মারের আগে চিৎকার !
ক্ষমতায় এসেই সরকার বদলা নেবার প্রয়াসকে রুখে দিয়েছে ।সরকার দলকে সংযত করেছে ।সরকার বিরোধী দলের বিরোধ কে স্বাগত জানিয়েছে ।
কিন্তু তৃনমূল এই সরকারের ক্ষমতায় আসাকে মেনে নিতে পারে নি ।বামেরা বিপদ সংকেত দেখছে !
আর BJP সরকার চাইছে পাল্টে দিতে ।দুর্বৃত্তায়ন পাল্টে দিতে । অশালীন সংস্কৃতি পাল্টে দিতে ।এমনকি চৌর্যবৃত্তি পাল্টে দিতে ।
এতেই সমস্যা ।এতেই সংকট ।
তৃনমূল দল আর কর্মী বাঁচাতে পথে নামাচ্ছে ।নামছে । কোর্টে যাচ্ছে । থানায় যাচ্ছে । যাক ।যেতেই পারে ।দলীয় কর্মীদের বাঁচানো দলের কাজ ।করতেই পারে ।
কিন্তু এইখানে আমাদের প্রশ্ন আছে। আমাদের বক্তব্য আছে।
বিগত পনেরো বছরের ন্যায়সংহিতা হিসাব একটু তলিয়ে দেখতে হবে ॥
এ পর্যন্ত সরকারি হিসাবে bjp র 320 জন কর্মী তৃনমূল জল্লাদের হাতে খুন হয়েছেন । সেই সমস্ত খুনের কোন কিনারা হয়নি ।পুলিশ কেস নিতে চায় নি ।তদন্ত হয়নি ।বিচার অনেক দূরের কথা । যারা bjp করতে গিয়ে খুন হয়েছেন ।পরিবার সর্বসান্ত হয়েছে তৃনমূল সরকার বলুক তাঁদের কি অপরাধ ছিল ? কেনো তাঁদের খুন করা হয়েছে ? bjp করা অপরাধ ছিল এটা সংবিধানের কোন ধারা ? সরকারি মদতে কেনো খুন করা হলো ? কেনো সরকার ষড়যন্ত্র করে তাঁদের সরিয়ে দিয়েছে ? একটা সরকার কীভাবে এতো নিষ্ঠুর হতে পারে ।কীভাবে জনগণের উপর প্রতিহিংসা চালাতে পারে ? কিন্তু তারা অপরাধবোধ দেখায় নি ।তখন আইন ।বিচার । মানবিকতা কিছুই ছিল না কেনো ?
একতরফা হিন্দু নিধনে মুসলিম সমাজকে লেলিয়ে দেয়া হয়েছে ।bjp বাম সরকারের আমলেই বাংলায় এসেছে ।কিন্তু মুসলিম সমাজ তৃণমূলের আমলে জল্লাদের ভাষা শিখেছে । বাংলার মুসলিম এতো বর্বর ছিল না ।এতো বিশৃঙ্খল ছিল না ।সম্প্রীতি স্বাভাবিক ছিল ॥তাঁদের ক্রিমিন্যাল বানিয়েছে তৃণমূল।
আজ যদি ফের তৃণমূল ক্ষমতায় আসত ! তাহলে যে বিভীষিকাময় বাংলা ফেরৎ আসত কল্পনা করা যায় না । 2021 সালে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর মমতা দেবী বললেন ; মানুষ কুৎসার জবাব দিয়েছে "
আর তৃনমূল জবাব দিয়ে জল্লাদ আর বধ্যভূমির নরক রচনা করে । সেদিন কোন bjp নেতা থানায় যাবার সাহস দেখাতে পারেন নি । সন্ত্রাস কবলিত এলাকায় পা রাখতে দেয়া হয়নি ।সর্বত্র কুনাল বলেছে bjp র উস্কানি র ফল । সরকার বলেছে ; স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষ । আর থানা বলেছে "ভিত্তিহীন অভিযোগ !!"
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন না এলে bjp বিলুপ্ত হয়ে যেতেই পারত ।কোর্ট নির্দেশ দেবার পরেও সরকারি পুলিশ কোন ব্যবস্থা নিতে পারে নি ॥ যে তৃনমূল সাঁই বাড়ি র নির্মমতা নিয়ে কথা বলে ।তারা শতাধিক সাঁইবাড়ি ঘটিয়ে ফেলল ।সন্ত্রাসবাদী মার্কসবাদীদের সন্ত্রাসের রেকর্ড ছাপিয়ে গেল পনেরো বছরে ।আর তারা কাঁদুনি গাইছে গেল গেল বলে !
এখন মানুষ অল্পতেই ভি ডি ও বানিয়ে একটা সংযমী সরকারের গরিমা নষ্ট করতে চাইছে ।ফেক ভিডিও ছড়িয়ে দিচ্ছে।
কিন্তু তৃণমূলের সন্ত্রাস এমনই ছিল ।ভিডিও তো দূরের কথা ছবি ছাড়লেই পুলিশ সহ আক্রমণ হতো ।হিম শীতল দুঃস্বপ্নের বাতাবরণ ।
তৃনমূল মানে একটা কলংকিত অধ্যায় ।
তৃনমূল মানে সততার শাড়ি গায়ে হাজার অন্যায় ॥
তৃনমূল মানে দুষ্কৃতির সাম্রাজ্য বিস্তার ।
তৃনমূল মানে জনতার হাহাকার ।
তৃনমূল মানে পারিষদ পুষে দালালের চাষ
তৃনমূল মানে গরু আর ছাগলের ঘাস ॥
তৃনমূল রাস্তায় নামছে ।গণতন্ত্র ফিরেছে বলে ।
তারমানে এই bjp সব ভুলে গেছে ! bjp চাইলে হিম ঝরিয়ে দিতে পারে । আইনের শাসন জারি ।তাই সংযম ।
কিন্তু বিরোধ আর প্রতিবাদের নামে ভাংচুর আর বেআইনি কার্যকলাপ চলবে না । সোজা পথে হাঁটুন ।আইন মেনে হাঁটুন । দুষ্কৃতি আইনের শাসনে ছাড় পাবে না ।
মুসলিম জনগণ bjp সরকারের পাশে থাকুন ।সমস্যা রাস্তায় মিটবে না ।আপনারা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ আলোচনার জন্য সময় চান ।উনি ভীষণ সহযোগী ।আপনার ন্যায় পাবেন ।কিন্তু তৃনমূলের প্ররোচনায় পা দিয়ে বিক্ষোভ যুদ্ধে গেলেই মঙ্গল হবে না ।তখন আইন নিজের পথে চলবে ।
bjp সরকার কাউকে বঞ্চিত করবে না ।তেমনই আলাদা সুবিধাও দেবে না । কাজেই রাজ্যের মঙ্গল সবার জন্যই ।সেটা তোষণনীতির দ্বারা পরিচালিত হবে না ।
আর যাই হোক তৃনমূল এর চেয়ে খারাপ কিছই হয় না । ।সরকারকে ভালো কাজে গঠনমূলক সায় দেয়া সকলের কর্তব্য ॥
Narottam Sinhababu
সাধারণ সম্পাদক
ভারতীয় জনতা কিষান মোর্চা
কলকাতা উত্তর শহরতলী জেলা
কংগ্রেস নেতা অতুল্য ঘোষ মহাশয়ের একটি অসাধারণ উক্তি আছে জানেন। তিনি বলেছিলেন, " প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের লেঠেল দরকার কিন্তু লেঠেল কে আপনি যদি বসবার ঘরে ঢুকিয়ে আনেন তাহলেই সমস্যা। "
তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্যা হল তারা সেই লেঠেল কে বসবার ঘর তো ছোট ব্যাপার একেবারে অন্দরমহলে স্থান দিয়েছিল। পারলে সংসারে নিজের জায়গাটাও ছেড়ে দিত।
ফলে শেষ ১৫ বছর রাজ্যটার কি হয়েছে আপনার নিজেরাই দেখতে পাচ্ছেন।
Want your business to be the top-listed Government Service in KOLKATA?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Kolkata
