10/06/2026
দশ মিনিট সময় দিয়ে বস্তিবাসী মানুষদের ঘরের সব আসবাব ও জিনিসপত্র নিয়ে বেরিয়ে যেতে বলা যায়?
দশ মিনিট সময় দিয়ে বস্তিবাসী মানুষদের ঘরের সব আসবাব ও জিনিসপত্র নিয়ে বেরিয়ে যেতে বলা যায়?
নিয়মিত কলকাতা মেডিকেল কলেজ সহ অন্যান্য ছাত্র আন্দোলনের খবর পেতে চোখ রাখুন এই পেজে।
10/06/2026
দশ মিনিট সময় দিয়ে বস্তিবাসী মানুষদের ঘরের সব আসবাব ও জিনিসপত্র নিয়ে বেরিয়ে যেতে বলা যায়?
দশ মিনিট সময় দিয়ে বস্তিবাসী মানুষদের ঘরের সব আসবাব ও জিনিসপত্র নিয়ে বেরিয়ে যেতে বলা যায়?
08/06/2026
গতকাল মধ্যরাত্রে যাদবপুরে পুলিশিহানা, বর্বরচিত আক্রমণ ও বস্তি উচ্ছেদের প্রতিবাদে আজ AIDSO মেডিকেল কলেজ কলকাতা ইউনিটের পক্ষ থেকে ক্যাম্পাস জুড়ে পোস্টারিং করা হয়।
05/06/2026
“ধর্মের নামে, দেশের নমে বা রাজনীতির নামে কোনও প্রকার গোঁড়ামি যেন আমাদের শিক্ষামন্দিরে প্রবেশ করিতে না পারে সেদিকে আমাদের দৃষ্টি রাখা উচিত।”
-নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
(জাতীয় শিক্ষার কথা, ১৩৩০)
উচ্ছেদের আতঙ্কে বই পাড়া।
প্রতিরোধের বার্তায় মানববন্ধনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী, বই বিক্রেতা সহ নাগরিক সমাজ।
03/06/2026
কলকাতার ঐতিহ্য, পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্য কলেজস্ট্রিট বই পাড়া ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে। চলছে চাপানউতোর। বাড়ছে আতঙ্ক। কিন্তু আমরা চুপ থাকব না। বুকের রক্ত ঢেলে চলবে বই পড়া ও বই পাড়া রক্ষার লড়াই। আমরা পাশে আছি। আমরা প্রস্তুত আছি।
আপনারাও সামিল হন এই লড়াইয়ে....
|| কলেজ কর্তৃপক্ষ আয়োজিত প্রোগ্রামে রাজনৈতিক দখলদারির হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে সোচ্চার হও ||
গতকাল কলকাতা মেডিকেল কলেজের জেরিয়াট্রিক মেডিসিন বিভাগের উদ্যোগে ‘Artificial Intelligence in Healthcare’ শীর্ষক একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়। আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি যে, সেমিনারের নির্ধারিত প্রোগ্রাম সিডিউলে উল্লিখিত বক্তাদের বাইরে হঠাৎ করেই RSS-পরিচালিত চিকিৎসক সংগঠন NMO-র এক নেতা উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন। একথা অত্যন্ত পরিষ্কার যে, তাঁর বক্তব্য ছিল স্পষ্টতই রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি তাঁর বক্তব্যে NMO-র বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক এজেন্ডা ছাত্রছাত্রীদের সামনে তুলে ধরেন এবং কার্যত আন্দোলন করলে জেলে যেতে হতে পারে বলেও হুমকির সুরে মন্তব্য করেন।
শুধু তাই নয়, সেমিনারে উপস্থিত আরও কয়েকজন বক্তাও নিজেদের বক্তব্যে পক্ষপাতদুষ্ট অবস্থান গ্রহণ করে রাজ্য ও কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপির বিভিন্ন নীতিকে নগ্নভাবে প্রশংসা করেন, যা এই ধরনের একটি সেমিনারের পরিবেশের পরিপন্থী।
সরকারিভাবে আয়োজিত একটি শিক্ষামূলক সেমিনারে ছাত্রছাত্রীরা জ্ঞান আহরণের উদ্দেশ্যে অংশগ্রহণ করে। সেখানে কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে এহেন রাজনৈতিক পরিসর তৈরি করা এবং পক্ষপাতদুষ্ট বক্তব্যের সুযোগ করে দেওয়াকে আমরা তীব্র ধিক্কার জানাই। বিগত দিনের আরজিকর আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে থ্রেট কালচারের নগ্ন রূপ উন্মোচিত হয়েছিল এবং যার বিরুদ্ধে আমাদের মেডিকেল কলেজসহ রাজ্যের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের ছাত্রছাত্রী, চিকিৎসক ও সাধারণ মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হয়েছিলেন, সেই থ্রেট কালচারকে কি আমরা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেব? কলেজের মধ্যে দিনের আলোয় আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের জেলে পাঠানোর হুমকি— এই ধরনের ভয় প্রদর্শন ও দমনমূলক আচরণ কি আমরা মেনে নেব? আমাদের উত্তর স্পষ্ট: না। শিক্ষাঙ্গনে ভয়, সন্ত্রাস ও হুমকির কোনো স্থান হতে পারে না।
তাই সকল গণতন্ত্রপ্রিয় ছাত্রছাত্রীদের কাছে আমাদের আবেদন— কলেজের মুক্ত, গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ পরিবেশ রক্ষা করতে এবং থ্রেট কালচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে AIDSO-র চলমান আন্দোলনে সামিল হও।
আমাদের দাবি:
১. কলেজ কর্তৃপক্ষ আয়োজিত কোনও অনুষ্ঠানেই রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা চলবে না।
২. গত ২৯ মে জেরিয়াট্রিক মেডিসিন বিভাগ আয়োজিত সেমিনার কি করে একটি রাজনৈতিক প্রচার সভাতে পরিণত হল অবিলম্বে তার স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে এবং রিপোর্ট ছাত্রছাত্রীদের সামনে প্রকাশ করতে হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে।
আন্দোলন করলে জেল হতে পারে— সেমিনারে এসে এমনটাই থ্রেট করলেন NMOর এক নেতা!!
এর জবাব মেডিকেল কলেজ দেবে।
গণতন্ত্রপ্রিয় ছাত্রছাত্রীরা এর জবাব দেবে।
আপনারা প্রস্তুত থাকুন।
29/05/2026
কলেজ কর্তৃপক্ষ আয়োজিত প্রোগ্রামে রাজনৈতিক দখলদারির বিরুদ্ধে সামিল হও।
"ABVP কে বলে দিতে চাই
তার পিঠে তিনটে কেন
দশটা/একশোটা চেয়ার ভাঙলেও
আমাদের AIDSO - এর কর্মীদের মেরুদণ্ডকে
ভাঙ্গা যাবে না।।"
গতকাল উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে
কর্মীদের ওপর এর গুন্ডা বাহিনীদের আক্রমণ প্রসঙ্গে AIDSO এর রাজ্য সম্পাদকমন্ডলী সদস্য কমরেড ডাক্তার অপূর্ব মন্ডল।
29/05/2026
উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এআইডিএসও কর্মী -সংগঠকদের উপর ABVP আক্রমণের ঘটনাকে তীব্র ধিক্কার জানিয়ে AIDSO পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় গতকাল এক বিবৃতিতে বলেন
"উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষা ও ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে আজ এআইডিএসওর'র কর্মী সমর্থকরা পোস্টারিং করার সময় তাদের ওপর অতর্কিতে হামলা চালায় ABVP-র গুণ্ডা বাহিনী। বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্র মহাসিন আলি ও অনিমেষ বর্মন সহ কর্মী সমর্থকদের উপর ব্যাপক আক্রমণ চালানো হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সংগঠনের জেলা সভাপতি এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রাক্তনী কল্লোল বাগচী ও ইউনিট সম্পাদিকা ভারতী রায়কে মারধর করা হয়। সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা হতবাক হয়ে লক্ষ্য করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ABVP- র গুণ্ডাবাহিনীর বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, AIDSO নেতৃত্বকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াচ অ্যাণ্ড ওয়ার্ড বিভাগে ও পরে মাটিগাড়া থানায় নিয়ে যায়। ABVP-র বহিরাগত গুণ্ডাবাহিনীর এই ভূমিকা বাস্তবে TMCP-র থ্রেট কালচার ও দখলদারির রাজনীতিকে বজায় রাখতেই সচেষ্ট। এই পরিস্থিতি লক্ষ্য করে গতকাল AIDSO'র বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের পক্ষ থেকে কর্তৃপক্ষের কাছে ডেপুটেশন দিয়ে দাবী করেছিলো যে, ইতিমধ্যেই নানা ক্ষেত্রে পরিলক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এবিভিপি'র প্রতি পক্ষপাতিত্ব বন্ধ করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থ্রেট কালচার বন্ধ করে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফেরাতে হবে।
বিজেপি-এবিভিপির কার্যকলাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গণতন্ত্র ধ্বংসের এই ষড়যন্ত্রকে রুখে দেওয়া আজ সাধারণ ছাত্রছাত্রী সহ সমস্ত শুভবুদ্ধি সম্পন্ন সাধারণ মানুষের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য বলে আমরা মনে করি। আমাদের আবেদন, আসুন, শাসকের চেনা রাজনীতির বিপরীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনকে আমরা তীব্রতর করি। রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি তে সামিল হই। "