01/07/2024
পাটনার এক গরীব পরিবার থেকে তাঁর উঠে আসা। একসময় অর্থাভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কলকাতার রাস্তায় ট্যাক্সিও চালিয়েছেন।
ডা: বিধান চন্দ্র রায় চিকিৎসাক্ষেত্রেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। ছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। প্রশাসনিক কাজের প্রবল চাপ সত্ত্বেও চিকিৎসা পেশাকে কখনও অবহেলা করেননি তিনি। বলতেন, ‘আমি নেশায় রাজনীতিবিদ, পেশায় চিকিৎসক’।
ভারতরত্নের জন্ম ও প্রয়াণ দিবসে স্বরাজ ইন্ডিয়া জানায় শ্রদ্ধার্ঘ্য।
29/06/2024
আশুতোষ মুখোপাধ্যায় মানেই গণিতশাস্ত্র। স্কুল জীবনেই 'কেমব্রিজ মেসেঞ্জার অফ ম্যাথামেটিক্স'-এ তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। উচ্চতর গণিত নিয়ে প্রায় কুড়িটি প্রবন্ধ রচনা করেছিলেন, যেগুলি প্রকাশিত হয় বিভিন্ন গবেষণামূলক পত্রিকায়।
কলেজে পড়বার সময় অঙ্কে দক্ষতার জন্য অধ্যাপক বুথ সাহেবের প্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। ১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ‘ক্যালকাটা ম্যাথামেটিকাল সোসাইটি’। অবশ্য সাধারণ মানুষ তাঁকে শুধু অঙ্কবিদ হিসেবেই মনে রাখেনি, তিনি কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং শিক্ষাবিদ হিসেবেও চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। পেয়েছেন স্যার উপাধিও।
মনে রাখতে হবে, তাঁরই হাতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হয় বাংলা এম.এ-সহ একাধিক বিভাগ। যে কারণে ছাত্র ছাত্রীরা আজও ঋণী হয়ে থাকবে তাঁর কাছে। 'বাংলার বাঘের' জন্মদিনে স্বরাজ ইন্ডিয়া জানায় শ্রদ্ধার্ঘ্য।
26/06/2024
বাংলা সাহিত্যের নবজাগরণের পথিকৃৎ-কর্মী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। বঙ্কিমী সাহিত্যের বিশেষত্ব এককথায় তার রসায়নে। বৌদ্ধিক রসের সঙ্গে সাহিত্য রসের এমন মিশেল পরবর্তী বাংলা সাহিত্যেও বিরল। না বললেও বোঝা যায়; সমসাময়িক জাতীয়তাবাদের ঝোড়ো হাওয়ায় বাংলা-বাঙালির সাংস্কৃতিক ইতিহাসের নির্মাণকল্পে বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর সাহিত্য-রচনার সমস্ত শক্তি ঢেলে দিলেও, তাঁর মনন রসই বাংলা সাহিত্যকে প্রথম আধুনিকতার আলো দেখিয়েছিল।
এক কথায় বলতে গেলে, একদিকে উপন্যাসের কাব্য অন্যদিকে প্রবন্ধ তথা গদ্যের বিজ্ঞান, তার সঙ্গে কিছু গান, কবিতা ও ভারতবর্ষ – সব মিলিয়েই সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র।
আজ তাঁর জন্মদিনে স্বরাজ ইন্ডিয়ার শ্রদ্ধা।
20/06/2024
অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন কালে ও দেশে বাঁচার তাগিদে ভিটেমাটি পরিজন হারিয়ে উদ্বাস্তু হতে হয়েছে বিপুল সংখ্যক মানুষকে। এই উদ্বাস্তুদের ওপর নেমে এসেছে অত্যাচার ও নিপীড়ন।
তাদের মানবাধিকার, জীবন, জীবিকা, বাসস্থান, শিক্ষা ইত্যাদি মৌলিক অধিকারের জন্য সারা বিশ্বে আন্দোলন গড়ে উঠেছে। তাদের এই অধিকারগুলোর স্বীকৃতিতে ২০০০ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অনুমোদিত হয়, ২০ জুন দিনটি পালিত হবে 'আন্তর্জাতিক উদ্বাস্তু দিবস' হিসেবে।
বিভিন্ন সময়ে ও স্থানে দেশের উদ্বাস্তু আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেছে স্বরাজ ইন্ডিয়া। আগামী দিনেও দেশের উদ্বাস্তু সমস্যার সমাধানে সদর্থক ভূমিকা গ্রহণ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
12/06/2024
সামন্ততান্ত্রিক ও পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থার এক কুফল শিশু শ্রমিক। এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির উপলক্ষ্যে এই দিনটি পালিত হয়।
অপর্যাপ্ত বয়সে শিশু, নাবালক ও নাবালিকাদের দিয়ে কাজ করালে তাদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই শোষণের শিকার হয়ে বঞ্চিত হয় শিক্ষার মৌলিক অধিকার থেকেও। ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন সর্বপ্রথম এই দিনটি পালন করে।
আমাদের দেশেও অসংখ্য শিশু শ্রমিক কাজ করে চলেছে। তাদের এই শোষণযন্ত্র থেকে মুক্ত করে ফিরিয়ে আনতে হবে বিদ্যালয়ের আঙ্গিনায়। ফিরিয়ে দিতে হবে তাদের শৈশবের আনন্দ।
স্বরাজ ইন্ডিয়া দেশ থেকে শিশু শ্রম উৎখাত করতে সর্বতোভাবে কাজ করে যাবে।
09/06/2024
সাম্রাজ্যবাদ ও ঔপনিবেশিকতা সবসময়ই আদিবাসীদের উপর আগ্রাসন নামিয়ে এনেছে, ইতিহাস তার সাক্ষী। এই ঔপনিবেশিকতা বিরোধী আদিবাসী জনজাতির প্রতিরোধের আরেক নাম বিরসা মুণ্ডা।
ছোটনাগপুর মালভূমি অঞ্চলে রাঁচি ও সিংভূমের আদিবাসীদের জল, জঙ্গল ও জমির অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে উঠে পড়ে লেগেছিল ইংরেজ সরকার। আদিবাসীদের উপর অকথ্য সামাজিক ও অর্থনৈতিক শোষণ চালায় তারা। বিরসা মুণ্ডার নেতৃত্বে কোল জনজাতিরা প্রতিরোধ গড়ে তোলে এই ব্রিটিশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে।
বিরসার নেতৃত্বে নিজেদের ভূমি ও জঙ্গলের অধিকারের লড়াই করে আদিবাসীরা বীরের মতো তীর-ধনুক নিয়ে সশস্ত্র ব্রিটিশ পুলিশের বিরুদ্ধে। ভূমি ও জঙ্গল অধিগ্রহণের সংগ্রামে আজও স্মরণ করা হয় বিরসা মুণ্ডার নাম।
এই বীর সংগ্রামী নেতা বিরসা মুণ্ডার শহিদদিবসে স্বরাজ ইন্ডিয়া জানায় সশ্রদ্ধ প্রণাম।
05/06/2024
প্রকৃতি, পরিবেশের গুরুত্ব বোঝাতে প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হয় । পরিবেশ রক্ষা ও সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো, প্লাস্টিকের ব্যবহার, বিশ্ব উষ্ণায়নের মতো বিভিন্ন দিক, যা মূলত পরিবেশের ক্ষতি করে সেই সম্পর্কেও আলোকপাত করা হয় এই বিশেষ দিনে।
মানুষকে এই বসুন্ধরার প্রতি আরও যত্নশীল করে তুলতে স্বরাজ ইন্ডিয়া অঙ্গীকারবদ্ধ।