খোঁচানি মাস্টার

খোঁচানি মাস্টার

Share

Khochani Master — A sharp poke with a calm mind!
খোঁচানি মাস্টার—শান্ত মাথায় কড়া খোঁচা!
“আমরা আয়না দেখাতে পারদর্শী”

Our blog is a dedicated space for raising awareness about important social issues and engaging in political discussions. We aim to inform, inspire, and encourage critical thinking among our readers by covering topics like human rights, environmental concerns, and social justice.

06/21/2026

-- যদি হেফাজতের আমীর জামাত-শিবিরের বিরুদ্ধে জিহাদের ডাক দেয়; তাহলে এই ডাকে সাড়া দিতে শতভাগ প্রস্তুত আছে আওয়ামী লীগ নেতারা, শাহবাগীরা, নাস্তিক গ্রুপ, সেকুলাররা এবং বাম দলগুলো। এর রহস্য কি এটা এই প্রচলিত ক‌ওমী সনদ পদ্ধতির সকল আলেমদেরকে বুঝতে হবে।

-- জামাত-শিবিরকে পুরোপুরি নির্মূল করার জন্য এদেশের ক‌ওমী সনদ পদ্ধতির সকল আলেমকে নতুন করে আবারও ঐক্যবদ্ধ করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা শুরু করার নির্দেশনা দিচ্ছে আ'লীগ নেতারা, নাস্তিকরা, শাহাবাগী গ্রুপ এবং বামপন্থীরা!

-- আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে এই চেষ্টা তারা বহুবার করেছিল এবং তারা এতে কিছুটা সফলতাও পেয়েছিল।

-- এদেশের বিভিন্ন ইসলামপন্থী গ্রুপগুলোর বোঝা উচিত; জামাত শিবিরকে ঠেকাতে আওয়ামী লীগ, সেক্যুলার, নাস্তিক এবং বামপন্থীরা কম চেষ্টা করে নাই।

-- আলেমদের জন্য এই প্রশ্নটি অত্যন্ত কষ্টের এবং লজ্জার! আর তাহলোঃ আওয়ামী পন্থী আলেমরা বেশি ভালো ? নাকি বিএনপি পন্থী আলেমরা বেশি ভালো ? উলামা লীগ ভালো ? নাকি ওলামা দল ভালো ? আলেম কাকে বলে ? বর্তমানের প্রচলিত সনদ পদ্ধতির আলেমদের মধ্যে নির্ভরযোগ্য আলেমের হার কত হবে ?

-- এছাড়াও আলেমদের কাছে প্রশ্নঃ জামাত শিবিরের বিরোধিতা তো এদেশে সবচাইতে বেশি করে বামপন্থীরা, সেক্যুলাররা, আওয়ামী লীগ এবং নাস্তিকরা। এটার কারণ কি বলেন ?

-- অন্যদিকে কিছু আলেমের জন্ম‌ই হয়েছে শুধুমাত্র জামাত-শিবির নিয়ে গবেষণা করার জন্য আর সমালোচনা করার জন্য।

-- বর্তমানে প্রচলিত এই ক‌ওমী সনদ পদ্ধতির কোন আলেম বিএনপিতে যোগ দিলে সমস্যা নেই। আওয়ামী লীগে যোগ দিলে সমস্যা নেই। এই পদ্ধতির আলেমরা উলামা লীগে যোগ দিতে পারবে; উলামা দলে যোগ দিতে পারবে; কিন্তু জামাতে ইসলামে যোগ দিলেই উদের হিংসা আর ফতোয়া শুরু হয় কেনো ?

-- বহু আলেম আমাকে প্রশ্ন করেছে: মৌদূদীর তাফসীরে তো ভুল আছে। আমি আশ্চর্য হয়ে বললামঃ আমি তো জানি শুধু কুরআনে ভুল নেই। আপনি কি এমন কোন তাফসীর বা কিতাবের নাম বলতে পারবেন যার মধ্যে কোন ভুল নেই !?

-- অন্যদিকে এদেশের ইসলামী দলগুলোর মধ্যে প্রায় ৩৮টি বিভিন্ন আকীদা পন্থী গ্রুপ আছে। এক আকীদা পন্থী গ্রুপের দৃষ্টিতে অন্য আকীদা পন্থী গ্রুপগুলো সঠিক নয়।

-- আলেমদের মর্যাদা, সম্মান যেমন আপনার জানতে হবে, বুঝতে হবে; ঠিক তেমনি প্রচলিত সনদ পদ্ধতির আলেমদের মধ্যে হিংসুক, সুবিধাবাদী মুনাফিক আলেমদের বিষয়ে কুর‌আনের আলোচনাগুলো‌ও আপনার জানা থাকতে হবে; মুখস্ত রাখতে হবে। অর্থাৎ কুরআনের সূরা মুমিন কিংবা সূরা মু'মিনূন এর আলোচনাগুলো যেমন পড়তে হবে, জানতে হবে। ঠিক তেমনি সূরা মুনাফিকূনের কথাগুলোও জানতে হবে, বুঝতে হবে।

-- কোনো আলেমকে আপনি হয়তো আপনার জ্ঞান অনুযায়ী বড় আলেম ভাবছেন; বড় বুজুর্গ ভাবছেন। কিন্তু দেশে শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে অর্থাৎ ইসলামের প্র্যাকটিক্যাল বা বাস্তব জগতে দেখবেন তার ভূমিকা শূন্য%!

-- মূলত দাজ্জাল আমাদের চিন্তাশক্তি নষ্ট করে ফেলেছে। ফলে আমরা এখন আর সঠিক ভাবে চিন্তা করতে পারছি না।

-- এখন আমরা প্রচলিত অলি বুজুর্গদের প্রচলিত কেচ্ছা কাহিনী আর কেরামতির ওয়াজ শুনি। আর এসব ওয়াজ শুনেই সুবহানাল্লাহ: সুবহানাল্লাহ: সুবহানাল্লাহ বলতে থাকি! কিন্তু আমরা চিন্তা করতে পারিনা যে নবীদের এবং সাহাবাদের জীবন ইতিহাস কেন এত বাস্তব কঠিন ছিল ? কেন তাদেরকে এত রক্ত দিতে হলো; যুদ্ধ করতে হলো; এত জুলুম আর অবিচারের স্বীকার হতে হলো !?

-- যদি আপনি ওয়াজ করতে মঞ্চে বসেন, তাহলে আপনি কুরআন থেকে বেশি বেশি কথা বলুন। কিন্তু কুরআন থেকে কথা বলার মাঝে যদি আপনি কোন আনন্দ বা মজাই খুঁজে না পান; তাহলে ওয়াজ করার পেশা ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশায় যোগ দিন।

-- আমি আগে প্রচলিত অলি বুজুর্গদের বহু কেরামতি আর কিচ্চা কাহিনীর ওয়াজ শুনতাম। কিন্তু কুরআনের কথাগুলো পড়তে গিয়ে দেখলাম নবীরা এবং সাহাবারা বহু ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। রক্ত দিতে হয়েছে; যুদ্ধ করতে হয়েছে; জুলুম এবং অবিচারের স্বীকার হতে হয়েছে!

-- আসলে আকিদার উপর ভিত্তি করে এদেশের ইসলামপন্থীরা কখনোই ঐক্যবদ্ধ হতে পারবে না। বরং ঐক্যবদ্ধ হতে গেলে ঈমান এবং ইসলামের স্তম্ভ গুলোর উপর ভিত্তি করেই ঐক্য হতে হবে।

-- অর্থাৎ সূরা ইমরানের ৬৪ নং আয়াতের দিকনির্দেশনার উপর ভিত্তি করে ঐক্য হতে হবে। এছাড়া কখনোই সম্ভব হবে না।

-- জামাত শিবিরের আকিদা কি ? তাদের আকিদা হচ্ছে 1.আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস, 2.ফেরেশতাদের প্রতি বিশ্বাস, 3.কিতাবের প্রতি বিশ্বাস, 4.রাসূলদের প্রতি বিশ্বাস, 5.পরকালের প্রতি বিশ্বাস এবং 6.তাকদিরের প্রতি বিশ্বাস রাখা। আর এই আকিদার উপরে থাকতে আল্লাহ্ কুরআনে নির্দেশ দিয়েছেন।

-- আপনার আকিদাগত বুঝ-জ্ঞান নিয়ে যদি আপনি জান্নাতে যেতে পারেন তাহলে আমি তো আর আল্লাহর কাছ থেকে আপনাকে আটকাতে পারবো না! আর আমার আকিদাগত বুঝ-জ্ঞান দিয়ে যদি আমি জান্নাতে যেতে পারি তাহলে আপনিও তো আল্লাহর কাছ থেকে আমাকে আটকাতে পারবেন না!

-- কিন্তু আপনার আকিদাগত বুঝ-জ্ঞান দিয়ে যদি অন্যের আকিদাকে ভুল মনে হয়; আর সেটা যদি ঈমানের স্তম্ভ এবং ইসলামের স্তম্ভের উপরে না পড়ে অর্থাৎ ইসলামের মৌলিক বিষয় সংক্রান্ত না হয়; তাহলে সেটা নিয়ে বাড়াবাড়ি মূলক কথা বলতে আপনাকে কে বলেছে ?

-- রাসূল (সাঃ) ইহুদি খ্রিস্টানদের সাথে গিয়ে সন্ধি চুক্তি করতে পারলেন। ইহুদি খ্রিস্টানদের সাথে সুন্দর ভাষায় কথা বলতে পারলেন। সুন্দর আচরণ করতেন। পাশে বসিয়ে পরামর্শ দিতেন! আর আমাদের দেশের ইসলামপন্থী গ্রুপগুলো এবং প্রচলিত সনদ পদ্ধতির আলেমরা নিজেরা কিভাবে জান্নাতি আর অন্যরা কিভাবে জাহান্নামী সেটা প্রমাণ করার গবেষণায় ব্যাস্ত থাকে।

-- কুরআনে বর্ণিত আলোচনা থেকেঃ
-- আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ
--সূরা তাওবা-34,
-- ধর্মীয় পন্ডিতরা ( আলেম-উলামারা ) এবং সংসার বিরাগীদের অনেকেই ( ধর্মকে ব্যবহার করে ) মানুষের ধন সম্পদ অন্যায় ভাবে ভোগ করে এবং আল্লাহর পথ থেকে ( অর্থাৎ ধর্মের সঠিক জ্ঞান থেকে ) লোকদেরকে দূরে সরিয়ে রাখে।

--সূরা তওবা-31,
-- আর তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে নিজেদের আলেম-উলামা, ধর্মীয় গুরু ও দরবেবেশদেরকে নিজেদের অভিভাবক ( চূড়ান্ত দিক-নির্দেশনা দাতা ) বানিয়ে নিয়েছে।

-- সূরা মায়েদা-104
--104. আর যখন তাদেরকে বলা হয়, তোমরা আল্লাহর দেওয়া কুরআনের দিকনির্দেশনার দিকে এসো; তখন তারা বলে আমাদের জন্য সেই পথই যথেষ্ট, যে পথে আমরা আমাদের বাপ-দাদা ও অভিভাবকদেরকে পেয়েছি ( অর্থাৎ আমাদের অভিভাবক, মুরুব্বী, আলেম-উলামা, ধর্মীয়গুরু এবং বাপ-দাদাদেরকে যে পথে পেয়েছি )। তবে কি তারা তাদেরকেই অনুসরণ করবে; যারা নিজেরাও সঠিক পথের উপর ছিল না ?

-- সূরা সাফ্ফাত-69-71
-- এরাই হলো সেই সব লোক যারা তাদের বাপ-দাদাদেরকে ( অভিভাবকদেরকে ) পথভ্রস্ত অবস্থায় পেয়েছিল। আবার তারা ওদেরকেই অনুসরণ করে চলছিল। অথচ তাদের পূর্বপুরুষরা পথভ্রষ্টই ছিল!

-- বিঃদ্রঃ - লেখাটি কপি পোস্ট করার অনুরোধ রইল।

03/20/2026

সবাইকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা। 🥳

03/06/2026

~ বিলাদুল হারামাইন আর হারামাইনের গাদ্দার এক কথা নয়!~
-
বাইতুল্লাহ’র প্রেম প্রতিটি মুমিনের শিরায় শিরায়। যে ভূমিতে প্রথম ওহী নাযিল হয়েছিল, যেখানে রাসূলুল্লাহ ﷺ চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন — সেই বিলাদুল হারামাইনকে ভালোবাসেনা এমন মুমিন কে হতে পারে! কিন্তু এই ভালোবাসা অন্ধত্বের লাইসেন্স নয়। হারামাইন এক কথা, সৌদি রাজতন্ত্র সম্পূর্ণ আরেক কথা।

Love the land, expose the rulers, these are not mutually exclusive.

১. প্রথম গাদ্দারি

১৯১৬ সালে শরিফ হুসাইন ব্রিটিশদের হাত ধরে উসমানী খিলাফতের বিরুদ্ধে আরব রিভল্ট পরিচালনা করে। ইসলামি খিলাফাতের শেষ কাঠামো ভেঙ্গে দেয়ার পেছনে ছিল শাসক গোষ্ঠী। ইবনে সাউদও পিছিয়ে নেই, ১৯১৫ সালের ‘Treaty of Darin’ এ ব্রিটিশ প্রটেক্টোরেট মেনে নিয়ে তারা ক্ষমতার সিঁড়ি বেয়ে ওঠে। ঐতিহাসিক ডেভিড ফ্রমকিন এর মতে, "আরব নেতারা ব্রিটিশ স্বার্থে ইসলামি ঐক্যের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকেছিলেন।"¹ রাষ্ট্র সৌদি’র পাপের শুরু সেই দিন থেকেই।
The last Caliphate wasn't destroyed by the West alone — it was handed over.

২. ক্ষমতার চুক্তিতে পেট্রোডলারের দাসত্ব

১৯৭৪ সালে কিসিঞ্জার-সৌদি গোপন চুক্তিতে সিদ্ধান্ত হয় সৌদির তেল কেবলমাত্র ডলারেই বিক্রি হবে। উইলিয়াম ক্লার্ক এর মতে, এই একটি চুক্তি মার্কিন সামরিক সাম্রাজ্যবাদের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড হয়ে দাঁড়ায়।² সৌদি আরব তেল বেচে ডলার পায়, সেই ডলারে মার্কিন অস্ত্র কেনে, এই চক্রেই ডলার হেজেমনি গড়ে ওঠে। সাদ্দাম এই হেজেমনি ভাংতে চেয়েছিল, সে ইউরোতে তেল বেচতে চেয়েছিল- পরিণামে ইরাক ধ্বংস হলো। গাদ্দাফি গোল্ড দিনারের বাস্তবায়ন চেয়েছিল— তাকে রাস্তায় হত্যা করা হয়। ২০১৭ সালে ট্রাম্পের সাথে ১১০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি সই করে সৌদি প্রমাণ করে দিল- সেই এই ডলার হেজেমনির সবচেয়ে বিশ্বস্ত গ্যারান্টার।³

৩. ইয়েমেন: উম্মাহর রক্তে সৌদির হাত!

UN OCHA,(২০২১) এর রিপোর্ট বলছে- ইয়েমেনে ৩ লাখ ৭৭ হাজারেরও বেশি নিহত, যাদের ৬০% সৌদি পরিচালিত যুদ্ধে বিধ্বস্ত দেশটির অমানবিক পরিস্থিতির কারণে।⁴ UNICEF এর মতে, ইয়েমেনে প্রতি ১০ মিনিটে একটি শিশু মারা যায়।⁵ Yemen Data Project দেখায় — ২৫,০০০-এরও বেশি এয়ারস্ট্রাইক, যার এক-তৃতীয়াংশই হাসপাতাল, স্কুল আর বাজারে।⁸ HRW এবং Amnesty এগুলোকে "war crimes" বলে নথিভুক্ত করেছে।⁹ সৌদি’র ক্রয়কৃত অ্যামেরিকান বোম্ব গুলো সবচেয়ে বেশী বিস্ফোরিত হয় ইয়েমেনের মাটিতে।
With the money of Muslims, bombing Muslims with American bombs, and calling it "regional security".

৪. ‘স্মার্ট সৌদি’ - হারাম কী তাদের জন্য হালাল?

৩৫ বছরের নিষেধাজ্ঞার পর সৌদিতে সিনেমা হল খুলে দেয়া হল¹⁰, উলঙ্গ প্রায় পুরুষরা রেসলিং করল, আবেগে উন্মত্ত হল সৌদি নারী, পুরুষ!¹¹, মারিয়া ক্যারির কনসার্ট হল¹², BTS হল পর্যটন অ্যাম্বাসেডর¹³, মদের অনুমোদিত স্পেস করে দেয়া হল¹⁴, হিজাবের বাধ্যবাধকতা উঠে গেল¹⁵ এসব কিছুই করা হল সংস্কারের নামে। আসুন দেখে নেয়া যাক রাসূলুল্লাহ ﷺ কি বলেছেন- "আমার উম্মতের মধ্যে এমন লোক আসবে যারা মদ ও বাদ্যযন্ত্রকে হালাল মনে করবে।" এটি স্রেফ কোন ভবিষ্যদ্বাণী নয়, এটাই এখন সৌদি’র সরকারি নীতিমালা!

৫. আলেমদের কারাগারে নিক্ষেপ

অপরদিকে যেসব বিদগ্ধ আলেম সৌদি শাসকের এহেন নির্লজ্জ বেহায়াপনার বিরোধিতা করেছেন, জনগণকে সচেতন করতে চেয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধেই সৌদি শাসক কঠোর হয়েছে। রাষ্ট্র, সালমান আল-আওদা’র মৃত্যুদণ্ডের দাবি করেছে¹⁶, সাফর আল হাওয়ালি তিন পুত্রসহ গ্রেফতার হয়েছেন¹⁷, আল কারনি ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলায় রাষ্ট্রপক্ষ মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে¹⁸, আব্দুল্লাহ আল হামিদ কারাগারে মৃত্যু বরণ করেছেন¹⁹, মুহাম্মাদ আল গামেদিকে কয়েকটি টুইটের জন্য মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে²⁰ - এসব কিছুই সৌদি রাজপরিবারের বিদগ্ধ, প্রসিদ্ধ উলামাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের সামান্য নমুনা মাত্র!

The regime that guards the Kaaba — kills the scholars who guard the Quran!

৬. ইমামুল হারামাইনের মুখে অ্যামেরিকা বন্দনা!

২০১৭ সালে মসজিদুল হারামের প্রধান ইমাম সুদাইস বলে বসলেন — "Thank God, the United States and Saudi Arabia are steering the world" এবং বিন সালমান ও ট্রাম্পের জন্য দোয়া করলেন: "May God let them succeed."²² এই সেই আমেরিকা, যে আফগানিস্তানে ২ লাখেরও বেশি নিরীহ মুসলিম হত্যা করেছে²³, ইরাকে ১৫ লাখ মৃত্যুর জন্য দায়ী।²⁴

‘May god let them succeed…’ - this is the Imam of Kaaba!

৭. মার্কিন ঘাঁটি: কুরআনের জমিনে কাফেরদের দখলদারি

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন — "আরব উপদ্বীপ থেকে মুশরিকদের বের করে দাও।" অথচ সেই পবিত্র ভূমিতে আজ দাঁড়িয়ে আছে ১টি নয়, ২টি নয়- ৫টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি। Prince Sultan Air Base (আল-খার্জ — ২,৩০০+ মার্কিন সেনা, B-1B বোমারু ও F-22 মোতায়েন), Eskan Village Air Base (রিয়াদ), King Abdulaziz Air Base (ধাহরান — Gulf War থেকে সক্রিয়), King Faisal Air Base (তাবুক) এবং Riyadh Air Base (রিয়াদ — লজিস্টিক্স কেন্দ্র)।²¹

Congressional Research Service নিশ্চিত করেছে — ১৯৯১ থেকে এই ঘাঁটিগুলো থেকেই ইরাক, আফগানিস্তান ও সিরিয়ায় মার্কিন অভিযান পরিচালিত হয়েছে।²¹ লক্ষ লক্ষ মুসলিম হত্যা করতে এই ঘাঁটি গুলোই ব্যাবহার করা হয়েছে।

৮. সৌদি-ইসরায়েল: গোপন রসায়ন!

ফ্রিইডম্যান নিউ ইয়োর্ক টাইমস উল্লেখ করেছে- সৌদি ইসরায়েল চুক্তি ৭ অক্টোবরের আগেই চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছিল।²⁶ রাশিদ খালিদি এর মতে, "এই নরমালাইজেশন ফিলিস্তিনিদের সাথে ঐতিহাসিক বিশ্বাসঘাতকতা।"²⁷ গাজার গণহত্যায় সৌদির নীরবতা কোনো নিরপেক্ষতা নয়, এটা ষড়যন্ত্রের নীরবতা।

৯. মাদখালি: রাজতন্ত্রের ধর্মীয় ব্যান্ড পার্টি

মাদখালি মতবাদের সারকথা হচ্ছে শাসকের সমালোচনা হারাম, আনুগত্য সর্বদা ওয়াজিব আর এই আনুগত্য হচ্ছে সৌদি রাজ পরিবারের কাছে। Wiktorowicz, Global Salafism এ আলোচনা করেছে- এটি রাজনৈতিক প্রতিবাদ দমনের সুচতুর ধর্মীয় হাতিয়ার।²⁸

ইয়েমেনে বোমা পড়ছে, মাদখালি নীরব। আলেম হত্যা হচ্ছে, মাদখালি নীরব। মার্কিন ঘাঁটি হারামাইনের মাটিতে, মাদখালি নীরব। মদের লাইসেন্স হয়ে যাচ্ছে, মাদখালি নীরব। অথচ কেউ শাসকের সমালোচনা করলে সঙ্গে সঙ্গে ফতোয়া হাজির।

Madkhalism isn't scholarship. It's state-sponsored intellectual sedation.

১০. বর্তমান যুদ্ধ: দায় কার?

পেন্টাগন স্বীকার করেছে — সৌদি ঘাঁটি মার্কিন কৌশলের জন্য "irreplaceable asset."²⁹ লিন্ডসে গ্র্যাহাম স্বীকার করেছে — "Without Saudi Arabia, U.S. military operations in the Middle East would be impossible."³⁰ বল্টোন তার মেমোয়ারে লিখেছে — সৌদি ঘাঁটি ছাড়া ইরান নীতি বাস্তবায়নই সম্ভব হতো না।³¹

লক্ষ্য করুন, আন্তর্জাতিক যুদ্ধ আইন অনুযায়ী — যে দেশ নিজের মাটিতে আক্রমণকারীকে ঘাঁটি দেয়, সে নিজেও যুদ্ধের অংশীদার হয়ে যায়। এরপর কান্নাকাটির কোনো নৈতিক ভিত্তি থাকে না।
When war breaks out, crying doesn't undo decades of collaboration.
মধ্যপ্রাচ্যের সমস্ত অস্থিরতার সাথে সৌদি রাজতন্ত্রের complicity আছে, এটি দাবী নয় এটি বাস্তবতা। এটি আমাদের দাবী নয়, সৌদি’র বন্ধু অ্যামেরিকার স্বীকারোক্তি!

উপসংহার

বাইতুল্লাহ আমাদের। হারামাইন আমাদের। কিন্তু আল-সাউদ পরিবার উম্মাহ’র কিছু নয়। তারা ডলারের, পেন্টাগনের, তেল আবিবের এর অংশীদার। মাদখালিরা সেই গাদ্দারির ধর্মীয় ঠিকাদার। আমরা হারামাইনকে ভালোবাসি বলেই এই সত্য বলা আমাদের জন্য জরুরী — কারণ চুপ থাকা মানে অপরাধে অংশীদার হওয়া।

Custodians of the holy land but servants of the American empire! The ummah deserves better!


From Reality Check

03/06/2026

ব্রেকিং নিউজ: ইরান যুদ্ধের প্রভাবে মার্কিন বিনিয়োগ প্রত্যাহারের কথা ভাবছে সৌদি আরব, ইউএই এবং কুয়েত
ফিনান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সাথে বাড়তে থাকা যুদ্ধের অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবিলায় উপসাগরীয় অঞ্চলের চার বৃহত্তম অর্থনীতির তিন দেশ—সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) এবং কুয়েত—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ থেকে সরে আসার বিষয়ে আলোচনা করছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জ্বালানি রাজস্ব কমে যাওয়া এবং পুরো অঞ্চলজুড়ে জাহাজ চলাচল ও পর্যটন খাতে বিঘ্ন ঘটায় "বাজেট ঘাটতি" প্রকট হচ্ছে। এর ফলে, কিছু উপসাগরীয় সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিদেশের মাটিতে করা তাদের বড় বড় বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতিগুলো পুনরায় মূল্যায়ন করার কথা বিবেচনা করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এই সম্ভাব্য পদক্ষেপকে একটি "সতর্কতামূলক ব্যবস্থা" হিসেবে বর্ণনা করেছে, তবে এর প্রভাব হতে পারে সুদূরপ্রসারী। উপসাগরীয় দেশগুলোর সার্বভৌম সম্পদ তহবিলের (Sovereign Wealth Funds) মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ২ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ রয়েছে। ফলে, যেকোনো ধরণের বিনিয়োগ প্রত্যাহার বৈশ্বিক বাজার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে বড় ধরণের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।
এই পদক্ষেপকে চলমান সংঘাতের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর একটি সম্ভাব্য চাপ হিসেবেও দেখা হচ্ছে—যা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এই যুদ্ধের অর্থনৈতিক পরিণতি রণক্ষেত্রের সীমানা ছাড়িয়ে অনেক দূরে ছড়িয়ে পড়ছে।

02/28/2026

যদি সাপের বিষ না থাকতো, তবে মানুষ তাকে দড়ির মতো ব্যবহার করতো।
মানুষ যখন বুঝে যায় যে আপনি দুর্বল, তখন তারা আপনাকে ব্যবহার করতে শুরু করে। কারণ, তারা দুর্বলকে ভয় পায় না।কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে নিজেকে শক্তিশালী প্রমাণ করতে কারো উপর ঝাঁপিয়ে পড়বেন। তবে এতটুকু বুঝিয়ে দিতে হবে যে আপনি দুর্বল নন। আপনি জবাব দিতে পারেন, নিজের সীমা টানতে পারেন। আর প্রয়োজন হলে নিজের অধিকারের জন্য দাঁড়াতে পারেন।
মনে রাখবেন, শক্তি দেখানো জরুরি নয়, কিন্তু শক্তির অস্তিত্ব অন্যদের বুঝিয়ে দেওয়া জরুরি।
কারণ, সাপের যখন বিষ থাকে না, তখন তার আর কোন গুরুত্ব থাকে না।

02/28/2026

বিতর্কিত

Want your business to be the top-listed Government Service in New York?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


New York, NY