিষ্ণুপুর
#জয়বিষ্ণুপুরিয়া

Photos from Bishnupuriya Youth Association's post 23/05/2026
Want your business to be the top-listed Government Service in Agartala?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


West Mashauli
Agartala
799288