আসল সত্য
Dayal Hari 1986
লড়াই জারি থাকবে
18/06/2024
" সারা পৃথিবী থেকে যৌথ পরিবারের ধারণা মুছে গেলেও, ভারতেই রয়েছে সব থেকে বড় যৌথ পরিবার "
***********************************
৯০ এর দশক বা তারও পূর্বের সেই বিখ্যাত যৌথ পরিবারের চিন্তাধারা আজ অনেকটাই স্নান হয়ে গেলেও অনেকেই কিন্তু পছন্দ করতেন যৌথ পরিবার। আজকের যুগে এটি এক রকম দেখা যায় না বললেই চলে। কিন্তু পৃথিবীতে এমনই একটি যৌথ পরিবার রয়েছে তা আমাদের অনেকের কাছেই অজানা। আসুন আজকের এই প্রতিবেদনের মধ্য দিয়ে আমরা জেনে নিই পৃথিবীর সব থেকে বড় যৌথ পরিবার তার সম্পর্কে কিছু অজানা কথা।
আধুনিক এই যুগে এখন আর যৌথ পরিবারের দেখা সাধারণভাবে মেলেই না। নিজেদের মতো করে আলাদা করে ছোট পরিবারেই বাস করতেই পছন্দ করে সবাই। এটা ভাবলে অবাক হবেন আমাদের ভারতবর্ষের মধ্যেই রয়েছে, পৃথিবীর সবথেকে বড় যৌথ পরিবার।
বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এই ধারণা থেকে অনেকটা দূরে সরে এলেও মিজোরামের জিয়ানা চানার চিন্তাধারা কিন্তু সম্পুর্ণ ভিন্ন। বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরিবারের প্রধান কর্তা তিনি। বিশ্বের সর্ববৃহৎ এই যৌথ পরিবারে রয়েছে ৩৯ জন স্ত্রী, ৯৪ জন সন্তান, ১৪ জন পুত্রবধূ এবং ৩৩ জন নাতি-নাতনি। এই সবাইকে নিয়ে সুখের সংসার মিজোরামের বাসিন্দা জিয়ানা চানার।
মিজোরামে বার্মা ও বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত বকতওয়য়াং গ্রামের চারতলা বাড়িতে বসবাস করে এই পরিবার। এই বাড়িতে ১০০ টিরও বেশি ঘর রয়েছে। যেখানে পরিবারের প্রধান কর্তার স্ত্রীরা বিশাল আস্তানায় নিদ্রাযাপন করেন। এছাড়াও তার পুত্র ,তাদের স্ত্রী এবং শিশুরা একই বাড়িতে আলাদা আলাদা ঘরে থাকেন। তবে একটি বিশাল রান্নাঘর সবাই ব্যবহার করেন। আর সেই রান্না ঘরেই তৈরি হয় বিশ্বের বড় পরিবারের প্রত্যেকটি সদস্যের ভিন্ন ধরনের খাবার।
এই বিশাল পরিবারের প্রতিদিন ৯০ কেজি চাল এবং প্রায় ৬০ কেজি আলু প্রয়োজন হয় রান্নার জন্য। এছাড়াও যেদিন মুরগির মাংস রান্না হয় সেদিন শুধু একবেলার জন্য খাবার প্রস্তুত করতে প্রায় বেশ কয়েকটি আস্ত মুরগি লাগে।
এই পরিবারের সকলের জন্য কাজ ভাগ করা থাকে। জিয়ানার স্ত্রীরা রোজ রান্না করেন, অন্যদিকে মেয়েরা পরিষ্কার, ধোয়া এবং পুরুষরা করে থাকেন বাইরের কাজ কাজ। এই পরিবারের পুরুষদের কাজ প্রধানত হলো কৃষিকাজ, চাকরি এবং আরো অনেক কিছু।
একটি নির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যে দিয়ে দিন পার করেন এই পরিবারের সদস্যরা। প্রতিদিন ভোর ৫ টা ৫০ মিনিটে তাদের সকাল শুরু হয়। ঘুম থেকে উঠে সমস্ত সদস্য একসঙ্গে প্রার্থনা করেন। প্রার্থনা শেষে প্রতিদিনের কাজের দায়িত্বের জন্য একত্রিত হন। একটি বড় হলে প্রার্থনা ও খাবার অনুষ্ঠিত হয়। বয়স অনুযায়ী বেলা ৪ টা থেকে ৬ টা পর্যন্ত রাতের খাবার পরিবেশন করা হয়। রাত ৯ টার মধ্যে সবাই শুয়ে পড়েন। এই বৃহৎ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রয়েছে সুসম্পর্ক।
জিয়ানা চানা এই বৃহৎ পরিবারের কর্তা। তিনি একবার এক বছরে ১০ জন নারীকে বিয়ে করেছেন। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পরিবারের প্রধান হয়েও এখানে থামতে চাননি তিনি। এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়েছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরিবারের প্রধান কর্তা হতে পেরে গর্বিত তিনি। তবে তিনি আরো বাড়াতে চান এই পরিবার।
জিয়ানা পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা স্কুলও বানিয়েছেন। সেখানে তার ছেলে - মেয়ে এবং নাতি - নাতিনিরা পড়াশোনা করেছে কিংবা এখনও করে। সেই স্কুলটি সরকারের তরফ থেকে কিছু অনুদানও পায়।
জিয়ানা চানার স্ত্রীরা মনে করেন জিয়ানা বাড়ির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। এছাড়াও বকতাওয়ং গ্রামের সবচেয়ে সুদর্শন ব্যক্তিও তিনি। বিশ্বের এই বৃহৎ পরিবার হওয়ার জন্য দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই পরিবারের এসেছে অনেক পুরস্কার। এসেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড এবং রিপ্লেস বিলিভ অর নট এর খেতাব।
#জ্ঞানওবিজ্ঞান #জ্ঞানওবিজ্ঞানফেসবুকপেজ
চাকরি না পেলে MA ডিগ্রি প্রাপ্ত ব্যাক্তিও মূর্খ!!
আর চাকরি পেলে মাধ্যমিক ফেল করা ব্যাক্তিও শিক্ষিত!!
এমনই বিকৃত সমাজে বাস করি আমরা!!
শরীর আর সম্পত্তি নিয়ে কখনো গর্ব করতে নেই,
কারণ অসুস্থতা আর দারিদ্রতা কাউকে বলে আসেনা।
স্বার্থপর আত্মীয় স্বজনের সাথে সম্পর্ক রাখার চেয়ে, একা থাকা অনেক ভালো!
কারণ স্বার্থ ফুরালে, এরা পশুর চেয়ে হিংস্র হয়ে যায়!!
যার জীবনে যত পরিবর্তন যত সমস্যা আসবে সে ততই সফল হবে!!
কারন, সকল সমস্যা..
তার সাথে একটি করে সুযোগ নিয়ে আসে!!
এযুগে আত্মীয়স্বজন বলেন আর বন্ধু বান্ধব বলেন এদের বেশিরভাগই মনের হিংসায় একটা অলিখিত প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ে কে কাকে ছাড়িয়ে যাবে!!
02/06/2024
হতাশার কারণে যারা জীবনের আশা ভরসা ছেড়ে দিয়েছেন তাঁরা এই গাছটি দেখুন,
জীবনে যে কোন সময় যে কোন জায়গা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর যায় তার প্রমাণ ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
West Nowabadi
Agartala
